
aadmin
নিজস্ব প্রতিনিধি :
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজুয়ানুল হক। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষক।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে নোবিপ্রবি আইন ২০০১ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী চার বছরের জন্য এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর ২০২৪) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর পদে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ০৪ (চার) বছর হবে। উপর্যুক্ত পদে তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি প্রাপ্য হবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন।
এম শরীফ ভূঞা, ফেনী :
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ, নবাবপুর ও ফুলগাজী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থানে ফল আর্মিওয়ার্ম পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে এ পোকা ভেসে এসেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জুলাই-আগস্টে পরপর তিন দফা বন্যায় জনপদে কৃষিখাতে হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। ফলে আগামীতে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এর মাঝে কৃষকের নতুন ভীতি ফসল বিনাশী ‘ফল আর্মিওয়ার্ম’ পোকার মারাত্মক আক্রমণ দেখা দিয়েছে। ফসলের জন্য ক্ষতিকর এ পোকা দমনে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছেন কৃষি বিভাগ। অন্যদিকে কৃষকরা বলছেন, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেও পোকা দমন করা যাচ্ছে না।
সোনাগাজীর আমিরাবাদ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কালো রঙের অসংখ্য পোকা ফসলের মাঠে, রাস্তায়, বাড়িঘর ও আশপাশের বন-জঙ্গলে বিচরণ । পুকুর, ডোবা-নালাসহ আমন ধানের মাঠে পানি থাকলেও পোকাগুলো পানি ওপর দিয়েই হেঁটে বেড়াচ্ছে ও একস্থান হতে অন্যস্থানে চলাচল করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বন্যার পর জমিতে আমন ধান আবাদ করেছেন তারা। এছাড়া বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম শীতকালীন সবজি লাউ, কুমড়া, করলা, জিঙ্গা, পাট শাক আবাদ করেছেন, সপ্তাহখানেক পর সেগুলো বিক্রির উপযোগী হতো। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এ পোকার ব্যাপক আক্রমণ। পোকার আক্রমণ কমাতে জমিতে কীটনাশক ছিটিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। পোকার আক্রমণে ফসল উৎপাদনে বিপর্যয়ের শঙ্কা করছেন তারা। একই কথা বলছেন ফুলগাজী উপজেলার কৃষকরাও। সেখানেও ফসলের মাঠে এ পোকার আক্রমণ প্রকট আকার ধারণ করেছে।
কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ১২ শতক জমিতে লাউ গাছের চারা রোপণ করেছিলাম। হঠাৎ এ পোকা এসে সবগুলো গাছের মূল কেটে দিয়েছে। এতে গাছগুলো শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষি অফিসের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ করেও লাভ হয়নি। পোকাগুলোকে কীটনাশকের পানিতে রাখলেও মরে না।
কৃষি বিভাগ বলছে, ফসলের জন্য ক্ষতিকর এ পোকা দমনে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করছেন তারা। অন্যদিকে কৃষকরা বলছেন, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেও পোকা দমন করা যাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, এতো পোকা আমার ৫৫ বছরের জীবনে কখনো দেখিনি। দেখতেও কেমন ভয় লাগে, কাছে গেলে শরীরে উঠে যায়। জমির পাশাপাশি এখন বাড়িঘরেও ঢুকে পড়েছে। এভাবে হলে মাঠের ফসল আর বাড়িতে তোলা সম্ভব না।
কৃষক মোস্তফা বলেন, বন্যার ক্ষতি কাটাতে ৬০ শতক জমিতে আগাম শাকসবজি আবাদ করেছিলাম। এখন সেগুলোও পোকায় নষ্ট করে ফেলছে। চেষ্টা করেও ফসল বাঁচাতে পারছি না।
সোনাগাজী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আহমেদ সোহাগ বলেন, এ পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পোকা দমনে ইউনিয়ন পর্যায়ে আমাদের টিম কাজ করছে। কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে থেকে কৃষকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।
একই প্রসঙ্গে ফুলগাজী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম বলেন, ফুলগাজীর আমজাদহাট ইউনিয়নের মনিপুর ও মুন্সীরহাটের দক্ষিণ শ্রীপুর এলাকায় পোকার আক্রমণ বেশি লক্ষ্য করা গেছে। পোকার উপদ্রব ঠেকাতে তিন ধরনের ওষুধ ছিটানো হয়েছে। কীটনাশক নাইট্রো ও কোরাজেন মিশ্রিত স্প্রে করে পোকা দমন করা হচ্ছে। বন্যার সময় কিছু কীটের লার্ভা ফসলের মাঠে আগাছার সঙ্গে মিশে থাকায় এ পোকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফেনী সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন মিলন বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা এ পোকার উপদ্রবের অন্যতম কারণ হতে পারে। পোকাটি সাধারণত মাঝারি ঠাণ্ডা ও গরমে বেশি বংশবিস্তার করে। বর্তমান সময়ের আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি অনুকূলে রয়েছে। যা আমাদের জন্য বাড়তি শঙ্কার বিষয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ একরাম উদ্দিন বলেন, জেলায় প্রথমবারের মতো এ পোকার উপদ্রবের বিষয়ে অবগত হয়েছি। এখন পর্যন্ত সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ও আমিরাবাদ এবং ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর এলাকায় এ পোকার দেখা মিলেছে বলে জেনেছি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। বিভিন্ন বালাইনাশক কোম্পানির প্রতিনিধিদেরও এতে যুক্ত করা হয়েছে। পোকার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে জমিতে আলোর ফাঁদ ও পাখি বসার মত কিছু বসাতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত সানরাইজ ফাউন্ডেশন ও নব উত্তরণ খেলাঘর আসরের সহযোগিতায় সপ্তাহব্যাপী অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠান দাগনভূঞা উপজেলার দুধমুখা বাজারে গতকাল দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালক সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ হাছান আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফেনীর সহকারি পরিচালক সাইফ আহমেদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা তফাজ্জল হোসেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিবন্ধিত সানরাইজ যুব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞা।
সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কুদরত হোসেনের সঞ্চালনায় ও নব উত্তরণ খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন মিলনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা লুৎফল হায়দার রুবেল, দাগনভূঞা প্রেসক্লাব সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রশিক্ষক শাহাদাত হোসেন, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা পুলক চন্দ্র প্রমুখ।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
পথ যেন শান্তির মৃত্যুর নয়, ছাত্র জনতার অঙ্গিকার নিরাপদ সড়ক হোক সবার এ প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা উপজেলা শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার জাতীয় নিরাপদ সড়ক চাই দিবস পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে দাগনভূঞা শাখা বাজারে বিভিন্ন সড়কে র্যালী শেষে শাখা কার্যালয়ে সমাবেশে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিবেদিতা চাকমা, নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা শাখার সভাপতি দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম এম রহমান সোহেল এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ইয়াছিন সুমন, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের দাগনভূঞা শাখার প্রধান উপদেষ্টা নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, দাগনভূঞা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মুন্না, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের দাগনভূঞা শাখা সভাপতি হাসান আল মাহমুদ, বাস মালিক সমিতির সহ সভাপতি মোঃ মানিক মিয়া, দাগনভূঞা প্রেসক্লাব, রিপোর্টাস ইউনিটির নেতৃবৃন্দু, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের দাগনভূঞা শাখার নেতৃবৃন্দ, সিএনজি মালিক সমিতি, চালক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা শাখার অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন রানা, প্রচার সম্পাদক সুমন পাটোয়ারী, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবদুল মতিন, ক্রিডা সম্পাদক জামাল উদ্দিন সহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা সড়ক দুর্ঘটনায় রোধে বিভিন্ন ট্রাফিক আইন, রোড সাইন, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন আইন মেনে চলা, সচেতন হওয়া, আইন মেনে সড়কে চলি নিরাপদে ঘরে ফিরি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।