দাগনভূঞা প্রতিনিধি, আজকের সময় :
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার দুধমুখা ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরন ও নবনির্বাচিত সভাপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বুধবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাস থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার চেয়ারম্যান কোরবান আলী রাজা। বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার সভাপতি প্রবাসী শিক্ষানুরাগী ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল ফোরকান বুলবুল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মাদ্রসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক শিমুল, সাবেক প্রধান শিক্ষক ইমাম হোসেন, পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন কিরন, দাগনভূঞা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন রনি, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসমাঈল হোসেন ক্বারী, প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আমিরুল ইসলাম, উপশিক্ষা পরিচালক ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মরহুম হাজী শফি উল্যাহ প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি বিগত কয়েক বছর যাবত বিভিন্ন বেসরকারি বৃত্তি প্রাপ্ত হয়ে মেধার স্বাক্ষর রাখছে।
শেষে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতি ওমর ফারুককে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে আকর্ষনীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
শিক্ষাঙ্গন
স্টাফ রিপোর্টার, আজকের সময় :
দাগনভুইয়া উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন ৫নং ইয়াকুবপুর শিক্ষা উন্নয়ন বৃত্তি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরিক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে দুধমুখা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইয়াকুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল ফোরকান বুলবুল।
দুধমুখা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বৃত্তি ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক।
বৃত্তি পরিক্ষা পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম কমল ও বৃত্তি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা সম্পাদক ডিঃ কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মারূফের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,, ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এয়াছিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার রানা, ফেনী সাংবাদিক ইউনিটির সাধারন সম্পাদক এম শরীফ ভূঞা, ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার, বৃত্তি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ইস্কান্দার শাহজাদা, সহ-সভাপতি মাস্টার কামাল উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব রকি, দাগনভুঁইয়া প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন রনি, উত্তর চন্ডিপুর ইসলামীয়া দাখির মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফয়েজ উল্যাহ, দুধমুখা আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষক বাকের হোসেন, বরইয়া আদর্শ একাডেমীর প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান রিজভী, বৃত্তি ফাউন্ডেশনের প্রবাসী সদস্য কামাল হোসেন, সঞ্জীব ভট্টাচার্য, বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার সুপার আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
পরীক্ষায় ৩য় থেকে ৮ম শ্রেনি পর্যন্ত অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৫ জন ট্যালেন্টপুলে ও ৮৪ জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
স্কুলের সহকারী প্রধান শাহ আলমসহ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের অনেকে বই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘লেমুয়া একাডেমি আমাদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান, এখান থেকে আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরি করার জন্যই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা। আগামীতে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সচিব, প্রফেসর, ইঞ্জিনিয়ার, আইজিপিসহ বড় বড় পদ অলংকৃত করবে এটা আমাদের স্বপ্ন।’
তিনি বলেন, লেমুয়া একাডেমির স্লোগান ‘আগামী দিনের সোনালী মানুষ গড়ার কারিগর’, এই স্লোগান প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বুকে ধারন করে পথ চলতে হবে। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ, ভালো ছাত্র এবং ভালো ধার্মিক হওয়ার আহবান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান আরিফুল ইসলাম বলেন, নতুন বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের একটা অংশের হাতে বই তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।
তিনি জানান, ১০ জানুয়ারি বুধবার থেকে নতুন বছরের ক্লাস শুরু হবে।
আজকের সময় প্রতিবেদক :
নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে সুফফা মডেল মাদ্রাসার উদ্বোধন অনুষ্ঠান শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক অতিথি ছিলেন ওলামাবাজার দারুল উলুম আল হোসাইনা মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা আবু সায়েদ। প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আজগর আলী শামীম।
সুফফা মডেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমন, সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরি, ফেনী সাংবাদিক ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এম শরীফ ভূঞা, আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ ক্বারি তানভীর হোসাইন, দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিনিধি এমএস আরমান, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের প্রতিনিধি এটিএম আতিকুল ইসলাম বাদল, এফটিভি দর্শক ফোরামের সদস্য আবদুল আজিজ সায়েম প্রমুখ।
শেষে অতিথিবৃন্দ হাফেজ সম্পন্ন ৫ জনকে সংবর্ধনা প্রদান করেন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান করেন।
ফেনী প্রতিনিধি :
কমপেক্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আয়োজনে ক্যাম্পাস মিলনায়তনে ৮ম পর্ব (২০১৯-২০ সেশন) ও ১ম পর্ব (২০২৩-২৪ সেশন) শিক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কমপেক্ট পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর তায়বুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্রগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মাহফুজ উল করিম।
শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কলেজের পরিচালক আবদুর রহমান সুজন, আসাদুজ্জামান, বাসুদেব মল্লিক, আবদুল কাদের পাটোয়ারী, চন্দন বনিক, ভাইস প্রিন্সিপাল ফারিয়া আক্তার, শিক্ষক আবুজর গিফারী সোহেল, সুমাইয়া ইয়াসমিন প্রমুখ।অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষার্থী মোঃ সুজন ও জান্নাতুল ফেরদাউস মার্জিয়া।
প্রধান অতিথি নবাগত শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় নিজেদের দক্ষ হয়ে গড়ে উঠার জন্য আহ্বান জানান এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি নিজের পরিবার ও দেশের জন্য আত্মনিয়োগ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
নবাগত দশজন শিক্ষার্থীর মাঝে ভর্তির সময় প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুত দশটি ল্যাপটপ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। বিদায়ী সকল শিক্ষার্থী ও বেশ কয়েকজন কৃতি শিক্ষার্থীর মাঝে ক্রেস্ট প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
Ajker Somoy Desk :
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কল্যাণমুলক অরাজনৈতিক সংগঠন “ডাক দিয়ে যাই” ফেনী জেলার কমিটির সভাপতি এইচ,এম, ইব্রাহীম, সিনিয়র সহ জহিরুল ইসলাম (বাদল), মোঃ ফিরোজ আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল ইউসুফ ও রানা সুলতান কে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করে ৬২ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে ডাক দিয়ে যাই কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি টিপু সুলতান ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ সরোয়ার। বৃহস্পতিবার ( ২৩ নভেম্বর ২৩ইং) সকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে অনুমোদন দিয়ে সোসাল মিডিয়া ও সংগঠনের শীর্ষনেতাদের অবগত করেন। এই কমিটির মেয়াদ আগামী ২ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
এছাড়া সংগঠনের বাকী সদস্যরা হলেন, সহ সভাপতি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, রাইসু ভূঁঞা, জসিম উদ্দিন ফরায়েজী, আলমগীর হোসেন, সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাইফুল ইসলাম (রুবেল), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ফয়সল, সহ সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, মো: রেহাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাসান ও মনির আহাম্মদ (ইভান)। সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক ও বিবি হাওয়া, অর্থ সম্পাদক মোজাম্মেল হক হাছান, সহ অর্থ সম্পাদক আহমেদ হাবিব ভূঁঞা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম রুবেল, সাহিত্য সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়সাল। সাংস্কৃতিক সম্পাদক আলিয়া আক্তার, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক শারমিন সুলতানা আখি, প্রচার সম্পাদক মো: দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, দপ্তর সম্পাদক মো: জহির হোসেন জহির পাটওয়ারী, প্রকাশনা সম্পাদক নুর হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ মহসিন পাটোয়ারী, সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মনির হোসেন, সহ শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক নুর হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সজীব কুমার নাথ, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন মোহন, পাঠাগার সম্পাদক ফাতহুম মুবিন, সহ পাঠাগার সম্পাদক ফাহাদ হোসেন, উচ্চতর প্রোগ্রাম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মুসা (সাগর) বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সহ এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন নাঈম, এস.এস.সি প্রোগ্রাম বিষয়ক সম্পাদক আমিন শরীফ, সহ এস.এস.সি প্রোগ্রাম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক প্রান্ত চন্দ্রশীল, ক্রীড়া সম্পাদক নুর মোহাম্মদ। স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা আক্তার মুক্তা, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার মজুমদার, তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন সদস্য মোঃ মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সালাহ উদ্দীন, বাহারুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, মোঃ মিজানুর রহমান, মৌসুমী আক্তার, মোঃ ইসমাইল, মোমিনুল হক, কাজী আসাদুল ইসলাম, দাউদ উল ইসলাম, লিটন চন্দ্র দেবনাথ ও সাজেদা আক্তার
ফেনী প্রতিনিধি:
ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ও কাজিরবাগ ক্লাস্টারের আয়োজনে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ এর বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জকারী ও বদলিকৃত কর্মকর্তা এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ সম্মাননা প্রদান ও বিদায় সংর্বধনা বুধবার বিনোদন স্পষ্ট বুলবুল লজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন আহমেদ।
সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেবের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগম, সদর ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল গণি, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা কানিজ।
আরবিহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাপিয়া আচার্যি ও ফাজিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি দাশের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, মোটবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ সেলিম, ফাজিলপুর জিন্নাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিম উল্যাহ, বিদায়ী শিক্ষক স্বপন চন্দ্র দাস প্রমুখ।
শেষে বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জকারী ও বদলিকৃত কর্মকর্তা এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংর্বধনা দেয়া হয়।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
দাগনভূঞা উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল ১০ টায় অত্যান্ত সুশৃংখলভাবে যথাসময়ে উপজেলার ৭ টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়।
বৃত্তি পরিচালনা কমিটি নেতৃবৃন্দ জানান, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৩১ টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় দাগনভূঞা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন, এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি জমির বেগ সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ ইউসুফ মিয়াজী জানান, দাগনভূঞা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাত টি কেন্দ্রে প্রায় ১৩ শ’ শিক্ষার্থী আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া আজাদ অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বৃত্তি পরিচালনা সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। আগামীতে আরো বৃহৎ পরিসরে বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের আশা ব্যক্ত করেন।
আজকের সময় রিপোর্ট :
সহকারি শিক্ষক মু. আবদুল্লাহ নয়ন উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় ফারুক ভূঞা মেমোরিয়াল (এফবিএম) ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে থানারহাট প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
হেডমাস্টার ফারুক ভূঞা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাহান আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফেনী সাংবাদিক ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এম শরীফ ভূঞা।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা: আনোয়ার হোসেন, থানারহাট মডেল মাদ্রাসার পরিচালক মিজানুর রহমান সবুজ, ইন্টার্নি চিকিৎসক আবদুস সবুর, সুফফা গার্লস মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসাইন, বামনী বাজার জামে মসজিদের ইমাম রাফি উদ্দিন রাফি, সুফফা মডেল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, মাষ্টার কাজল, ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থী আবদুল আজিজ প্রমুখ।
শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন।
মুহাম্মদ আবদুল্লাহ নয়ন :
পৃথিবীতে নানা ধরনের পেশা আছে, একাডেমিক পড়াশোনা শেষে এক একজন এক এক পেশায় নিয়োজিত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। সব পেশায় সম্মানী পাওয়া গেলেও সমান ভাবে সম্মান পাওয়া যায় না। একমাত্র ব্যতিক্রম হচ্ছে শিক্ষকতা পেশা। শিক্ষকতা পেশায় সেবা বা শিক্ষা গ্রহণ করার পর ও ঐ শিক্ষককে আমৃত্যু সবাই সম্মান করে। অন্য পেশার ক্ষেত্রে সেবা গ্রহণ করার পর আর সেবা দাতাকে তেমন সম্মান করে না। একজন শিক্ষককে সর্বস্তরের মানুষ সম্মান করে। শিক্ষকদেরই একমাত্র স্যার বলে সম্বোধন করা যায়। অন্য পেশাতে সেই সুযোগ নেই। একজন শিক্ষক একটি পরিবারের আলোর প্রদীপ এর মত,শিক্ষকের মাধ্যমে শত শত পরিবারের স্বপ্ন তৈরি হয়। একজন অভিভাবক তার স্বপ্ন গুলো শিক্ষকের হাতে তুলে দেন আর শিক্ষক সেই স্বপ্নকে লালন করে বড় করেন,ঐ পরিবারে আলোর প্রদীপ তৈরি করেন। তাদের স্বপ্ন গুলো বাস্তবায়ন করেন। আর পরিবার গুলোর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারলে শিক্ষক যে রকম তৃপ্তি ও আনন্দ লাভ করেন তা অন্য কোন পেশাতে পাওয়া যায় না।
একজন শিক্ষক তার শিক্ষকতা জীবনে অনেকের জীবনে আলোর প্রদীপ জ্বালাতে পারেন,অনেকে শিক্ষকের আদর্শ ধারণ করে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে কিন্তু শিক্ষক তার ঐ জায়গাতে থেকে যান। বলা যায় শিক্ষক হচ্ছে রাস্তার মত,রাস্তা যেমন একই জায়গায় থেকে পথিকদের কে তার গন্তব্যে পোঁছিয়ে দেয়,তেমনি শিক্ষক ও একই অবস্থায় থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোর শিখা জ্বালিয়ে তার গন্তব্যে নিয়ে যায়। এতে শিক্ষকের আর্থিক কোন লাভ না হলেও এর মধ্যে কিন্তু শিক্ষকের একটা গর্ব বোধ কাজ করে। আমার শিক্ষকতা জীবনে এই অল্প সময়েও যখন দেখি আমাদের ছাত্র ছাত্রীরা এসএসসি, এইচএসসি পরিক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে মেডিকেল বা বিশ্ববিদ্যালয় চান্স পায়ে দেখা করতে আসে তখন আমাদের মন গর্বে ভরে উঠে। তখন শিক্ষকতা পেশার প্রতি নিজের ভালোবাসা বেড়ে যায়। এই সম্মান অন্য কোন পেশার মধ্যে দেখা যায় না।
একজন আদর্শ শিক্ষকের ধ্যান জ্ঞান হচ্ছে তার শিক্ষকতা, কিভাবে তিনি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবেন তার চিন্তা করা। তিনি তার সময় ও দায়িত্ব বোধ সম্পর্কে সচেতন থাকেন। অন্য পেশার বেশির ভাগ লোক প্রোডাক্ট তৈরি করে আর একজন শিক্ষক মানুষ তৈরি। এই জন্য শিক্ষককে বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগরি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ ছোট ছোট কচি ফুলের মত শিশুদেরকে আগামীর সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে। যেখানে মা-বাবা, দাদা-দাদী বা অন্য আত্মীয় স্বজন মিলে একজন শিশুকে মানুষ করতে সময় দেয়,সেখানে একজন শিক্ষক ৪+ বা ৫+ বয়সী প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির ২০/৩০ জন শিক্ষার্থীকে এক সাথে গড়ে তুলে আপন স্নেহ ও ময়া মমতায়।
একজন শিক্ষক বেতন হিসাব করে কাজ করেন না। তিনি যে বেতন পান তার থেকে অনেক বেশি কাজ করেন। যে বেতন পান তাদিয়ে হয়তো নিজে ও সন্তানদের উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখাতে পারেন না, কিন্তু ঠিকই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উন্নত স্বপ্ন দর্শনে উদ্ভুদ্ধ করেন। তিনি পেশাকে ব্রত হিসেবে নিয়ে কাজ করেন। তিনি যে বেতন পান তা দিয়ে স্মার্ট ভাবে চলা সম্ভব না,তবুও তিনি নিজের মনের আনন্দে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানের আলো বিতরণ করেন। শিক্ষাকে যদি বলা মেরুদণ্ড,শিক্ষক হচ্ছেন সেই মেরুদণ্ড তৈরির হাতিয়ার।
শিক্ষক হলেন জাতির আলোকবর্তিকাবাহী এবং মানব জাতির ভবিষ্যতের রূপকার। শিক্ষক সম্পর্কে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) বলেছেন আমাকে শিক্ষক হিসেবেই পেরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ব নবী (স:) ও একজন শিক্ষক ছিলেন। এছাড়াও অনেক মনিষী ও দার্শনিক শিক্ষকতা করেছেন ও এই পেশাকে নিয়ে নানা মন্তব্য করেছেন- নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজায় বলেন- ” আমাদের মনে রাখতে হবে: একটি বই,একটি কলম,একটি শিশু এবং একজন শিক্ষক বিশ্বকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। একজন শিক্ষক সমাজের সর্বত্র প্রভাব পেলতে পারেন,কেউ বলতে পারে না তার প্রভাব কোথায় গিয়ে শেষ হিয়। উইলয়াম আর্থার ওয়ার্ড শিক্ষকতা সম্পর্কে বলেন মাঝারি মানের শিক্ষক বুঝিয়ে দেন,শ্রেষ্ঠ শিক্ষক করে দেখান ও মহান শিক্ষক অনুপ্রাণিত করেন। আমাদের শিক্ষকরা আমাদের বন্ধু,দার্শনিক এবং পথপ্রদর্শক। শুধু পুঁথিগত বিদ্যাই নয়, শিক্ষকদের থেকে যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা অর্জন করি, তা জীবনের বাকি দিনগুলোতে বহন করে থাকি আমরা।
এত অর্জন ও সম্মান থাকার পর ও শিক্ষাতা পেশায় কিছু বৈষম্য রয়েছে। বেতনের বৈষম্য, পদের বৈষম্য, পদোন্নতির বৈষম্য। একজন চাকুরীজীবি পেশাগত জীবনে ধাপে ধাপে পদোন্নতির ব্যাবস্থা থাকলে তার কর্মস্পীহা ও আত্মমর্যাদা বাড়ে। সরকারের বিভিন্ন সেক্টর তা বিদ্যামান থাকলে তা প্রাথমিকে বন্ধ রয়েছে। একজন শিক্ষক ২৮/৩০ বছর চাকুরী করে ও একই পদ থেকে বিদায় নেন। একই যোগ্যতা, একই সিলেবাস, একই কারিকুলাম, একই শিক্ষার্থীদের কাজ করা পিটিআই সংলগ্ন পরিক্ষণ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেড আর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন ১৩ তম গ্রেড। এ সকল বৈষম্যের কারণে শিক্ষকদের কর্ম জীবন উপেক্ষিত, মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে চায় না,আসলে ও আরো ভালো সুযোগ পেলে চলে যায়।
শিক্ষকদের এই সকল বৈষম্য নিরসনে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোন অভাব নেই,অভাব শুধু এর প্রতিফলন ও বাস্তবায়নে। এ সকল সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে হবে। মেধাবীদের শিক্ষতার মত মহান পেশায় আকৃষ্ট করতে হবে। শিক্ষকদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই একজন আদর্শ শিক্ষকের স্পর্শে এসে প্রতিটি শিক্ষার্থী আলোকিত করুক তার জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রকে।
লেখক: মুহাম্মদ আবদুল্যাহ নয়ন।
শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা।