দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
২১ অক্টোবর শুক্রবার, ফেনী ইসলাম পুর রোডস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নিজাম উদ্দিন কে আহবায়ক ও মাস্টার আবদুল করিম কে সদস্য সচিব করে এ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ফেনী জেলা আহবায়ক সারওয়ার জাহান শ্রাবণ ও সদস্য সচিব মো: ইয়াছিন উক্ত কমিটির অনুমতি দিয়েছেন।
কমিটির যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মিয়া, রাহাতুল ইসলাম, আবদুল মতিন, আবদুল কালাম ভূঞা, অহিদুর রহমান সেলিম, সাহাব উদ্দিন, ফজলুল হক, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, এমাম হোসেন, মো: ফারুক, মো: হারুনুর রশিদ, আশ্রাফুল আলম সাহাব উদ্দিন, ফরিদ আহমেদ, মো: খোকন, জাহাঙ্গীর আলম ও দিল মোহাম্মদ মাইফুল।
আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে প্রতিনিধি সভার মাধ্যমে শক্তিশালী ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে জেলা কমিটির নিকট পুর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রেসক্লাব সভাপতি ইমাম হাছান কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন রনির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ইয়াসীন সুমন, সাবেক সাধারন সম্পাদক এমাম হোসেন এমাম, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, এম এম রহমান সোহেল, যুগ্ন সম্পাদক কাজী ইফতেখার, কোষাধ্যক্ষ এম ইউছুফ হারুনী, প্রচার সম্পাদক আজহারুল হক, নির্বাহী সদস্য নাসির উদ্দীন আজাদ, সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞা, সদস্য বাবলু, মোকাররম হোসেন পিয়াস, ইমাম হোসেন খাঁন, আমির হোসেন বিজয় ও সুজন প্রমুখ।
মোঃ মনির হোসেন, চাটখিল, নোয়াখালী :
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৫নম্বর ওয়ার্ডের শুটকি বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
ফেনী প্রতিনিধি :
পরশুরাম প্রতিনিধি :
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দুপুর ১ টা দিকে ছাত্র লীগের কর্মীহিসেবে পরিচিতি ১০/১২ জন তরুণ লোহার রড় ও লাঠি সোটা নিয়ে পরশুরাম হাসপাতাল মোড়ে কলেজ রোড়ে রনি টাইলস নামে একটি দোকানে ঢুকে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মিসফাকুস সামাদ রনি উপর হামলা করা হয়। হামলা কারিরা রনিকে লোহার রড় ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। একপর্যায়ে তারা দোকানের গ্লাস, টাইলস সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এসময়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে রনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এম শরীফ ভূঞা, আজকের সময় :
উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আকতার হোসেন জানান, ১৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ হয় ২০১১ সালে। পরশুরামের নিজকালিকাপুর হতে বাঁধটি শুরু হয়। মুহুরী নদীর পশ্চিম পাড়ে বাঁধটি রেজুমিয়া ব্রিজ পর্যন্ত তৈরি হয়। কহুয়া নদীর দুইপাড়ে ৩৪ কিলোমিটার, সিলোনিয়া নদীর পূর্বপাড়ে প্রায় ৩০ কি.মি. বাঁধ নির্মিত হয় ফুলগাজী উপজেলার বন্দুয়া ব্রিজ পর্যন্ত।