নিজস্ব প্রতিনিধি, আজকের সময় :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর বামনী মাদ্রাসা রোডে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে মৃদুল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্ধ্যায় স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়।
খেলার উদ্বোধন করেন রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুর হোসেন মিশাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা নইমুল হক কাঠার, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবিদুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এনামুল হক মঞ্জু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রুবেল মাহমুদ, আহছান উল্ল্যাহ, ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব নুর নবী রাজুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচেই ছিল টানটান উত্তেজনা। খেলাগুলো উপভোগ করতে দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি ম্যাচ শেষে ম্যান অব দ্য ম্যাচ ঘোষণা করে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে “আয়েশা রেন্ট এ কার” টিম এবং রানার্সআপ হয় এম. আর. হাসান টিম।
খেলা পরিচালনা করেন স্থানীয় রেফারি রিজওয়ান মাহমুদ পিংকু।
টুর্নামেন্টের যৌথ দাতা সদস্য হিসেবে ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয়তাবাদী প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আনোয়ার অনিক স্বপন ও সৌদি আরব প্রবাসী আব্দুর রহমান।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রেখে সুস্থ বিনোদনের পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কাজ শেষে ২০০৩ সালে সুইমিংপুলটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর এটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। চুরি যাওয়ার ভয়ে গভীর নলকূপের মোটরটি ভাষাশহীদ সালাম স্টেডিয়ামের অফিসকক্ষে নিয়ে রাখা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় সুইমিংপুলের অফিসকক্ষ, বিশ্রামাগার, ড্রেসিং কক্ষের দরজা–জানালা বখাটেরা ভেঙে ফেলে। সব কটি জানালার কাচও ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি টাইলস ও বৈদ্যুতিক সুইচ, বাল্বসহ সবকিছু ভেঙে তছনছ করা হয়।