জাবেদ হোসাইন মামুন, সোনাগাজী :
জাবেদ হোসাইন মামুন, সোনাগাজী :
জাবেদ হোসাইন মামুন, সোনাগাজী :
আজকের সময় প্রতিবেদক :
রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৭৬ জন্মদিনে অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ সংগঠক হিসেবে জয়বাংলা পার্সোনালিটি শাইনিং অ্যাওয়ার্ড পেলেন স্বপ্নীল চেয়ারম্যান মনজুরুল আলম টিপু ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে ৩০ শে সেপ্টেম্বর রোজ শুক্রবার সন্ধ্যা রাজধানীর সেগুনবাগিস্হ কচিকাচার মেলা মিলনায়তনে জয় বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদ এর আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত।
উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি,ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর এম.পি, সাবেক সফল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।বিশেষ অতিথি, প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, শেরে-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী খন্দকার মাইনুর রহমান সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিম। এতে শ্রেষ্ঠ সংগঠন হিসেবে জয়বাংলা পার্সোনালিটি শাইনিং অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন সময়ের প্রিয় সংগঠক, সামাজিক সংগঠনের অন্যতম নেতা, ব্যাংকার ও উন্নয়ন সমাজকর্মী, সাবেক ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের ভিপি, স্বপ্নীল এর সম্মানিত চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম টিপু
আজকের সময় প্রতিবেদক :
উদ্যাক্তা তৈরীর ফ্রী সেমিনারে অংশগ্রহণ করুন। আপনি শিক্ষিত কিন্তু বেকার বসে আছেন। চাকরি কবে হবে ঠিক নেই! বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু অনেক সময় ও টাকার ব্যাপার। তাহলে বসে না থেকে নতুন কিছু করুন।
উদ্যোক্তা হউন, নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ুন। একটি সুযোগ বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। অংশগ্রহণ করুন আমাদের – “Entrepreneur Free Seminar programme” এ ফ্রী সেমিনারে অংশ নিন, আর হয়ে উঠুন উদ্যোক্তা সেমিনারের পর উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমরা আপনাকে সহযোগিতা করবো।
আগামী ৮ অক্টোবর ঢাকার গুলশানে অনুষ্ঠিত হবে এই সেমিনার৷ নিজের জীবনকে বদলে দিতে এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন- 01629607367 এই (হোয়াটসঅ্যাপ এ নাম, ঠিকানা, নাম্বার লিখে মেসেজ করুন ) নাম্বারে ফোন করে / ইনবক্সে নাম, ঠিকানা নাম্বার, লিখে মেসেজ করুন । আসন সংখ্যা সীমিত। * তারিখঃ আগামী- ৮ ই অক্টোবর, ২০২২ (শনিবার) * স্থানঃ গুলশান-১ (সময়, স্থান ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হবে), ঢাকা। * সময়ঃ সকাল ১১.০০ মিনিট এবং বিকাল ৩.টা * রেজিষ্ট্রেশন ফ্রি ( 01629607367 নাম্বারে ফোন করে আসন নিশ্চিত করুন) * বয়সসীমাঃ ১৮+ থেকে শুরু (নারী-পুরুষ সবাই অংশ নিতে পারেন)

সোনাগাজী প্রতিনিধি :
সোনাগাজীতে ভয়াবহ লোডশেডিং ও প্রচণ্ড গরমে একটি পোল্ট্রি খামারে ৮০০ ব্রয়লার মুরগি মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন খামার মালিক নজরুল ইসলাম পলাশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের মধ্যম সুজাপুর গ্রামের খুরশিদ আলম ভূঞার বাড়ির খামারে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিক ও এলাকাবাসী জানায়, নজরুল ইসলাম পলাশ গত বছর থেকে বাড়ির পাশে একটি খামারে ব্রয়লার মুরগি পালন করে আসছেন। গত দুই দিন বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রচণ্ড গরমের মধ্য ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে পুরো এলাকা। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে বিদ্যুতের জন্য বার বার ফোন দিয়ে কোনো সাড়া পাননি ওই খামার মালিক। প্রতিটি মুরগি প্রায় দেড় থেকে দুই কেজি ওজনেফর। বিকেল ৩টার দিকে মুরগিগুলো চোখের সামনে একে একে মারা যায়।
স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, পলাশ নতুন খামারি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্য ব্রয়লার পালনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন খামার মালিক তিনি। তার অনেক স্বপ্ন ছিল মুরগি পালনে। কিন্তু আজ তার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।
খামার মালিক নজরুল ইসলাম পলাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্ধিত মূল্যে পোল্ট্রি খাদ্য খাইয়ে লাভের আশায় মুরগিগুলো খামারে লালন-পালন করেছি। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে তার ৮০০ মুরগি মারা যায়। এতে তার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সামনের দিকে খামারটি পরিচালনা নিয়ে চোখে ঘোর অন্ধকার দেখছেন।
এ ব্যপারে সোনাগাজী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী সনৎ কুমার ঘোষ বলেন, গত দুই-তিন দিন যাবত জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ফেল করেছিল। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে চাহিদার তুলনায় ৪৪ শতাংশ বিদ্যুৎ পেয়েছি। এছাড়া ৩৩ কেভি ভোল্টেজের মধ্যে দশ কেভি ভোল্টেজে নেমে যায়। যার ফলে চাহিদা মোতাবেক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে।
মোঃ মহি উদ্দিন :
পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলমানদের দ্বিতীয় উৎসব। আর মাত্র কয়েক দিন পরেই উদযাপন করা হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।চাঁদ দেখা মাত্র চর্তুরদিকে গুঞ্জন চলছে কোরবানি নিয়ে।বাড়িতে বাড়িতে চলছে শরিকদারদের আলাপ আলোচনা। অনেকেরই মতে বেশি দামে ক্রয় করা যাবে না।তার পরেও জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। খামারিরা হচ্ছে বাজার মূখী।আরও কয়েক দিন সময় থাকায় বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা একটু কম।গতকাল ৩ জুলাই পরশুরাম উপজেলা সর্ববৃহৎ পশুর হাট পরশুরাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে বিপুল সংখ্যাক গরু দেখা গেলেও নেই তেমন ক্রেতা। দুই একটা বিক্রি হলেও দাম নিয়ে স্বস্তি ক্রেতারা। পরশুরাম বাজারে দেশীয় গরুর পরিমাণ বেশি দেখা যায়।অন্য দিকে গোখাদ্যের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এমনিতেই খামারিরা হিমশিম খাচ্ছে বলে জানান খামারীরা । দ্রুত বিক্রি করার জন্য আগ্রহ দেখা যায়। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন খামারী ফেনীর সময় কে জানান, গোখাদ্য দাম হিসেবে গরুর দাম তেমন নেই।এভাবে হলে ভবিষ্যতে খামারিদের সংখ্যা কমে যাবে। চাঁদ দেখা যাওয়ার পর অনেকের মাঝে আগ্রহ নিয়ে বাজারে আসতে দেখা যায়। তেমন বেশি গরু বিক্রি না হলেও দরকষাকষি করতে দেখা যায়। বিশ্ব মহামায়া করোনা পাদুর্ভাবের কারণে মানুষের হাতে তেমন টাকা পয়সা নেই। যারা আগের বছর লক্ষ টাকার উপরে গিয়ে গরু কিনতে দেখা গেছে বর্তমানে তাদের চাহিদা লক্ষ টাকার চেয়ে অনেক কম দামে গরু কিনার চিন্তা করছেন। ।বড় গরু চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। গতকাল পরশুরাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আবদুল হাই কুসুম লাল রঙের দুটি বড়ো ষাঁড় নিয়ে আসেন গোখাদ্য দাম বেশি থাকায় বেশী থাকায় বেশী লাভের আশা না করে ৪,১০,০০০ (চার লক্ষ দশ হাজার টাকা) টাকা বিক্রি করে দেন। তিনি বলেন লাভ তেমন না হলেও খরচ উঠে এসেছে। আল্লাহ বাঁচাইচে আমারে।আল্লাহ,আল্লাহ। হাটের ইজারাদার সুজন বলেন পশুর সংখ্যাক বেশি থাকলেও তেমন উপস্থিত নেই ক্রেতা।সন্ধায় পর্যন্ত ৫০/৬০ এর বেশির গরু বিক্রি হয় নি। খামারী জামাল উদ্দিন বলেন, গরু যে পরিমাণ দেখা যায় বেচা বিক্রি তেমন নেই । একসময় গরু বাজারে কিছু দালাল দেখা গেলেও বর্তমানে তেমন দালাল নেই বললে চলে। দালালের কারণে বাজার সরগরম দেখাযেত।বেশির ভাগ ক্রেতারা ঘুরাঘুরি করে চলে যায়।
এম শরীফ ভূঞা, আজকের সময় :
কোরবানির বাজার ধরতে প্রস্তুত নতুন কিছু ফেনীর বিভিন্ন উপজেলার উদ্যোক্তা ও খামারিরা। এ অঞ্চলের খামারিরা বলছেন, এবার যদি ভারত থেকে পশু না আসে, তাহলে লাভবান হবেন তারা।
ফেনীর ১০২ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার মধ্যে দুই স্থানে ৫৭৯ ও ৩৩৪ মিটার সীমানা অরক্ষিত। তবে ভারত থেকে যাতে দেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ বন্ধ থাকে, সে ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দাবি, অভ্যন্তরীণভাবেই ফেনীতে কোরবানি পশুর শতভাগ চাহিদা মেটান যাবে। অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৭৫ হাজার। আর এজন্য লালন-পালন করা হচ্ছে ৮১ হাজার ৯৮০টি পশু। এর মধ্যে ২৬ হাজার ১৭৪টি ষাঁড়, ৩২ হাজার ৭৬৩টি বলদ, ৮ হাজার ৩১০টি গাভী, ৩ হাজার ২৩০টি মহিষ, ১০ হাজার ৮৮৩টি ছাগল ও ৫৭৮টি ভেড়া।
চৌধুরী মুকুল বাবু নামে ফুলগাজীর এক উদ্যোক্তা বলেন, এবার প্রথমবারের মতো অল্পকিছু গরু নিয়ে খামার দিয়েছি। ঈদকে কেন্দ্র করে খাদ্য, ওষুধ ও শ্রমিকসহ অনেক টাকা পুঁজি খাটিয়েছি। বাজারে ভারত থেকে যদি গরু না আসে আশা করি ক্ষতির সম্মুখীন হবো না।
গো খাদ্যদ্রব্যসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ার পশু বিক্রয় করে লাভ নিয়েও শঙ্কা রয়েছে খামারিদের মধ্যে। এ প্রসঙ্গে আমান অ্যাগ্রো কমপ্লেক্সের সত্ত¡াধিকারী নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, খামারের যাবতীয় খরচের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে পুঁজি উঠবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। প্রতি কেজি খাদ্যে প্রায় ৩০ টাকার মতো বাড়তি গুণতে হচ্ছে। ঈদুল আযহায় এবার বিক্রয়ের জন্য তাদের ৮৫টি গরু প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে।
লাভের আশা থাকলেও আছে লসের শঙ্কাও। জানা গেছে, গো-খাদ্যের উচ্চ মূল্যের কারণে কিছুটা চিন্তা রয়েছে খামারিদের মনেও। অ্যামিটি অ্যাগ্রো এর পরিচালক সাইমুন মুসা বলেন, গত ২ মাস ধরে আগের দামের চেয়ে বাড়তি দামে খাদ্য কিনতে হচ্ছে। সে তুলনায় গরুর দাম না পেলে বড় লোকসান গুণতে হবে।
ফুলগাজী সূচনা অ্যাগ্রো ফার্মের সত্ত¡াধিকারী জাহিদুল ইসলাম ফয়সাল বলেন, গরুর খাদ্যদ্রব্যসহ অন্যান্য সামগ্রীর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। তারপরও স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলে অন্তত লোকসান গুণতে হবে না। ক্রেতা চাইলে খামারে এসে গরু কিনতে পারবেন। প্রয়োজনে এখন পছন্দ করে ঈদের আগে দাম পরিশোধ করেও নিতে পারবে বলেও তিনি জানান।
পরশুরাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ঈসমাইল হোসেন বলেন, উপজেলায় ৫ হাজার গরুর চাহিদা থাকলেও অতিরিক্ত যোগান আছে। ছাগলের চাহিদা হাজারের মতো থাকলেও বিপরীতে প্রায় পাঁচ শতাধিকের মতো সঙ্কটও রয়েছে।
উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে পশুর খাবার পরিবেশন পদ্ধতি, টিকাদান ও বিভিন্ন রোগবালাই সম্পর্কিত বিষয়ে প্রায় আড়াইশ লোককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। প্রতিমাসে মাঠ পর্যায়ে ৭ থেকে ৮টি উঠান বৈঠক হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন ঈসমাইল।
ফেনী-৪ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম আরিফুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে নিয়মিত টহলের সাথে বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে। অবৈধভাবে গরু প্রবেশ বন্ধে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বিএসএফের সাথে কথা হয়েছে। তাদেরকে এ বিষয়ে কঠোর হতে বলা হয়েছে।
নিরাপদ মাংস উৎপাদনে গবাদি পশু হৃষ্ট পুষ্টকরণ করতে খামারিদের নিয়মিত সহায়তা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আনিসুর রহমান। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন রোগের টিকা, খামারি প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহযোগিতা, কেমিক্যাল, হরমোন ও স্টেরয়েড সংক্রান্ত জনসচেতনতা তৈরি করতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া দফতরের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর রাখছেন।
জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আনিসুর রহমান বলেন, প্রায় ৬ হাজার ৯৩৮টি পশু চাহিদার অতিরিক্ত রয়েছে। এছাড়া অনেকে ব্যক্তিগতভাবে এক বা একাধিক পশু লালন-পালন করছেন। বাজারের সব পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তালিকাভুক্ত ৪ হাজার ৯২৬ জন খামারি আশপাশের জেলাগুলোয় পশু পাঠাতে পারবেন।