দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
দাগনভূঞা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন ইয়াকুবপুর শিক্ষা উন্নয়ন বৃত্তি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে প্রতি বছরের ন্যায় মাহে রমজান উপলক্ষে পবিত্র কুরআন তেলোয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ও পুরস্কার বিতরন শনিবার স্থানীয় দুধমুখা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।
কুরআন তেলোয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান বিজয়ীকে ৫ হাজার, ২য় স্থান বিজয়ীকে ৪ হাজার, ৩য় স্থান বিজয়ীকে তিন হাজার টাকা নগদ অর্থ ও সনদ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া ফাইনাল রাউন্ডে সকল প্রতিযোগীদের বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুল হাসান। ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাষ্টার কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী আলী আকবর শাহীন, প্রতিযোগিতা পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক আবদুল্যাহ আল মারুফ।
ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবির রাজ্জাক ও সাধারন সম্পাদক মাহামুদুর রহমান রাসেলের সার্বিক তত্বাবধানে কুরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন হাফেজ মাওলানা বেলাল হোসাইন, হাফেজ মুহাম্মদ আজিজুল হক, হাফেজ মাওলানা আনিসুর রহমান এবং ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন মোঃ শাহ আলম, তরুন শিল্পী নুরুল আবছার তারেক, আবদুল করিম প্রমুখ।
পরিচালনা কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক ইয়াকুব রকি ও মোঃ হারুনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ইস্কান্দার শাহজাদা, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান রিজভী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ উল্যাহ, অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন কিরন, সদস্য সাজেদুল ইসলাম কমল, সৈয়দ বায়োজিদ হোসেন, ফরিদুল আরম মুন্না, প্রবাসী সদস্য আবদুল হাই রকি প্রমুখ।
শিক্ষাঙ্গন
৫নং ইয়াকুবপুর শিক্ষা উন্নয়ন বৃত্তি ফাউন্ডেশনের কুরআন তেলোয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন ৫নং ইয়াকুবপুর শিক্ষা উন্নয়ন বৃত্তি ফাউন্ডেশন আয়োজিত প্রতি বছরের ন্যায় কুরআন তেলোয়াত ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা দুধমুখা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতায় ও স্থানীয় যুব সমাজের উদ্যোগে ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
নিরপেক্ষ বিচারকদের মাধ্যমে সেরাদের বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কুরআন তেলোয়াত প্রতিযোগিতায় ২০ জন ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতায় ১৫ জনকে ইয়েস কার্ড প্রদান করা হয়।
ফাইনাল রাউন্ডে সেরাদের মাঝে নগদ অর্থ ও পুরস্কার প্রদান করা হবে।
ফেনী প্রতিনিধি :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগেই স্নাতক চতুর্থ বর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মাস্টার্সের ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ৪৭৭ জন শিক্ষার্থী। ফেনী সরকারি কলেজে মাস্টার্স শেষ পর্বে কোনো বিভাগে আসন খালি না থাকায় প্রিলিমিনারি পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করতে পারছেন না। এতে অনিশ্চিয়তার মুখে পড়েছে এ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সেশনের স্নাতক শেষ করা শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স পর্যায়ে ভর্তি গত বছরের ডিসেম্বরে মাসেই সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে ২০১৯-২০ সেশনের প্রিলিমিনারি শিক্ষার্থীদের ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি। এরমধ্যে মাস্টার্সের দুই ধাপে ভর্তি ইতোমধ্যে শেষ। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে রিলিজ স্লিপের আবেদন শুরু হয়েছে। যার শেষ হবে ৫ মার্চ। এ সময়ের মধ্যে কোন শিক্ষার্থী আবেদন করতে না পারলে মাস্টার্স এ ভর্তি হতে পারবেনা।
ফেনী কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের মাস্টার্স পর্যায়ে বাংলা বিভাগে ৯০টি, ইংরেজি বিভাগে ৫০টি ইতিহাস বিভাগে ৫০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১০০টি, দর্শনে ৫০টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ১৫০টি সমাজকর্মে ১৫০টি, অর্থনীতিতে ১৫০টি, হিসাববিজ্ঞানে ১৬০টি, ব্যবস্থাপনায় ১৬০টি, পদার্থবিজ্ঞানে ৫০টি, রসায়নে ৫০টি, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে ৫০টি, প্রাণীবিদ্যা বিভাগে ৫০টি এবং গনিত বিভাগে ৫০টি আসন রয়েছে। যার বেশিরভাগই ইতোমধ্যে পূরণ হয়ে গেছে। এদিকে সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন ফেনী সরকারি কলেজের প্রিলিমিনারি শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স শেষ পর্বে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রাথমিক আবেদন করলেও কলেজের আসন খালি না থাকায় আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। এছাড়া রিলিজ স্লিপের আবেদন শুরু হলেও মেধাতালিকার জন্য তারা আবেদন করতে পারেনি। এখন চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও ফেনীর কোনো কলেজে আবেদন করা যাচ্ছে না। ভর্তি হতে হলে কুমিল্লা কিংবা ঢাকার কোনো কলেজে আবেদন করতে হবে তাদের।
ফেনী সরকারি কলেজ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর প্রিলি ও মাস্টার্সের ভর্তি একই সঙ্গে হয়ে থাকে। এবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্সে ভর্তি কার্যক্রম আগে শেষ করেছে। এতে নিয়মিত যারা অনার্স শেষ করেছে তারা ভর্তি হয়েছে। কিন্তু প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষার ফলাফল দেওয়া হয়েছে অনার্সে ভর্তির পর। এখন কলেজের সবগুলো বিভাগের কোটা সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কোনো বিভাগেই আবেদন করতে পারছে না।
সূত্র জানায়, নিয়মানুযায়ী একই সঙ্গে আবেদন করা হলে এক বিভাগে যতগুলো আসন রয়েছে তা থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং সেই শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির সুযোগ পায়। কিন্তু এবার আবেদন প্রক্রিয়া আলাদা হওয়াতে প্রিলিমিনারি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারছেন না।
মানববন্ধনে কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের নুরুল করিম নামে একজন শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিবার প্রিলির ফলাফল আগে দেওয়া হয়। পরে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফলাফল দেওয়া হয়। তারপর আবেদনের নোটিশ দেওয়া হতো। কিন্তু এবার অনার্সের আগে ফলাফল ঘোষণা করে ভর্তির নোটিশও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রিলির শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেনা। আমার বিভাগে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আমি একজন হলে ফেনীর বাইরে গিয়ে ভর্তি হতে পারতাম। কিন্তু এ সমস্যা সব শিক্ষার্থীর। সবাইতো আর বাইরে যেতে পারবেনা। আমাদের যেকোন মূল্যে ভর্তির সুযোগ করে দিতে হবে।
কেএম মেহেরুন নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ৩২০ টাকা খরচ করে প্রাথমিক আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখন আবার রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে হবে। তবে রিলিজ স্লিপে ফেনী কলেজের কোন নামই নেই। ফলে আমাদের ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে ফেনী সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোক্তার হোসেইন বলেন, শিক্ষার্থীদের বিষয়টি সমাধানে কলেজ কর্তৃপক্ষ আন্তরিক। এখানে শিক্ষার্থীদের ভুল নেই, তারা ফলাফল পেয়েছে দেরিতে। এজন্য আবেদন করতেই পারছেনা। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি দ্রুত সমধানের চেষ্টা করছি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন সেলের সচিব সহকারী অধ্যাপক ড. আলী জাফর চৌধুরী বলেন, ফেনী কলেজের যে আসন সংখ্যা সেটি সম্পন্ন হয়ে গেছে। এজন্য প্রিলিমিনারি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারছেনা। প্রচলিত যে নিয়ম রয়েছে সেটি অনুযায়ী ভর্তি হতে হবে। আসন খালি থাকলেই কেবল ভর্তির সুযোগ মিলবে।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিন কাশেম বলেন, মাস্টার্স প্রিলিমিনারির শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করতে না পারার কারণ ফেনী কলেজে আগেই আসন সম্পন্ন হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে একদফায় ভর্তি শেষ হয়েছে। এতে অনার্সের যারা আবেদন করেছে তারা ভর্তি হয়ে যাওয়াতে সিট ফাঁকা নেই। এজন্য প্রিলিমিনারির শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি অবগত হয়েছি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্টাফ রিপোর্টার :
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক মুছাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুছাপুর ইউনিয়নের সাতটি বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে। জাতীয় শিক্ষা পদকে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের পুরুষ্কার দেওয়া হয়।
এর আগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৩ খ্রি. এর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় থানারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ আবদুল্যাহ নয়নকে মুছাপুর ইউনিয়ন প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ.এস.এম এহসান কবীরের সভাপতিত্বে পদক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭নং মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আহছান উল্লা ভুট্টো।
উপস্থিত ছিলেন, চর বড়ধলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম ছরওয়ার, থানারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহানারা বেগম, পূর্ব মুছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ছোটধলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল বিকাশ মজুমদার, কাইয়ুমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক, সোলাইমানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমিন, মুছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।
দারুচ্ছুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুরুষ্কার বিতরণ
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের ফেনী দারুচ্ছুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা দিলপুরে ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান এবং বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়েছে। রোববার ১১ জানুয়ারি মাদ্রাসা মাঠে এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিন্দুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুর নবী। দারুচ্ছুন্নাহ মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার রহিমা বেগম এর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার শিক্ষক দৈনিক অজেয় বাংলা নির্বাহী সম্পাদক শাহজালাল ভূঞার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার উল্যাহ, সাপুয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুল জাহের ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ফেরদৌস আরা বেগম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মনির আহম্মেদ, মাওলানা দিদার উল্যাহ, মাওলানা ঈসা রুহু উল্লাহ, মাস্টার মিজানুর রহমান, ফেরদৌসী সুলতানা, মর্জিনা আক্তার ও পারুল আক্তার প্রমুখ। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অভিভাবক শাহআলম সবুজ, মো. সেলিম ও সমাজসেবক অলি আহমেদ। মানপত্র পাঠ করেন জান্নাতুল মাওয়া সামান্তা, শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন তাসরিন সুলতানা সায়ন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিবি সুলতানা। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মাদ্রাসার অভিভাবক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে অতিথিবৃন্দ পরীক্ষার্থীদের হাতে উপহার সামগ্রী এবং বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন। কোরআন তেলোয়াত এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে শুরু হয়ে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা হামদ, নাত, গজল ও দেশত্ববোধক গান পরিবেশন করেন।
বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন ও সভাপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
দাগনভূঞা প্রতিনিধি, আজকের সময় :
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার দুধমুখা ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরন ও নবনির্বাচিত সভাপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বুধবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাস থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার চেয়ারম্যান কোরবান আলী রাজা। বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার সভাপতি প্রবাসী শিক্ষানুরাগী ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল ফোরকান বুলবুল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মাদ্রসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক শিমুল, সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমাম হোসেন, পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন কিরন, দাগনভূঞা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন রনি, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসমাঈল হোসেন ক্বারী, প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আমিরুল ইসলাম, উপশিক্ষা পরিচালক ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মরহুম হাজী শফি উল্যাহ প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি বিগত কয়েক বছর যাবত বিভিন্ন বেসরকারি বৃত্তি প্রাপ্ত হয়ে মেধার স্বাক্ষর রাখছে।
শেষে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতি ওমর ফারুককে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে আকর্ষনীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার, আজকের সময় :
দাগনভুইয়া উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন ৫নং ইয়াকুবপুর শিক্ষা উন্নয়ন বৃত্তি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরিক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে দুধমুখা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইয়াকুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল ফোরকান বুলবুল।
দুধমুখা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বৃত্তি ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক।
বৃত্তি পরিক্ষা পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম কমল ও বৃত্তি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা সম্পাদক ডিঃ কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মারূফের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,, ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এয়াছিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার রানা, ফেনী সাংবাদিক ইউনিটির সাধারন সম্পাদক এম শরীফ ভূঞা, ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার, বৃত্তি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ইস্কান্দার শাহজাদা, সহ-সভাপতি মাস্টার কামাল উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব রকি, দাগনভুঁইয়া প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন রনি, উত্তর চন্ডিপুর ইসলামীয়া দাখির মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফয়েজ উল্যাহ, দুধমুখা আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক বাকের হোসেন, বরইয়া আদর্শ একাডেমীর প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান রিজভী, বৃত্তি ফাউন্ডেশনের প্রবাসী সদস্য কামাল হোসেন, সঞ্জীব ভট্টাচার্য, বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার সুপার আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
পরীক্ষায় ৩য় থেকে ৮ম শ্রেনি পর্যন্ত অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৫ জন ট্যালেন্টপুলে ও ৮৪ জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
স্কুলের সহকারী প্রধান শাহ আলমসহ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের অনেকে বই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘লেমুয়া একাডেমি আমাদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান, এখান থেকে আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরি করার জন্যই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা। আগামীতে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সচিব, প্রফেসর, ইঞ্জিনিয়ার, আইজিপিসহ বড় বড় পদ অলংকৃত করবে এটা আমাদের স্বপ্ন।’
তিনি বলেন, লেমুয়া একাডেমির স্লোগান ‘আগামী দিনের সোনালী মানুষ গড়ার কারিগর’, এই স্লোগান প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বুকে ধারন করে পথ চলতে হবে। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ, ভালো ছাত্র এবং ভালো ধার্মিক হওয়ার আহবান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান আরিফুল ইসলাম বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের একটা অংশের হাতে বই তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।
তিনি জানান, ১০ জানুয়ারি বুধবার থেকে নতুন বছরের ক্লাস শুরু হবে।