ফেনী প্রতিনিধি, আজকের সময় :
ফেনী সদর উপজেলার রতনপুর এলাকায় এক রাজমিস্ত্রি কন্ট্রাক্টরের ক্রয়কৃত জমি দখল চেষ্টা, ঘর ভাঙচুর এবং মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহ জালাল (২৮) বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহ জালাল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রির ঠিকাদার। তিনি প্রায় এক বছর আগে রতনপুর এলাকায় ০৬ শতক জমি ক্রয় করে সেখানে বালু ভরাট করে একটি টিনের ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে প্রতিবেশী ইসমাইল হোসেন ও তার স্ত্রী ফারহানা আক্তার রুমা ওই জমিটি তাদের দাবি করে শাহ জালালকে ঘর ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
বাদী জানান, বিবাদী ইসমাইল হোসেন বর্তমানে প্রবাসে (বিদেশে) অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই তিনি তার স্ত্রী ও ভাড়াটে লোকজনের মাধ্যমে জমিটি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৬ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে ইসমাইল হোসেনের নির্দেশে তার স্ত্রী ও অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন লোক শাহ জালালের বসতঘরে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরের উত্তর পাশের বেড়া ভেঙে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে এবং ঘর থেকে প্রায় ৭,৫০,০০০ টাকা মূল্যের ৫ টন স্টিল শিট (শিট পাইল) চুরি করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী শাহ জালাল জানান, ঘটনার পর তিনি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং যেকোনো সময় তার বাকি ঘরটুকু ভেঙে জমিটি জবরদখল করা হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
ফেনী মডেল থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। ভুক্তভোগী শাহ জালাল তার জানমালের নিরাপত্তা এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সূত্রে জানা যায়, প্রতারক আবু সাঈদ মুন্না ব্যাংক চেক, স্ট্যাম্প ও দলিলের ফটোকপি দিয়ে বিশ্বাস অর্জন করে টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। একই ঘটনা গোপন রেখে সবার সাথে অভিনব কায়দায় প্রতারণা করেছে পুরো পরিবার। এফ টিভি পেইজে খবর প্রচারের পর বিষয়টি জানাজানি হয়। আবু সাঈদ মুন্নার বোন জাপান প্রবাসী বিবি রাবেয়া ও তার স্বামী ফিরোজ হাজারীর কাছে টাকা পাঠান। জাপানে প্রতারণার টাকায় একটি সুপার শপ দেয়। কথিত রয়েছে মুন্নাও জাপান পালিয়ে যায়। মুন্না পালিয়ে যাওয়ার পর তার মা বিবি আয়েশা ও ভাই মেহেদী হাসান আকাশ একএকসময় এক এক তথ্য দিয়ে পাওনাদারদের টাকা ফেরত দিতে তালবাহানা শুরু করে। ফ্ল্যাট বিক্রি করে টাকা ফেরত দিবে বলে কালক্ষেপণ করে রাতের আধারে পালিয়ে যায়।