স্টাফ রিপোর্টার :
স্টাফ রিপোর্টার :
স্টাফ রিপোর্টার :
ফেনী প্রতিনিধি, আজকের সময় :
” আমরা বিকশিত হবো পুবালির আঙ্গিনায় “- এই প্রত্যয়ে ১৯৯৬ সালের ১লা জানুয়ারীতে, ফেনীর মাষ্টার পাড়ায়, রামতারা শিশু পার্কের ঈশানকোণে ফেনী পৌরসভা প্রদত্ত ভবনে পথচলা শুরু করে দীর্ঘ ২৭ বছরে প্রাপ্তির ঝুলিতে অর্জিত হয়েছে অনেক অনেক জাতীয় পুরষ্কার। গৌরবান্বিত করেছে পুবালিকে।সমৃদ্ধ করেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে।শিক্ষায় বিনোদনে সমাজ বিনির্মানে কার্যকরী ভূমিকার পাশাপাশি বৈশ্বিক মহামারী কোভিড কালীন সময়ের হোম কোয়ারান্টাইন চলাকালীন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে শিল্পী পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সাংস্কৃতিক সংগঠন পুবালি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ১লা জানুয়ারী ২০২৩খ্রি. রবিবার, সকাল ৯.০০টা থেকে দিনব্যাপী জমজমাট সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ক্রীড়া কৌতুক, নৃত্য, গীত, আবৃত্তি সমন্বয়ে উৎসবমুখর আনন্দঘন অনুষ্ঠানমালায়,জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উদযাপন করছে ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে শুভ উদ্বোধন করেন ফেনীর মান্যবর জেলা প্রশাসক জনাব আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান মহোদয়। এই প্রথম পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মাসুদুর রহমান মহোদয়। জেলা কালচারাল অফিসার জনাব এসটিএম কামরান হাসান মহোদয়। এছাড়াও জেলার সাংস্কৃতিক সংগঠন সমুহের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ সহ পুবালি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রর কোমলমতি ছাত্র ছাত্রী সহ অভিভাবকবৃন্দের সরব উপস্থিতিতে পুবালি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসবমুখর হয়ে উঠে।
সংবাদদাতা, আজকের সময় :
আজ রবিবার পহেলা জানুয়ারি ২০২৩ ইং সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম বাইজিদ রিংরোড এলাকায় নূরুল উলুম মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র,ঔষধ ও খাদ্য বিতরণ করেছে বাংলাদেশের সকল মানুষের সুচিকিৎসা বাস্তবায়নের একমাত্র সংগঠন জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির চট্টগ্রাম জেলা শাখা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের বিশিষ্ট গবেষক ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও দৈনিক আমার বার্তা নিউজ এডিটর সৈয়দ রেফাত সিদ্দিকী,জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আতিকুর রহমান আলকাদেরী, চট্টগ্রাম আইনজীবি সমিতির সদস্য এডভোকেট মোরশেদ আলম,গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি ডা.এম এম রফিক উল্যাহ হামিদী।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বছরের শুরুতেই শীতার্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করাই মানবতার সেবা। এমন মহৎ ও পুণ্যময় কাজই সর্বোত্তম ইবাদত। অসহায় মানুষকে দুর্দিনে সাহায্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মানসিকতা যাদের নেই, তাদের ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। সুতরাং নামাজ, রোজার সঙ্গে জনকল্যাণের তথা মানবিকতা ও নৈতিকতার গুণাবলি অর্জন করাও জরুরি। আর শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের সাহায্য ও সহানুভূতির হাত সম্প্রসারিত করে তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র বিতরণ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানো দরকার। তাই সমাজের সংগতিসম্পন্ন ও সচ্ছল মানুষের ঘরে বছর পরিক্রমায় শীতকাল ঋতু হিসেবে আনন্দ ও খুশির বার্তাবহ হলেও দেশের বৃহত্তর জনজীবনে শীত নৈরাশ্য ও বেদনার ধূসর বার্তাবাহক মাত্র। হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবনে শৈত্যপ্রবাহ থেকে বাঁচার জন্য অসহায় দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন অনেক শীতবস্ত্রের। শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পেতে হলেও প্রয়োজন সুচিকিৎসা ও ওষুধপথ্য এবং শীত মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারিভাবে কার্যকর উদ্যোগ। বিশেষ করে শিশুরা গণহারে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাদের সুচিকিৎসার ব্যাপারে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে শীতের দুর্ভোগ যেমন বাড়বে, তেমনি শীতজনিত মৃত্যুর হারও বাড়বে। তাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ, দলমত-নির্বিশেষে সমাজের ধনাঢ্য ও বিত্তবান ব্যক্তিদের শীতার্ত বস্ত্রহীন মানুষের পাশে অবশ্যই দাঁড়াতে হবে।
নবী করিম (সা.) মানুষকে অন্ন ও বস্ত্রদানের পরকালীন পুরস্কারপ্রাপ্তির কথা বলেছেন, ‘এক মুসলমান অন্য মুসলমানকে কাপড় দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের পোশাক দান করবেন। ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাদ্য দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুস্বাদু ফল দান করবেন। কোনো মুসলমানকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় পানি পান করালে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সিলমোহরকৃত পাত্র থেকে পবিত্র পানি পান করাবেন।’ (আবু দাউদ) শীতবস্ত্র ও গরম কাপড়ের অভাবে যে অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে শীতার্ত ব্যক্তিদের দিন কাটছে—এ অবস্থার শিগগিরই অবসান ঘটাতে হবে। শীতের প্রভাবে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। যারা শীতজনিত রোগব্যাধিতে ভুগছে, তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধপথ্য ও সুচিকিৎসার বন্দোবস্ত করা একান্ত প্রয়োজন। যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, তাদের দুরবস্থা যে সর্বাধিক, সে কথা বলাই বাহুল্য। বিত্তবান মানুষ শীতবস্ত্র ব্যবহার করে পরিত্রাণ পেলেও দরিদ্র লোকেরা শীতবস্ত্রের অভাবে সীমাহীন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। হাড়কাঁপানো শীতে যে বিপুল জনগোষ্ঠী বর্ণনাতীত দুঃখ-কষ্টে-অনাহারে ও অর্ধাহারে দিন যাপন করছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন,আমরা ২০২০ সাল থেকেই সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত এবং অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও ঔষধ বিতরণ করে আসছি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার চট্টগ্রাম বাইজিদ রিংরোড় নূরুল উলুম মাদ্রাসার প্রাঙ্গনে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি।
নুরুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ওমর ফারুক’র সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন কারী মুহাম্মাদ হাসান সহকারী পরিচালক নূরুল উলূম মাদ্রাসা,রোগী কল্যাণ সোসাইটি নোয়াখালী জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা.আনোয়ার হোসাইন,রোগী কল্যাণ সোসাইটির ফেনী জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা.মোতাহের হোসাইন, রোগী কল্যাণ সোসাইটির চট্টগ্রাম জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা.মুহাম্মাদ আবদুল হালিম,কক্সবাজার জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা.মামুনুর রশিদ,রোগী কল্যাণ সোসাইটির কুমিল্লা জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা.রাহাত উদ্দিন, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ নুরুল আবছার,হাফেজ মোবারক,মাওলানা নুরুল আবসার সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ফেনী প্রতিনিধি :
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনের নামে মাঠে সংঘাত করে লাভ নেই। নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সরকার শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে। নির্বাচনে সরকারের কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ থাকবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হটানোর জন্য অতি বাম, অতি ডান মিলে মিশে একাকার হয়েছে। তাদের লক্ষ্য একটাই হটাও শেখ হাসিনা।
তারা এক হয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলেও অতি বাম অতি ডান ইকুয়েল টু শূন্য।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর)ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের উসকানিমূলক অপতৎপরতা, সরকার পতনের দিবা স্বপ্ন সফল হবে না। আমরা বিশ্বাস করি বিশ্বাস করি তারা নির্বাচনে আসবে সব নিবন্ধিত দলকে আমরা স্বাগত জানাই।
তিনি আরও বলেন, আমরা বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ার সম্পর্কে বলেছি। সম্পদকে সম্ভাবনার রূপ দিতে কাজ করছি। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব সংকটকালে জ্বালানি, ডলার, রিজার্ভ নিয়ে আমরা ভাবছি।
তিনি বলেন, পাকিস্তানে রিজার্ভ ৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। সে তুলনায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি সংকটেও দিশেহারা হইনি আমরা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছি।
লোডশেডিংয়ের সংকট সরকার সুন্দরভাবে কাটিয়ে উঠেছে। তার প্রমাণ মানুষ নির্বিঘ্নে বিশ্বকাপ দেখেছে কোনো ধরনের প্রতিবাদ দেখিনি। জ্বালানি সংকট মিটছে। অনেক উন্নত দেশ থেকেও আমরা ভালো আছি৷ অনেক দেশ জীবন-জীবিকার কঠিন লড়াই করছে। সে হিসেবে বাংলাদেশ খুব ভালো আছে।
বিরোধী দলের আন্দোলন মোকাবিলা করছি ঠান্ডা মাথায়। আমরা অশান্তি চাই না। খারাপ পরিস্থিতি উসকানি দিতে চাই না। যারা আন্দোলনের নামে সংঘাত করতে চেয়েছে তাদের প্রতিরোধের জন্য আমরা সতর্ক পাহারায় ছিলাম।
আমরা আক্রমণ করবো না, আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি বলে দিবে কি করতে হবে। গতকালের বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের গণমিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন ৩৩ দল গণমিছিল করেছে। বেশির ভাগের ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হওয়ার বিষয়ে মাথা ব্যথার কারণ নেই। ঠিক সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই হবে। আমরা পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল করেছি। এগুলোর উপকারভোগী দেশের জনগণ। দেশ বিরোধী অপশক্তি এতেও অখুশি। তারা উন্নয়নের এসব যজ্ঞেও দুর্নীতির কথা বলছে। কাদের বলেন, কালো মেঘ কেটে যাবে, সবার শুভবুদ্ধির উদয় হবে।
কূটনৈতিকদের বিষয়ে তিনি বলেন, জেনেভা কনভেনশনের আলোকে কূটনৈতিকরা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মাথা ঘামাতে পারেন না। আমরাতো কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মাথা ঘামাই না। আমাদের দেশের বিষযে বলার আগে তারা নিজেদের দিকে তাকানো উচিত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্র পৃথিবীর কোথাও ত্রুটিমুক্ত নয়, তবে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করছে। বিএনপিতো এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার তৈরি করেছিলো। তারা কিভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।
হঠাৎ মাঠে জামায়াতের সক্রিয়তার বিষয়ে তিনি বলেন, সহিংসতা হলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা জবাব দেবে। তারা চুপ করে বসে থাকবে না।
সর্বশেষ ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন সরকারের এজেন্ডা একটাই মানুষকে বাঁচানো। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান হাসান, পুলিশ সুপার জাকির হাসান, ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী ও ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওবায়দুল কাদের হেলিকপ্টারযোগে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে অবতরণ করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা নিয়ে নোয়াখালীর উদ্দেশে রওনা করেন।
জাবেদ হোসাইন মামুন, সোনাগাজী :আজকের সময় প্রতিবেদক :
আসছে হোয়াটস অন এওয়ার্ড। আগামী ২৩ ডিসেম্বর ২০২২, হোয়াটস অন বাৎসরিক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে পুরষ্কারের পাশাপাশি শিল্পী, লেখক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সারা বছরব্যাপি, যে সকল সঙ্গীত শিল্পী এবং ব্যাবসায়িক নেতৃবৃন্দ স্বীয় কাজে অবদান রেখেছেন তাদেরকে সম্মান জানাতে ২০টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, লাইভডিজে, খাবার, নানা গিফট সহ বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। তরুণ প্রজন্মের মেধাবী শিল্পী ও কলাকৌশলীদের মেধা ও কাজকে বিশ্বব্যাপি তুলে ধরা ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য একটি বিশাল নেটওয়ার্কিং হচ্ছে হোয়াটস অন।
ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীতে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সুইমিংপুলটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে। ব্যবহৃত না হওয়ায় সুইমিংপুল এলাকায় গরু চরে। গড়ে উঠেছে বখাটে ও মাদকসেবীদের আড্ডা। পুলে চার বছর আগে মাত্র একবার পানি ছাড়া হয়। এরপর আর পানির দেখা পায়নি পুলটি। সেখানে এখন ফুটবল খেলে স্থানীয় শিশু-কিশোরেরা।
ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফেনী সুইমিংপুল নির্মাণের জন্য ১৯৯৭ ও ২০০১ সালে দুই দফায় মোট ২ কোটি ৫১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। প্রথম পর্যায়ে ব্যয় ধরা হয় ১ কোটি ৯৯ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৫১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। ফেনী শহরের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে দাউদপুর সেতুর অদূরে ফেনী মৌজায় তিন একর জমিতে সুইমিংপুলটি নির্মাণ করা হয়।
কাজ শেষে ২০০৩ সালে সুইমিংপুলটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর এটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। চুরি যাওয়ার ভয়ে গভীর নলকূপের মোটরটি ভাষাশহীদ সালাম স্টেডিয়ামের অফিসকক্ষে নিয়ে রাখা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় সুইমিংপুলের অফিসকক্ষ, বিশ্রামাগার, ড্রেসিং কক্ষের দরজা–জানালা বখাটেরা ভেঙে ফেলে। সব কটি জানালার কাচও ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি টাইলস ও বৈদ্যুতিক সুইচ, বাল্বসহ সবকিছু ভেঙে তছনছ করা হয়।
২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে সুইমিংপুলের দরজা–জানালা, টাইলস মেরামত ও রং করা হয়। তখন সুইমিংপুলের দুটি ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়, যাতে বহিরাগত বখাটেরা সহজে ভেতরে ঢুকতে না পারে। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। বহিরাগত বখাটেদের আড্ডা বন্ধ করা যায়নি। বখাটেরা আবারও দুটি ফটক ভেঙে ফেলে ও ভবনের সব কটি জানালার কাচ এবং ভেতরে কয়েকটি স্থানে বেশ কিছু টাইলস আবারও ভেঙে ফেলেছে।
দীর্ঘ ১৯ বছরে মাত্র একবার ২০১৮ সালে পুলে পানি দেওয়া হয় বলে জানান জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন। তখন একটি প্রতিযোগিতাও হয়েছিল বলে তাঁর কাছ থেকে জানা যায়। তবে এর পর থেকে মোটর কাজ করেনি। পুলেও পানি ওঠেনি। শুকনো পুলের ভেতরের অংশে স্থানীয় শিশু–কিশোরেরা এখন ফুটবল খেলে।
৮ ডিসেম্বর বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, পুলের ভেতরের অংশে স্থানীয় শিশু–কিশোরেরা দল বেঁধে ফুটবল খেলছে। পুলের ওপর বেশ কিছু কিশোর–যুবক স্থানে স্থানে বসে গল্প করছে। সুইমিংপুলের সামনের অংশে মাঠে কেউ ক্রিকেট খেলছে। পুলের দুটি ফটক ও সব কটি জানালার কাচ ভাঙা। দোতলায় ফটকের রড কাটা।
সুইমিংপুলের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মচারী করিমুল হকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, স্থানীয় কিশোর–যুবকেরা তাঁর কথা শোনে না। সারা দিন, এমনকি সন্ধ্যায়ও জোর করে ঢুকে আড্ডা দেয়।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান বলেন, তিনি শিগগিরই সুইমিংপুলটি চালুর উদ্যোগ নেবেন। এটি ব্যয়বহুল। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সামর্থ্য নেই। সুইমিংপুলের বাইরের খালি জায়গা অন্য কোনো সংস্থাকে ভাড়া দিয়ে হলেও সেটা রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা চিন্তা করা হচ্ছে।
সুইমিংপুলটি এভাবে অবহেলায় অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাধেশ্যাম পাল। তিনি বলেন, স্কুল–কলেজ পর্যায়ে বিভিন্ন সময় সাঁতার প্রতিযোগিতা হয়। তখন অন্যদের পুকুর ব্যবহার করতে হয়। সুইমিংপুলটি চালু থাকলে সেখানেই এসব প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা যেত। তা ছাড়া জেলায় বেশ কিছু শিক্ষার্থী সাঁতারে প্রশিক্ষণ নিতেও ইচ্ছুক। তাদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দিতে পারলে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিয়ে ভালো কিছু করতে পারত।
আজকের সময় রিপোর্ট :
দাগনভূঞা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক নুরুল আলম খাঁন রামানন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১৯ শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বিদ্যলয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়ে।কমিটির সহ সভাপতি হিসাবে মোঃ শাহাজাহান বাহার কে নির্বাচিত করা হয় ।
অন্যান্য সদস্যরা হলেন অভিভাবক ক্যাটাগরিতে দেলোয়ার হোসেন,পিংকি রানী ঘোষ, সানজিদা বিনতে ফয়েজ,দাতা ক্যাটাগরিতে আবু নাছের,মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে ফেরদৌস আরা আরজু, ও স্থানীয় কাউন্সিলর মোঃ হানিফ কে সদস্য করে এবং প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম খাঁন কে সদস্য সচিব করে কমিটি গঠন করা হয়ে।
এ সময় অতিথি ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইস্কান্দার নুরী ও সহকারী শিক্ষা অফিসার দিলরুবা লাইলী ও পি টি এ সভাপতি শরিয়ত উল্যাহ, সাবেক সভাপতি মোস্তফা মেম্বার।