এম শরীফ ভূঞা, ফেনী :
চলতি মৌসুমে ফেনী জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে কুল বাগান বেড়েছে। পরিকল্পিত বাগান, বাড়ির আঙিনা ও ছাদ বাগানে এর চাহিদা বেড়েছে। এ মৌসুমে উৎপাদন হবে এক হাজার মেট্রিক টনের বেশি কুল, যার বাজার মূল্য অর্ধকোটি টাকার বেশি। এটি এ জনপদের জন্য আশার আলো মনে করছেন স্থানীয়রা।
ফেনীতে বাণিজ্যিকভাবে প্রসার হচ্ছে পুষ্টিকর ফল কুলের আবাদ। ভরা মৌসুমে কাঁচা-পাকা কুলে থোকায় থোকায় ভরে গেছে বাগানের গাছগুলো। বলসুন্দরি, কাশ্মীরি ও টক-মিষ্টি কুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় জেলায় ছোট-বড় বাগান গড়ে উঠেছে। এর আগে অন্য জেলার কুল এ অঞ্চলের চাহিদা মেটালেও এবার ফেনীর উৎপাদিত কুলের চাহিদা বেড়েছে। অল্পসময়ে লাভজনক হওয়ায় কৃষক ও শিক্ষিত বেকার যুবকরা ঝুঁকছেন ফলটি চাষে।
জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে জেলায় কুলের আবাদ হয়েছিল ৮৬ হেক্টর জমিতে। তখন ফলন এসেছিল ৯৩৮ মেট্রিক টন। চলতি ২০২৩-২৪ মৌসুমে ৯০ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার ৮০ মেট্রিক টন।
উপজেলা উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মতিউর রহমান মানিক জানান, প্রতিকেজি কুল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকায়। লক্ষ্যমাত্রার আলোকে উৎপাদন হলে বাজার দাঁড়াবে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেশি।
জেলা সদরের কালিদহ ইউনিয়নের কালিদাস পাহালিয়া নদী তীরের কে পাহালিয়া অ্যাগ্রো পার্কে ১০ একর জমিতে এক হাজারের বেশি গাছের বাগান করেছেন স্থানীয় কয়েকজন উদ্যোক্তা। বিগত বছর তারা ১০ লক্ষাধিক টাকার কুল বিক্রি করলেও এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। বাগানটির উদ্যোক্তারা জানান, নদী পাড়ের পরিত্যক্ত খালি জমিকে কাজে লাগিয়ে তারা বাগানটি করেছেন এবং ফলনও মিলছে ভালো। উদ্যোক্তারা জানান, দুই বছর মিলিয়ে ২৫ লক্ষাধিক টাকার ফলনের আশা করছেন তারা।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব জানান, যেসব জমিতে ধান-সবজি হয় না কিংবা পতিত, সেসব জমিকে কাজে লাগিয়ে কুলের বাণিজ্যিক আবাদ করা যায়। এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের প্রশিক্ষণ সম্পাদক এটিএম আতিকুল ইসলাম জানান, বাগানে এসে নির্ভেজাল পুষ্টিকর বিভিন্ন রং ও স্বাদের কুল পেয়ে উচ্ছ্বাসিত। উৎপাদিত এসব কুল বাজারে নিতে হয় না। দূরদূরান্ত থেকে ক্রেতারাই বাগানে এসে কিনে নিয়ে যেতে দেখলাম, আমরাও দেখতে এসে নিলাম। বাজারের কুলের চাইতে বাগানের এসব কুল তাজা, স্বাদও বেশি।
aadmin
নোয়াখালী :
বাংলাদেশ ইয়ূথ ক্যাডেট ফোরাম (বিওয়াইসিএফ) নোয়াখালী জেলার উদ্যোগে নোয়াখালী জেলার আওতাধীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নব নিযুক্ত বিএনসিসি ক্যাডেটদের সংবর্ধনা ও BYCF নোয়াখালী জেলা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান নোয়াখালী সরকারি কলেজের অডিটোরিয়াম এ শনিবার অনুষ্টিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর সালমা আক্তার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী সরকারি কলেজ সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর কাজী রফিক উল্যা, সহকারী অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো: লোকমান ভুঁইয়া, কোম্পানি কমান্ডার- ‘সি’ কোম্পানি, ৬ ব্যাটালিয়ন, ময়নামতি রেজিমেন্ট।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইয়ূথ ক্যাডেট ফোরাম চেয়ারম্যান (বিওয়াইসিএফ) শাহ্ মজিবুল হক।
অনুষ্ঠানে নতুন সেনাসদস্য হিসেবে সম্মাননা স্মারক গ্রহন করে নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা চরফকিরা ইউনিয়ন এর মো: রুহুল আমিন (নিহা)।
দাগনভূূঞা প্রতিনিধি:
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের সরিষা ফসলের মাঠে হলদে শাড়ি পরে লাখ লাখ নববধূ যেন বিচরণ করছে। সরিষার হলদে ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠের পর মাঠ। মাঠের দিকে তাকালে গ্রাম জুডে যেন হলুদ গালিচা বিছানো হয়েছে।
দাগনভূঞায় উপজেলার চলতি মৌসুমে উপজেলার সরিষা চাষা হয়েছে ২২৫ হেক্টর জমিতে। প্রচলিত দেশি সরিষার চেয়ে ফলন বেশি হওয়ার বারি সরিষা -১৪, ১৭ ও১৮ বিনা সরিষা ৪, ৯ ও ১১ জাতের সরিষা চাষে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছে। স্বল্প খরচ আর কম সময়ে উৎপাদন হওয়ায় সরিষা চাষে ঝুঁকছে দাগনভূঞার কৃষকরা। উন্নত জাতের সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছে তারা। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর দ্বিগুন সরিষা চাষ। অনেকেই আমন দান সংগ্রহের পর জমি ফেলে না রেখে সরিষা চাষ শুরু করেছেন। এরপর আবার বোরো ধান রোপন করবেন তারা উন্নত জাতের বারি সরিষা -১৪, ১৭ ও১৮ বিনা সরিষা ৪, ৯ ও ১১ গাছের উচ্চতা হয় দেড় থেকে দুই ফুটের মত। আগে সরিষা গাছ বড় হলেও ফলন কম হতো। নতুন জাতের ছোট আকারের এর সরিষা গাছের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ফল আসছে। বীজ বপনের ৭০ দিনের মধ্যেই জমি থেকে সরিষা সংগ্রহ করা যায়। সরিষার বড় শক্র জাব পোকা। দাগনভূঞায় এখন পর্যন্ত জাব পোকা আক্রমন দেখা যাচ্ছে না বলে কৃষকরা জানান। এ দিকে চলতি বছরের দাগনভূঞায় সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আসা করছে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা।
সরিজমিনে পরিদর্শনে বিভিন্ন গ্রামের চাষিরা জানানম এবার প্রতি বিঘা জমি থেকে ৬-৭ মন সরিষা উৎপাদন আসা করছেন তারা। অনুকূল পরিবেশের কারণে এবার চলতি রবি মৌসুমে দাগনভূঞা লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে।
দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেয়াজপুর গ্রামের সরিষা চাষে আবুল খায়ের বলেন, ইরি-বোরো চাষে খরচ বেড়ে যাওয়ায় বোরো আবাদের আগে খরচ পোষাতেই সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এখানকার কৃষকরা। নতুন জাতের বারি সরিষা -১ রোপনে উৎসাহিত করায় কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছেন।
দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের সরিষা চাষে নেজাম উদ্দিন জানান, প্রতিবিঘা জমিতে সরিষা চাষে খরচ হয় সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা। প্রতিমণ সরিষা বিক্রি করা যায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা দরে। প্রতি বিঘাতে গড়ে ৭ মণ সরিষা উৎপাদন হলে বিঘা প্রতি ১৫-১৬ হাজার টাকা লাভ করা যায়।
দাগনভূঞা উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মারুফ বলেন, জমিতে সরিষার আবাদ করলে ওই জমিতে সরিষার পাতা পড়ে জৈব সার উৎপাদন হয় পরবর্তীতে ঐ জমিতে ফসলের ফলন ভালো উৎপাদন হবে। এতে একদিকে যেমন কৃষকরা লাভবান হবেন,জমির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে অপরদিকে পুষ্টিকর ভোজ্য তেলের চাহিদা ও মিটবে। তাই সরিষা চাষ করতে কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার কর্মসূচি আওতা বিনামূল্য সরিষার বীজ ও সার দিয়ে উৎসাহিত করা হয়েছে।চতুর্মুখী লাভে সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে, আগামীতেও সরিষা আবাদ বাড়বে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মহিউদ্দিন মজুমদার বলেন, কৃষকরা এবছর সরিষার বীজ বেশি চাষ করেছেন। এছাড়া তিনি উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে ব্লাক বা ক্ষেত পরিদর্শনসহ ভালো ফলন পেতে চাষাবাদের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। তাছাড়া আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদী।
MHS/Ajker Somoy
নিজস্ব প্রতিনিধি, আজকের সময় :
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গর্জিয়াস গ্রুপের ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ঢাকার মালিবাগে কোম্পানির কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
গর্জিয়াস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীদুজ্জামান খান শাহেদ
এর সভাপতিত্বে ও কোম্পানির এজিএম জামাত আলী রনি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন কমনওয়েলথ ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক উন্নয়ন ও মানবাধিকার কর্মী তরুণ উদ্যোক্তা মহিউদ্দিন আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন কোম্পানির ফাইন্যান্স ডিরেক্টর মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
সভায় অনন্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এজিএম,সিনিয়র ম্যানেজার,ম্যানেজার সহ সকল কর্মকর্তাগণ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,গর্জিয়াস গ্রুপ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি বেকরত্ব দূরীকরণে,তরুণ প্রজন্মের উদ্যোক্তা তৈরীর করার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।গর্জিয়াস স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বেকার যুবকদের স্বপ্ন পূরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে উদ্যোক্তা তৈরীর মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে।আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ কে বিশ্বের সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়নে শক্তিশালী করতে কাজ করবে।দেশের কল্যাণে সরকারের সাথে উন্নয়ন ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে তরুণদের সাথে নিয়ে নতুন এক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়তে কাজ করবে।জাতিসংঘের ঘোষিত SDG এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অর্থনীতি উন্নয়ন,কর্মসংস্থান,বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে তরুণ উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বড় ভূমিকা রাখবে।বাংদেশের তরুণের সাথে নিয়ে গর্জিয়াস আগামীর স্বপ্নের নতুন এক পৃথিবী গড়বে।বাংলাদেশ কে বিশ্বের মানচিত্র তুলে ধরতে বিশ্বের অনন্যেদেশের উদ্যোক্তাদের সাথে নিয়ে কাজ করবে গর্জিয়াস গ্রুপ।সভাপতির বক্তব্যে গর্জিয়াস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীদুজ্জামান খান শাহেদ লিখিত বক্তব্যে গর্জিয়াসের আগামীর স্বপ্নের পথ চলার কথা সকল কর্মপরিকল্পনা টার্গেট তুলে ধরেন,ফিউচারে গর্জিয়াস গ্রুপের বহু অঙ্গ সহযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা বলেন।বাংলাদেশের মানুষের জন্য সম্মানজনক বিশ্বস্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকরত্বের দূরীকরণ করতে একদল সৎ,দক্ষ,নিষ্ঠাবান আদর্শ মানুষ কে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে গর্জিয়াস গ্রুপ। আগামীতে কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্বে কে শূন্যের কোটায় আনতে বিশ্বের অনন্য দেশের সকল উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করবে। আগামীর(২০৪১) স্মার্ট বাংলাদেশের মূল ভিত্তি পূরণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে সারাদেশে গর্জিয়াস তরুণ উদ্যোক্তা তৈরীর করতে সেমিনার ও ট্রেনিং প্রোগ্রাম করছে,সামনে কোটি কোটি মানুষ কে দক্ষ করে তুলতে আরো ট্রেনিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।যাতে কারে উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশ কে অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করে বিশ্বের কাছে তুলে ধরা যায়।গর্জিয়াস শুধুমাত্র ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান নয়,আমরা ব্যবসার পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিভিন্ন ভাবে কাজ করতে চাই।তাই তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠানে গর্জিয়াস গ্রুপের এজিএম,সিনিয়র ম্যানেজার,ম্যানেজার সকল কর্মকর্তাগণ তাদের আগামীর স্বপ্ন পূরণের কথা তুলে ধরেন।পরে দেশ জাতির সমৃদ্ধি ও প্রতিষ্ঠানের মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয়।
ফারজানা মীম/ঢাকা/আজকের সময়।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ফেনীতে নারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ল্যাপটপ বিতরণ করেছেন।
বুধবার দুপুরে ফেনী শহরের ট্রাংক রোডের পিটিআই মাঠে জেলা প্রশাসন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি অধিদপ্তর এ আয়োজন করে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় ফেনী ছাড়াও চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার মোট ৭৪৫ জন নারী প্রশিক্ষণার্থীকে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ফেনীর ২৪০ জন ছাড়াও লক্ষ্মীপুরে ২৬৫ ও চাঁদপুরে ২৪০ জন নারী রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তারের সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, পুলিশ সুপার জাকির হাসান ও ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার।
আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোস্তফা কামাল। এছাড়া প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফেনীর চৈতি সাহা, লক্ষ্মীপুর জেলার ইসরাত জাহান তানজিনা ও চাঁদপুর জেলার সাবিহা জামান।
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বিশ্বজয়ের হাতিয়ার একটি স্মার্ট ল্যাপটপ। প্রতিবছর ২০-২৫ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছেন। সবাইকে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। সবাই ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে চলে যেতে পারবে না। তাহলে নিজের গ্রামে বসে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। তরুণ-তরুণীদের ওপর নির্ভর করছে স্মার্ট বাংলাদেশ।
পলক আরও বলেন, দেশে যৌতুকপ্রথা ব্যাধি হয়ে উঠেছিল। ৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে নারী শিক্ষার প্রসার, যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখে। এক সময় প্রাইমারি স্কুলে অনেক বেশিপুরুষ শিক্ষক ছিলেন। এখন ৬০ শতাংশ নারী। প্রধানমন্ত্রীর অসংখ্য সিদ্ধান্তে নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম বলেন, ২০০৯ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন অনেকে হাস্যরস করেছেন। ১৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি ২০৪১ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনা করেছেন। আজ একটি ল্যাপটপ একজন তরুণীকে মাথা উঁচু করে থাকার প্রেরণা দেবে।
সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট নাগরিক প্রয়োজন। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও পিছিয়ে নেই। আজ যারা ল্যাপটপ পাচ্ছেন তাদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
এরপর প্রতিমন্ত্রী পলক পরশুরাম উপজেলার আলাউদ্দিন আহমেদ নাসিম কলেজ সংলগ্ন শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করবেন।
দাগনভূঞা উপজেলা কো-অর্ডিনেটর আল ইমরান জানান, উইমেন আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার কোর্সে ছয় মাসব্যাপী ৮০ জন নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তারা প্রশিক্ষণ শেষে অনলাইন ও অফলাইনে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
ফেনীর ডাক্তার পাড়ায় অতিথি পরিচয়ে বাসায় ঢুকে স্বর্ণালংকার লুট, গ্রেপ্তার ৩
শহর প্রতিনিধি, আজকের সময় :
ফেনীর পশ্চিম ডাক্তারপাড়ায় অতিথি পরিচয় দিয়ে একটি বাসায় ঢুকে সদস্যদের করে কৌশলে স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে এ চক্রের তিন সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের গজারিয়া পাড়ার হাসান সিকদারের মেয়ে তানিয়া আক্তার সাদিয়া (৩২), পিরোজপুর জেলার নতুন বাজার গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে বাপ্পি হাসান নাহিদ (২৬) এবং ঢাকার আদাবর আলিফ হাউজিংয়ের নিহত সেলিম মিয়ার ছেলে মো. জাকির হোসেন (৪৫)। এ সময় চক্রের সদস্য ওই নারীর কাছ থেকে এক ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৮ জানুয়ারি) ফেনী পৌরসভার পশ্চিম ডাক্তারপাড়া রফিক ম্যানশনের তৃতীয় তলায় ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলামের বাসার গৃহপরিচারিকা বাসা পরিষ্কার করছিলেন। তখন দরজা খোলা পেয়ে কৌশলে তানিয়া বাসায় ঢুকে নিজেকে অতিথি হিসেবে পরিচয় দেন। পরে রফিকের স্ত্রীর সঙ্গে গল্পের ছলে স্বর্ণালংকারের কথা জিজ্ঞাসা করেন। একপর্যায়ে তাদের অচেতন করে আলমারি থেকে ৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতারক তানিয়া আক্তার ঘরে আসার পর নিজেকে আমার আমেরিকা প্রবাসী ভাতিজি বর্ষার বান্ধবী পরিচয় দেন এবং তারা একসঙ্গে আমেরিকায় থাকেন বলে জানান। তখন আমার স্ত্রী তাকে বসতে বলেন।
দুপুরে খাবার খেতে বাসায় এসে আমার স্ত্রীকে কিছুটা অসুস্থ দেখি। বাসার জিনিসপত্র এলোমেলো, আলমারি ও গয়নার বাক্স খোলা অবস্থায় দেখতে পাই। পরে আশপাশের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রতারককে শনাক্ত করি। পরে ওইদিন বিকেলে সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়ায় একটি বাড়িতে চুরি করতে গেলে চক্রের তিনজনকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় আটক প্রতারক চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রবিউল আলম, আজকের সময় :
আমরা গর্বিত আমরা ফেনীর সন্তান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ।
সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ সাতবাডিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুস্থ,গরীর, অসহায় মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত বিতরনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনাগাজী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তদন্ত মাকসুদ আহম্মদ, সাতবাড়িয়া স্কুল সভাপতি মাইনুল ইসলাম, সংগঠনের জেলা উপদেষ্ঠা শামীম আহম্মদ, সংগঠনের জেলা সদস্য সচিব মিঠুখাঁন, সমন্বয়ক আবদুল হান্নান, সাবেক সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি ও সমন্বয়ক মো:সেলিম, আলমগীর হোসেনসহ উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
দীপঙ্কর শীল:
ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড় মধ্যম চাঁদপুর গ্রামের লক্ষীগোবিন্দ সেবাশ্রম নাট মন্দির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সন্ধায় প্রধান অতিথি নবনির্মিত নাট মন্দির উদ্বোধন করেন ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শুসেন চন্দ্র শীল, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সাধারন অনিল নাথ, মাস্টার রত্নেশ্বর দাশ, লেমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ উদ্দিন নাছিম, কালিদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ডালিম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আমিন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকরামুজ্জামান রাজু, সাবেক সভাপতি শেখ আবদু শুক্কুর মানিক, ইউপি সদস্য জুলফিকার আলী, মহিলা ইউপি সদস্য ফাতেমা আক্তার, মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রবির কর্মকার, সাধারন সম্পাদক শংকর চন্দ্র শীল, উৎসব কমিটির সভাপতি পরেশ নাগ, বাবুল শীল সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল বলেন মন্দির চলাচলের রাস্তা উন্নয়ন ও শৌচাগার নিম্মান হবে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত শতাধিক ব্যাক্তির মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এশিয়ান টিভি’র ১১তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ফেনী জেলা পরিষদ ভবনের ড. সেলিম আল দীন মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা,র ্যালি ও কেক কাটা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য লেঃ জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার মজুমদার তপন ও ফেনীর পুলিশ সুপার জাকির হাসান। এশিয়ান টিভির বিশেষ প্রতিনিধি জাফর সেলিমের সভাপতিত্বে, ফেনী জেলা প্রতিনিধি ও ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি জিয়া উদ্দিন সোহাগের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও সাপ্তাহিক ফেনীর গৌরব সম্পাদক কামাল উদ্দিন, জাতীয় কবিতা পরিষদ-ফেনী জেলা সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ-ফেনী জেলা শাখার উপদেষ্টা কবি ইকবাল চৌধুরী, সাপ্তাহিক উদয় সম্পাদক, দৈনিক আমার বার্তা ফেনী প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের ফেনী জেলা সভাপতি সাইদ খান, বিশিষ্ট সংগঠক ও ‘পায়রা’ শিশু সংগঠনের সভাপতি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু,সাপ্তাহিক ফেনীর স্বাস্থ্যকথা সম্পাদক ও ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য কাজী নজির আহমেদ, দৈনিক গণকন্ঠের ফেনী প্রতিনিধি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এম. নাছির উদ্দীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন ফেনী প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, দৈনিক নবচেতনার ফেনী জেলা প্রতিনিধি ও ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাহেদ হোসেন চৌধুরী, দৈনিক মুক্ত খবরের ফেনী প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ,ক্রাইম রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি এশিয়ান এজ’র ফেনী প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন, সোনাগাজী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও দৈনিক নবচেতনা সোনাগাজী প্রতিনিধি জহিরুল হক খাঁন সজিব,দৈনিক তরুণ কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি রোটারিয়ান মিজানুর রহমান, শিক্ষাবিদ মোজাফ্ফর আলী এম.এ এবং ফেনী জেলা যুবলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বাংলা ভিশন চ্যানেল, বাংলা ট্রিবিউনের ফেনী প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, দৈনিক অজেয় বাংলা ও সাপ্তাহিক নবকিরণ নির্বাহী সম্পাদক শাহজালাল ভুঞা, ফেনী জেলা জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি ফারহানা আইরিন, সাধারণ সম্পাদক শারমিন আক্তার, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির দফতর সম্পাদক ও অপরাধ সন্ধানে ফেনী প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন,ফেনী সাংবাদিক ইউনিটির সাধারন সম্পাদক ও নোয়াখালী ওয়েব নির্বাহী সম্পাদক এম. শরীফ ভুঞা,ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির দফতর সম্পাদক ও অপরাধ সন্ধানে ফেনী প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন,রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ও দৈনিক মুক্তির লড়াই প্রতিনিধি মহি উদ্দীন মহি, আজকের দৈনিকের ফেনী প্রতিনিধি এস এইচ খোকন, সাপ্তাহিক ফেনীর গৌরব বিশেষ প্রতিনিধি আবু বক্কর সিদ্দিক, দৈনিক খোলা কাগজ ফেনী সদর প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন ভুঞা, বিশ্ব ইনসানিয়াত বিল্পবের ফেনী জেলা সাধারন সম্পাদক হাসান আবরার, দৈনিক চিত্র জেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান সুমন। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, রাজনীতিক, জনপ্রতিনিধি, ব্যাবসায়ীগণ ছাড়াও এশিয়ান টিভির দর্শক, শুভানুধ্যায়ীগন অংশ গ্রহন করেন।
ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে জেলা তথ্য অফিস ফেনীর নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) এর আওতায় জেলা তথ্য অফিস ফেনী এর আয়োজনে ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার ৩নং চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা হাবিব শাপলা, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা তথ্য অফিসার এস.এম. আল আমিন।
চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মো.শামসুল আলমের সঞ্চালনায় এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য জাফর ইকবাল ভূঁইয়া।