আজকের সময় প্রতিবেদক :
যুখরূফ আল মুয়াম্মির সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস) কর্তৃক আয়োজিত “সেরাদের সেরা” সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে সংগীত ‘ক’ গ্রুপে ১ম স্থান অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানটি নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদীতে অনুষ্ঠিত হয়।
শতাধিক প্রতিযোগীর মাঝে উপজেলা ও জেলা রাউন্ড শেষে ফাইনাল রাউন্ডে সে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে। সে ব্যবসায়ী মফিজ উল্যাহ ও শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদাউস সাথীর জৈষ্ঠ্য সন্তান।
সুস্থ সংস্কৃতিকর নান্দনিক বিকাশ ও নৈতিকতা সৃমদ্ধ সমাজ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সেরাদের সেরা খোঁজে সসাস নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইস্রাফিল হোসাইন সহ অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মালিক বলছে, গরুটি লালন-পালন করতে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সবুজ ঘাস ও ভূসিই ছিল বিদ্যুতের প্রধান খাবার। উপজেলা প্রাণী সম্পদ মেলায় প্রথম হয়েছিলো বিদ্যুৎ।
জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান বলেন, মেয়রের ভালো কাজের, জনসেবার যে চেস্টাও উদ্যোগ তাহা অব্যাহত থাকুক। ফেনী পৌরবাসীর কল্যানে, সমস্যা সমাধানে নাগরিক সুবিধার জন্য ভালোকাজের প্রসংশা করে সাধুবাদ জানান। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব কর্তব্য পালনে আরো সচেষ্টবান হবেন বলে জানান তিনি।
সম্মাননা পাওয়ায় অভিনন্দন জানান সানরাইজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞা, নির্বাহী পরিচালক আবদুল্যাহ আল মারুফ, দাগনভূঞা ইয়ুথ সোসাইটির সভাপতি গোলাম সরওয়ার, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহাম্মদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাংবাদিক কাজী ইফতেখার ও ব্যাংকার নবীউল হক খানসাব।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯ বছর আগে টিপু ও রুমানা আক্তারের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ওই সময়ে জান্নাতুল আরিফা আক্তারের বয়স ছিল ৯ মাস। পরে টিপু মিয়া আবার বিয়ে করলে সেখানে আরও দুই মেয়ের জন্ম হয়। প্রথম সংসারের মেয়ের ভরণপোষণ ও দ্বিতীয় সংসারের পারিবারিক ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন স্বল্প আয়ের টিপু মিয়া।
জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের কোদালিয়া ঈদগাহ প্রাঙ্গনে ২৮ জুন বুধবার তার হাতে এ ভ্যান তুলে দেয়া হবে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জাকির হাসান, জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পিপি হাফেজ আহম্মদ, ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, সদন উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন।
খামারিরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে তাদের অধিকাংশ গরু বিক্রি হয়ে যাবে। ইতোমধ্যেও বিক্রি হয়েছে অনেক। বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যাপারীরা আসায় তাদের সামনেই লাইভ ওয়েট পদ্ধতি ব্যবহার করছেন খামারিরা। তা ছাড়া ঘাস, ভুট্টাসহ পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হয় পশুগুলোতে। এতে করে মাংসের পুষ্টিগুণও ভালো পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তারা।