নিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের সময় :
সোশ্যাল মিডিয়া এখন কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং সচেতনতা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের এক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মটিকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তরুণ জহিরুল ইসলাম রাসেল এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। তার তৈরি বিভিন্ন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কন্টেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম রাসেল দীর্ঘদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন শিক্ষণীয়, সামাজিক সচেতনতামূলক এবং বিনোদনমূলক ভিডিও তৈরি করে আসছেন। অপসংস্কৃতি বা নেতিবাচক ট্রেন্ডের ভিড়ে তার ভিডিওগুলোতে সমাজের নানা অসঙ্গতি দূর করার বার্তা, গ্রামীণ ঐতিহ্য, এবং মানবিক মূল্যবোধের বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। বিশেষ করে এলাকার যুবসমাজকে ভালো কাজে উৎসাহিত করতে এবং সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তার ব্যতিক্রমী প্রয়াস প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, রাসেল তার কন্টেন্টের মাধ্যমে মুছাপুর ইউনিয়ন তথা পুরো কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সুন্দর দিক ও সামাজিক সমস্যাগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরেন। তার ভিডিওগুলোর পেছনের বার্তা সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। শুধু বিনোদন দেওয়াই নয়, বরং সমাজ সংস্কার ও সচেতনতা তৈরিতে তিনি তরুন প্রজন্মের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করেছেন।
এ বিষয়ে জহিরুল ইসলাম রাসেল জানান, “সোশ্যাল মিডিয়াকে মানুষ শুধু সময় কাটানোর মাধ্যম হিসেবে দেখে। আমি চেয়েছি এই মাধ্যমটিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের ইতিবাচক দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে এবং মানুষকে সচেতন করতে। সকলের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে সামনে আরও ভালো কিছু কাজ করার ইচ্ছা আছে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে জহিরুল ইসলাম রাসেলের মতো তরুণদের ইতিবাচক উদ্যোগ সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে এবং যুবসমাজকে গঠনমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সুধীসমাজ।