নিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের সময় :
ফেনীর দাগনভূঞার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট প্রবাসী কবি ও লেখক রেজাউল হক হেলাল শিক্ষক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের ফিজিতে যোগদান করেছেন। গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ফিজির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ওশেনিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ সফর করে চলেছেন। ইতোমধ্যে তিনি ফিজি, কিংডম অব টোঙ্গা, নিউজিল্যান্ড, ভানুয়াতু, সামোয়া এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জসহ বিভিন্ন দেশে সামাজিক ইভেন্ট, মোরালিটি (নৈতিকতা) ও হিউম্যান রাইটস (মানবাধিকার) বিষয়ক মোটিভেশনাল প্রোগ্রামে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। এসব আন্তর্জাতিক সেমিনারে তাঁর সুচিন্তিত ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রবাসী বাংলাদেশীসহ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সুনাম ও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শিক্ষকতা ও সমাজসেবার পাশাপাশি সাহিত্য অঙ্গনেও কবি রেজাউল হক হেলালের রয়েছে এক উজ্জ্বল পদচারণা। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত একাধিক গ্রন্থ পাঠক ও সুধীমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘মরু দিগন্তে কান্না’, ‘চিরায়ত কিশোর কবিতা’, ‘ভোরের বাতাস’, ‘নবজাতকের রক্তক্ষরণ’, ‘ডক্টর হোসনেয়ারা বেগম জীবন ও কর্ম’ এবং ‘কোরআন নাজিলের মর্মকথা’। এছাড়া তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ ‘নিউইয়র্কে তিরিশ বছর’ সুধীমহলে বিশেষভাবে প্রশংসিত।
উচ্চশিক্ষিত ও গুণী এই ব্যক্তিত্ব ১৯৬৩ সালের ৩০ এপ্রিল ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার বেকের বাজার সংলগ্ন আশরাফপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
দূর প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এই কবি ও শিক্ষাবিদ তাঁর নতুন কর্মজীবন এবং আন্তর্জাতিক সামাজিক কার্যক্রমের সফলতার জন্য নিজ এলাকার বাসিন্দা, বন্ধু ও গুণগ্রাহীদের নিকট দোয়া ও শুভকামনা প্রত্যাশা করেছেন।
তাঁর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যে দাগনভূঞা তথা পুরো ফেনী জেলার সরকার অনুমোদিত স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন সানরাইজ ফাউন্ডেশন, এফবিএম ফাউন্ডেশন, দাগনভূঞা ইয়ুথ সোসাইটি সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এম শরীফ ভূঞা :
এখানে মুহুরী সেচ প্রকল্পের ৪০ জলকপাট, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মৎস্য ঘের, জোয়ার-ভাটার পানি এবং ফেনী নদীর দু’কূল বেয়ে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতেই ছুটে আসছেন পর্যটকরা। দেশের সর্ববৃহৎ নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর’। এখানে গড়ে উঠছে অসংখ্য শিল্প কারখানা। নয়নাভিরাম এই শিল্পাঞ্চল দেখতে ছুটে আসছেন দেশী-বিদেশী পর্যটকদের দল। ছোট ফেনী নদীর উপকণ্ঠে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় নির্মাণ করা হয়েছে মুছাপুর ক্লোজার। অর্থাৎ বন্যা ও জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। গড়ে তোলা হয়েছে কৃত্রিম লেক।