কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুরের থানারহাট মডেল মাদরাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
মাদরাসার সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আনোয়ারুল হক।
সহকারী শিক্ষক আবদুল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিম, বাংলাদেশ মহিষ এআইটি কল্যাণ সংস্থার সভাপতি এনায়েত উল্যাহ, সাবেক ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন ভূঞা, সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি এম. শরীফ ভূঞা, মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল, সমাজসেবক মোহাম্মদ লোকমান, যুবদল নেতা মোহাম্মদ মুহিদ, ওয়েস্ট ব্যাংক কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ ওয়াসিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল মোতালেব মানিক ও ব্যবসায়ী হক সাহেবসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের শেষে দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।
সারাদেশ
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, আজকের সময় :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আয়োজনে ও সাবেক ছাত্রনেতা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিমের সৌজন্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরন কর্মসূচি বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।
মুছাপুর ইউনিয়নের রংমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, রংমালা দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা, শরাফতিয়া মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম, পেন্সিল, পরীক্ষার ফাইল বিতরন করা হয়।
পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবকরা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ ও উপদেশ তুলে ধরেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা মো: মুহিদ, মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল মোতালেব মানিক, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম জুয়েল, সাবেক সদস্য সাজেদুল ইসলাম শাহেদ, মো: সাগর, কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য মহিউদ্দিন জুবায়ের সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে এ শিক্ষা উপকরণ বিতরন করা হয়। শিক্ষা উপকরণ বিতরনের এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে নেতৃবৃন্দ জানান।
বসুরহাটে ব্যবসায়ী মিলনের সমিল গুঁড়িয়ে লুটপাটের ঘটনায় মামলা : মির্জা কাদের-বুলবুল সহ ৪৩ আসামী
আবদুল আলিম, স্টাফ রিপোর্টার :
নোয়াখালীর বসুরহাটে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বুলডোজার দিয়ে ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম মিলনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ফিরোজ অ্যান্ড ব্রাদার্স’ এবং ‘হুমায়ুন টিম্বার অ্যান্ড স-মিল’ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি এখন অধিকতর তদন্তাধীন। বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার প্রধান সহযোগী হিসেবে পরিচিত পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার বুলবুলসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে এই লুটপাট ও ভাঙচুরের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নোয়াখালী বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলি আদালত, সিআর মামলা নং- ৫৪৩/২০২৪ (কোম্পানীগঞ্জ)। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে বর্তমানে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর রাত ৪টার দিকে আবদুল কাদের মির্জার নির্দেশে প্রায় ২০০-৩০০ জনের এক সশস্ত্র বাহিনী বসুরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফিরোজ আলম মিলনের স’মিলে অতর্কিত হামলা চালায়। বুলডোজার দিয়ে মিলের সব স্থাপনা মুহূর্তেই মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়। ফিরোজ আলম মিলনের দাবি, ওই জমিটি তিনি ক্রয়সূত্রে মালিক এবং এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা ছিল। কিন্তু আদালতের তোয়াক্কা না করেই কোটি কোটি টাকার ফার্নিচার তৈরির মেশিন, লোহা ও সেগুন কাঠ লুট করে ট্রাকে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে ওই জমিতে ‘শিশুপার্ক’-এর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দখল নিশ্চিত করেন তৎকালীন মেয়র ও তার অনুসারীরা।
মামলার এজাহারে বসুরহাট পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার বুলবুলকে অন্যতম আসামি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এবং মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বুলবুল পৌরসভার সরকারি পদের অপব্যবহার করে আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত বাহিনীর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মিলনের সমিল গুঁড়িয়ে দেওয়ার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক দোহাই দিয়ে উচ্ছেদ প্রক্রিয়াকে তদারকি করেছিলেন, যা ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ। দীর্ঘ তিন দশক ধরে একই পৌরসভায় কর্মরত থেকে নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং হাট-বাজার ইজারা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তার এই বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মুছাপুর থানারহাটে নিজ বাড়িতে গত ডিসেম্বরে তিন তলা ভবন নির্মাণ সহ অবৈধ সাম্রাজ্য, বসুরহাটে স্ত্রী ফেরদৌস আরার নামে ফ্ল্যাট ক্রয়, চর এলাহীতে খামার বাড়ি ও মাছের ঘের, স্ত্রীর নামে ২১ ভরি স্বর্ণ ও বিদেশী প্রসাধনী সামগ্রী, ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অপির দামি মোটরসাইকেল সহ বিপুল অবৈধ সম্পদ রয়েছে। অপরাধ দুর্ণীতি করেও বিএনপির কিছু নেতা ম্যানেজ প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে।
ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম মিলন বলেন, “কাদের মির্জার ডান হাত হিসেবে পরিচিত এই বুলবুলরাই আমাকে পথে বসিয়েছে। আদালতের ইনজাংশন থাকার পরও তারা ডাকাতের মতো আমার কারখানা লুট করেছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত গোলাম ছারওয়ার জানান, উপরের নির্দেশে আমি এসব করেছি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্ণীতি বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি এডিয়ে যান।
বর্তমানে মামলার প্রধান আসামি আবদুল কাদের মির্জাসহ বেশিরভাগ অভিযুক্ত আত্মগোপনে থাকলেও গোলাম সরওয়ার বুলবুল প্রকাশ্যে নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পৌরসভা প্রশাসনিক কার্যক্রম ও তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বসুরহাটে ব্যবসায়ী মিলনের সমিল গুঁড়িয়ে লুটপাটের ঘটনায় মির্জা কাদের-বুলবুল সহ ৪৩ আসামীর বিরুদ্ধে সিআইডির তদন্ত
নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর বসুরহাটে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বুলডোজার দিয়ে ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম মিলনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ফিরোজ অ্যান্ড ব্রাদার্স’ এবং ‘হুমায়ুন টিম্বার অ্যান্ড স-মিল’ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি এখন অধিকতর তদন্তাধীন। বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার প্রধান সহযোগী হিসেবে পরিচিত পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার বুলবুলসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে এই লুটপাট ও ভাঙচুরের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নোয়াখালী বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলি আদালত, সিআর মামলা নং- ৫৪৩/২০২৪ (কোম্পানীগঞ্জ)। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে বর্তমানে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর বর্ণনা অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভোর রাত ৪টার দিকে আবদুল কাদের মির্জার নির্দেশে প্রায় ২০০-৩০০ জনের এক সশস্ত্র বাহিনী বসুরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফিরোজ আলম মিলনের স’মিলে অতর্কিত হামলা চালায়। বুলডোজার দিয়ে মিলের সব স্থাপনা মুহূর্তেই মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়। ফিরোজ আলম মিলনের দাবি, ওই জমিটি তিনি ক্রয়সূত্রে মালিক এবং এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা ছিল। কিন্তু আদালতের তোয়াক্কা না করেই কোটি কোটি টাকার ফার্নিচার তৈরির মেশিন, লোহা ও সেগুন কাঠ লুট করে ট্রাকে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে ওই জমিতে ‘শিশুপার্ক’-এর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দখল নিশ্চিত করেন তৎকালীন মেয়র ও তার অনুসারীরা।
মামলার এজাহারে বসুরহাট পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম ছারওয়ার বুলবুলকে অন্যতম আসামি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এবং মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বুলবুল পৌরসভার সরকারি পদের অপব্যবহার করে আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত বাহিনীর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মিলনের সমিল গুঁড়িয়ে দেওয়ার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক দোহাই দিয়ে উচ্ছেদ প্রক্রিয়াকে তদারকি করেছিলেন, যা ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ। দীর্ঘ তিন দশক ধরে একই পৌরসভায় কর্মরত থেকে নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং হাট-বাজার ইজারা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তার এই বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মুছাপুর থানারহাটে নিজ বাড়িতে গত ডিসেম্বরে তিন তলা ভবন নির্মাণ সহ অবৈধ সাম্রাজ্য, বসুরহাটে স্ত্রী ফেরদৌস আরার নামে ফ্ল্যাট ক্রয়, চর এলাহীতে খামার বাড়ি ও মাছের ঘের, স্ত্রীর নামে ২১ ভরি স্বর্ণ ও বিদেশী প্রসাধনী সামগ্রী, ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অপির দামি মোটরসাইকেল সহ বিপুল অবৈধ সম্পদ রয়েছে। অপরাধ দুর্ণীতি করেও বিএনপির কিছু নেতা ম্যানেজ প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে।
ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম মিলন বলেন, “কাদের মির্জার ডান হাত হিসেবে পরিচিত এই বুলবুলরাই আমাকে পথে বসিয়েছে। আদালতের ইনজাংশন থাকার পরও তারা ডাকাতের মতো আমার কারখানা লুট করেছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত গোলাম ছারওয়ার জানান, উপরের নির্দেশে আমি এসব করেছি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্ণীতি বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি এডিয়ে যান।
বর্তমানে মামলার প্রধান আসামি আবদুল কাদের মির্জাসহ বেশিরভাগ অভিযুক্ত আত্মগোপনে থাকলেও গোলাম সরওয়ার বুলবুল প্রকাশ্যে নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পৌরসভা প্রশাসনিক কার্যক্রম ও তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সেনবাগে তাবিজ-কবজের আড়ালে ভয়াবহ প্রতারণার জাল, নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ
নিজস্ব প্রতিবেদক, সেনবাগ :
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার উত্তর সাহাপুর গ্রামে ধর্মের দোহাই ও আধ্যাত্মিক চিকিৎসার আড়ালে এক ভয়ংকর প্রতারক চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। আমির হোসেন (ওরফে খোনার) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালো জাদু, প্রতারণা, পারিবারিক ব্ল্যাকমেইল এবং অর্থ আত্মসাতের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ব্যক্তি কেবল সাধারণ মানুষকে ঠকিয়েই ক্ষান্ত হননি, নিজের মেয়েদের ব্যবহার করে ‘কাবিন ব্যবসা’ ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে একাধিক পরিবারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আমির হোসেন নিজেকে চৌমুহনী কুণ্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের ‘প্রেসক্রিপশনার’ হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছেন। নিজের বাড়ির দরজায় একটি গোপন কক্ষে তিনি তথাকথিত ‘কালো জাদুর’ চর্চা করেন। তার মূল টার্গেট হচ্ছে গ্রামের সহজ-সরল নারী ও বিপদগ্রস্ত মানুষ।
ভিকটিমদের অভিযোগ, কাজ করে দেওয়ার গ্যারান্টি দিয়ে তিনি শুরুতেই ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পরবর্তীতে ‘কাজ চলছে’ বলে আরও টাকার দাবি করেন। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলে বা কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে, ‘অসমাপ্ত কাজে অমঙ্গল হবে’ বা ‘পরিবারের বড় ক্ষতি হবে’ বলে ভয়ভীতি ও অভিশাপ দিতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত কাজ না হলে বা টাকা ফেরত চাইলে তিনি ফোন ধরা বন্ধ করে দেন।
আমির খোনারের প্রতারণার অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে তার নিজের কন্যারা। তার বড় মেয়েকে রফিকপুর গ্রামের এক কুয়েত প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় অর্থ আদায়। অভিযোগ আছে, জামাইকে বশ করতে তিনি জাদুটোনার আশ্রয় নেন। এক পর্যায়ে মেয়ের অশান্তির অজুহাত তুলে ৩৫০০০০ (সাড়ে তিন লক্ষ) টাকা যৌতুক ও কাবিন আদায়ের মাধ্যমে সেই সংসার ভেঙে দেন। বিচ্ছেদের মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তিনি সেই প্রবাসীর কাছ থেকে ১২০০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
একইভাবে দ্বিতীয় মেয়ের ক্ষেত্রেও তিনি আপন ভায়রা-ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে বিদেশগামী জামাইয়ের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। জামাই তার দাবি পূরণ না করে বিদেশে চলে গেলে, তিনি মেয়েকে ফুসলিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং জামাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌতুক মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে সেই প্রবাসীকে দেশে ফেরার পথ বন্ধ করে দিয়ে ৬০০০০০ (ছয় লক্ষ) টাকা দাবি করছেন মামলা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে। এমনকি দুই বছর ধরে ওই প্রবাসীকে তার নিজের সন্তানের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে দিচ্ছেন না এই পাষণ্ড কবিরাজ।
তৃতীয় মেয়ের ক্ষেত্রেও একই ছক। বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর বেশি যৌতুক ও আর্থিক সুবিধার আশায় আগের ঠিক হওয়া বিয়ে ভেঙে দিয়ে গোপনে নারায়ণগঞ্জের এক ঠিকাদারের ছেলের সঙ্গে মেয়েকে বিয়ে দেন তিনি।
আমির হোসেনের বিরুদ্ধে আরও একটি লোমহর্ষক অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের স্ত্রীকে ‘স্লো পয়জনিং’ (ধীরে ধীরে বিষ প্রয়োগ) করে হত্যা করেছেন এবং পরবর্তীতে নিজের শ্যালিকাকে বিয়ে করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ মুখে মুখে ফিরছে।
এতোসব অপরাধ এবং অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আমির হোসেন এলাকায় দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তার এই প্রতারণার জালে পড়ে নিঃস্ব হওয়া পরিবারগুলো এখন দিশেহারা। তারা প্রশাসনের কাছে এই ভণ্ড ও প্রতারক কবিরাজের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত আমির হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক সাধারণ মানুষ ও প্রবাসী পরিবার তার প্রতারণার বলি হবে।
কোম্পানীগঞ্জে ইউনিভার্সিটি ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ প্রীতি ও ফ্যামিলি গেট-টুগেদার
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি, আজকের সময় :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা অ্যালামনাইদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি ক্লাব, কোম্পানীগঞ্জ-এর উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ প্রীতি ও ফ্যামিলি গেট-টুগেদার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৩ মার্চ (সোমবার) বিকেল ৪টায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুরের বাগান বাড়িতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে ক্লাবের অ্যালামনাই সদস্যবৃন্দ এবং তাদের পরিবারবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে উপস্থিত সবার প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সিটি ক্লাব কোম্পানীগঞ্জের সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক, কবি ও রাজনীতিবিদ আব্দুল হাই সেলিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্লাবের সেক্রেটারি, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও বিদ্যানুরাগী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মানসুর।
এ সময় সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন বিএনওর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি মোহাম্মদ ইউসুফ, অধ্যাপক আব্দুর রহিম এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অ্যালামনাইদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোর ও পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে বল নিক্ষেপ, পিলো পাসিং, শিশুদের বিভিন্ন খেলা, গজল পরিবেশন, ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল বিশেষ আকর্ষণ। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে র্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে ইউনিভার্সিটি ক্লাব কোম্পানীগঞ্জের এক্সিকিউটিভ কমিটি। এ আয়োজনে ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরাও সক্রিয় সহযোগিতা করেন।
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি, আজকের সময় :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে রাজু (২২) নামে এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত রাজু উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের আটঘরিয়া মরিচ ব্যাপারী বাড়ির বাসিন্দা এবং জেবল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত প্রায় ৯টার দিকে পারিবারিক কলহের কারণে রাজু বিষ পান করেন। গুরুতর অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে প্রেরণ করেন। পরে সেখান থেকেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত আনুমানিক ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা শহরে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জনকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে মুছাপুরে আবদুর রহিমের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিবেদক, কোম্পানীগঞ্জ :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত ও রেমিট্যান্স সমৃদ্ধ জনপদ মুছাপুর ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছেন মুছাপুরের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিম।
ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজারে আয়োজিত এই ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। এসময় আবদুর রহিম সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। প্রিয় প্রার্থীকে কাছে পেয়ে স্থানীয়দের মাঝে ঈদের আনন্দের পাশাপাশি বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আবদুর রহিম বলেন, “মুছাপুর ইউনিয়ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রবাসীদের অবদানে অনেক এগিয়ে থাকলেও নদী ভাঙন, রাস্তাঘাটের জরাজীর্ণ দশা, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত। আমি মুছাপুরবাসীকে একটি আধুনিক ও সন্ত্রাসমুক্ত ‘মডেল ইউনিয়ন’ উপহার দিতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে আমি আমৃত্যু সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো।”
উপস্থিত স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, তারা একজন সৎ, যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের তরুণ জনপ্রতিনিধি চান, যিনি মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন পর্যটন এলাকার উন্নয়ন এবং তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এলাকার চেহারা বদলে দেবেন। বিশেষ করে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চান।
মুছাপুর ইউনিয়নের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে আবদুর রহিমের কর্মকান্ড ও অবদান স্থানীয়দের মাঝে তাকে একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। ঈদ পরবর্তী এই গণসংযোগ মুছাপুরের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এম শরীফ ভূঞা /আজকের সময়/নোয়াখালী।
জনকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে মুছাপুরে আবদুর রহিমের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
নিজস্ব প্রতিবেদক, কোম্পানীগঞ্জ :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত ও রেমিট্যান্স সমৃদ্ধ জনপদ মুছাপুর ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছেন মুছাপুরের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিম।
ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজারে আয়োজিত এই ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। এসময় আবদুর রহিম সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। প্রিয় প্রার্থীকে কাছে পেয়ে স্থানীয়দের মাঝে ঈদের আনন্দের পাশাপাশি বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আবদুর রহিম বলেন, “মুছাপুর ইউনিয়ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রবাসীদের অবদানে অনেক এগিয়ে থাকলেও নদী ভাঙন, রাস্তাঘাটের জরাজীর্ণ দশা, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত। আমি মুছাপুরবাসীকে একটি আধুনিক ও সন্ত্রাসমুক্ত ‘মডেল ইউনিয়ন’ উপহার দিতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে আমি আমৃত্যু সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো।”
উপস্থিত স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, তারা একজন সৎ, যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের তরুণ জনপ্রতিনিধি চান, যিনি মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন পর্যটন এলাকার উন্নয়ন এবং তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এলাকার চেহারা বদলে দেবেন। বিশেষ করে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চান।
মুছাপুর ইউনিয়নের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে আবদুর রহিমের কর্মকান্ড ও অবদান স্থানীয়দের মাঝে তাকে একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। ঈদ পরবর্তী এই গণসংযোগ মুছাপুরের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এম শরীফ ভূঞা/আজকের সময়।
আবদুল আজিজ সায়েম, আজকের সময় :
কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে ঐতিহ্যবাহী দ্বারবক্স হাজী বাড়ীতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার রোজাদারদের সম্মানে ব্যতিক্রমধর্মী ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র মাহে রমজানের ২৯তম দিনে এ আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষক, আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ইফতার পূর্বে রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন মাওলানা বেলায়েত হোসেন।
বাড়ির মুরুব্বী ও আয়োজন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ওমর ফারুক জানান, তাদের এই ঐতিহ্যবাহী বাড়ি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এলাকার সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। প্রয়াত মুরুব্বীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এ আয়োজন করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই যুগ ধরে প্রতি রমজানের ২৯তম দিনে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে বাড়ির বাসিন্দা ও শিক্ষক আব্দুল কাদের বলেন, রমজান মাস শুধু আত্মসংযমের নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ চর্চারও এক অনন্য সময়। সমাজে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহমর্মিতা জাগ্রত করার লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা এমন আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন আলী আহমেদ জামে মসজিদের খতিব হাফেজ বেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অত্র বাড়ির সন্তান ও আবু মাঝিরহাট সাঈদিয়া মাদরাসার সহকারী মোলভী মাওলানা আবদুল হাই আজাদ।
আজকের সময় প্রতিবেদক :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন এলাকায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ঠাকুর চাঁন (২৫) মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জেলে পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জনারদন (৪৫), পিতা বজ হরিদাস, এবং রবিউল হোসেন (২০), পিতা আবুল কালাম। জনারদন একই এলাকার বাসিন্দা এবং রবিউল হোসেন ওয়াইজদি বাড়ির বাসিন্দা।
নিহত ঠাকুর চাঁন আহত জনারদন এর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলে পিতা-পুত্র নদীর ধারে বেঁধে রাখা তাদের মাছ ধরার নৌকা ঠিক আছে কিনা দেখতে যান।
এ সময় বজ্রপাতে তারা আক্রান্ত হন।
ঘটনাস্থলেই ঠাকুর চাঁনের মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, রবিউল হোসেন নিজ তরমুজ ক্ষেতে পাহারারত অবস্থায় বজ্রপাতের শব্দ ও আলোর প্রভাবে আহত হন।
বজ্রপাতের ঘটনায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রবিউল হোসেন বর্তমানে শঙ্কামুক্ত থাকলেও অপর আহতের অবস্থা গুরুতর।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।