ফেনী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আলোচনায় মান্নান হাজারী
ফেনী প্রতিনিধি, আজকের সময় :
ফেনী পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে। এ নির্বাচনী ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আলোচনায় উঠে এসেছে ব্যবসায়ী মো. আবদুল মান্নান হাজারীর নাম। ইতিমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ওয়ার্ডে ব্যানার সাটিয়েছেন তিনি। এ নতুনমুখের নিয়মিত গণসংযোগ, কুশল বিনিময় ও জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে।
জানা গেছে, তিনি প্রতিদিনই সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মান্নান হাজারী সৎ ও সাহসী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নান হাজারী বলেন, “আমি এই ওয়ার্ডের সন্তান। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে ১নং ওয়ার্ডকে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবো
সূত্রে জানা যায়, প্রতারক আবু সাঈদ মুন্না ব্যাংক চেক, স্ট্যাম্প ও দলিলের ফটোকপি দিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। একই ঘটনা গোপন রেখে সবার সাথে অভিনব কায়দায় প্রতারণা করেছে পুরো পরিবার। এফ টিভি পেইজে খবর প্রচারের পর বিষয়টি জানাজানি হয়। আবু সাঈদ মুন্নার বোন জাপান প্রবাসী বিবি রাবেয়া ও তার স্বামী ফিরোজ হাজারীর কাছে টাকা পাঠান। জাপানে প্রতারণার টাকায় একটি সুপার শপ দেয়। কথিত রয়েছে মুন্নাও জাপান পালিয়ে যায়। মুন্না পালিয়ে যাওয়ার পর তার মা বিবি আয়েশা ও ভাই মেহেদী হাসান আকাশ একএকসময় এক এক তথ্য দিয়ে পাওনাদারদের টাকা ফেরত দিতে তালবাহানা শুরু করে। ফ্ল্যাট বিক্রি করে টাকা ফেরত দিবে বলে কালক্ষেপণ করে রাতের আধারে পালিয়ে যায়।