- 💻 কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ভর্তি চলছে! 💻
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলুন। বেকারত্ব দূর করুন এবং ফ্রিল্যান্সিং বা চাকরি বাজারে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করতে আজই ভর্তি হোন ভূঞা আইটি সেন্টার-এ।
🎯 আমাদের কোর্সসমূহ:
বেসিক কম্পিউটার কোর্স
গ্রাফিক ডিজাইন
ডিজিটাল মার্কেটিং
ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
প্রয়োজনীয় গাইডলাইন ও অভিজ্ঞ মেন্টরের তত্ত্বাবধানে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিতে আজই যোগাযোগ করুন।
👨💼 ব্যবস্থাপনা পরিচালক:
সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞা
📍 যোগাযোগের ঠিকানা:
শরীফ ভূঞা রেস্ট হাউজ, থানারহাট, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।
📞 মোবাইল : 01750-164502
#BhuiyanITCenter#ComputerTraining#Companiganj#Noakhali#ITtrainingCompany
উদ্যোক্তার কথা
স্টাফ রিপোর্টার, আজকের সময় :
দক্ষযুব গড়বে দেশ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলাধীন চান্দিনা উপজেলায় দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা (ইম্প্যাক্ট-) তৃতীয় পর্যায় ১ম সংশোধনী শীর্ষক প্রকল্পের সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা ও সম্প্রসারণে বায়ো গ্যাস প্রযুক্তি বিষয়ক ৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আশরাফুল হক।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব মো:ফরহাদ আলম খান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফয়সাল আল নূর সহকারি কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রওশন আরা, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবু জাফর, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নাসিমা আক্তার, উপজেলা সমবায় অফিসার জাহাঙ্গীর আলম।
অন্যান্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোস্তফা মো: রেজাউল বারি ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বায়োগ্যাসের বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তা এবং গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
আজকের সময় প্রতিবেদক, কুমিল্লা :
সোমবার চান্দিনা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইমপেক্ট তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম সংশোধনী শীর্ষ প্রকল্পের আওতায় বায়ো গ্যাস প্লান্ট স্থাপন বিষয়ক ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের যাতায়াত ভাতা ও উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশরাফুল হক উপজেলা নির্বাহী অফিসার চান্দিনা কুমিল্লা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফয়সাল আল নূর সহকারী কমিশনার (ভূমি) চান্দিনা কুমিল্লা।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: ফরহাদ আলম খান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ইকবাল হাসান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু জাফর, উপজেলা দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা সালামত উল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা প্রতিভা রায়, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাসিম আক্তার, সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল বারি, হাবিবুর রহমান সহ সকল প্রশিক্ষনার্থী বৃন্দ।
উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম সরকার, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কুমিল্লা।
Special Correspondent, Ajker Somoy :
I am a Shahid Ullah ( Mokter) youngest son of Late Mohammad Ruhul Amin ( Master) & Late Moriom Begum , Udrajpur, 9 no ward , Dagonbhuiyan poroshova ,Feni , Bangladesh SSC -1994 batch in Ataturk Govt Model High School , HSC – 1996 Noakhali University college , B.com (pass ) 2000 Under National University MSS P-1 Economics in Dhaka College -2001 Under National University ; MSc Financial Management) University of East London, UK . CFA ( Chartered Financial Analyst ongoing ,Virgina, USA , Gold Standard global Professional Finance & Investments degree) hopefully PHD candidate one of the UK top University named Imperial College London & I am going to start Undergraduate & Postgraduate Program in private University in DAGONBHUIYA , Feni , Bangladesh on my late mother name ( Moriom ) . We will be following University of London ( Business School & Law School & computers and Information Technology)in sha Allah. Teacher will be from UK , USA , Dhaka University Chittagong University, Rajshahi University, BRAC University, North South University, Jahangirnagor University,etc Postgraduate of Business & law & Computers as well asInformation Technology faculty . Some one from public University retired Vice-Chancellor will be Vice- Chancellor, I will be the Trusty Broad Chairperson. In Sha Allah. Ameen. Proposed University name: Moriom , University of Business, Law & Information Technology ( MUBLIT )
আজকের সময় প্রতিবেদক :
এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড এজিএম পদ অর্জন করে কোম্পানীর পক্ষ থেকে নেপাল ভ্রমণ করলের ইউসুফ অপু।
ফেনী থেকে ৩ জন ও সারাবাংলাদেশের ৪৪ জনের গ্রুফ ২৩ জানুয়ারি রওনা করে ২৬ জানুয়ারি দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
নিরাপদে ফিরে আসতে ইউসুফ অপু সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন।
এম শরীফ ভূঞা, ফেনী :
ফেনীর দাগনভূঞায় প্রথমবারের মতো প্রথমবারের মতো চার রঙের ফুলকপি চাষ তিনগুণ লাভ করেছেন হাসান আহম্মেদ। ইতিমধ্যে তিনি ২০ হাজার টাকা পুঁজি ব্যয় করেছেন ফুলকপি চাষে।
দাগনভূঞা উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা লুৎফল হায়দার রুবেল জানান, রঙিন ফুলকপির জন্য বাড়তি কোনো পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। রঙিন ফুলকপিতে পোকার কোনো আক্রমণ নেই। তাই কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। ফলে সবজি বিষমুক্ত রাখা সম্ভব হয়। এই কপি অনেক ভালো সেদ্ধ হয় এবং স্বাদও অনেক।
জানা যায়, দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রামের হাসান আহম্মেদ ২০১৪ সালে ভারতের ব্যাংলোর থেকে কম্পিউটার সাইন্সে বিএসসির পাঠ চুকিয়ে বাড়ি ফিরে আইটি ব্যবসা শুরু করেন। পাঁচ বছর আগে পরিবারের চাহিদা মেটাতে তিনি বাড়ির পাশে সবজি চাষের মাধ্যমে কৃষির প্রেমে পড়েন। এ বছর ঢাকা থেকে দেড় হাজার রঙিন ফুলকপির বীজ সংগ্রহ করে বাড়ির পাশে ৩৩ শতাংশ জমিতে বেগুনি ও হলুদ রঙের ফুলকপির চাষ করেন। এতে বীজ, সেচ, জৈব ও রাসায়নিক সারের খরচ বাবদ প্রতি কপিতে ব্যয় হয়েছে ১৫ টাকা। রঙিন ফুলকপির ব্যাপক চাহিদা থাকায় জমিতেই প্রতি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। প্রতিটি কপির ওজন হয়েছে দেড় থেকে ২ কেজি। এরই মধ্যে ৮০০ কপি বিক্রি করে পেয়েছেন ৮৫ হাজার টাকা। দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন অনেক কৃষক আগ্রহ নিয়ে নতুন এই ফুলকপি দেখতে আসছেন। অনেকেই আগামীতে এই কপি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
কৃষি উদ্যোক্তা হাসান আহম্মেদ বলেন, কৃষি প্রজেক্ট শুরুর পর রঙিন ফুলকপি চাষে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছি। মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে আমার সবজি বাগানে। দূর- দূরান্ত থেকে প্রতিদিন অনেক কৃষক আগ্রহ নিয়ে নতুন এই ফুলকপি দেখতে আসছেন। অনেকেই আগামীতে এই কপি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অর্গানিক ভেজিটেবল পেইজে অনলাইনে মার্কেটিং করার পর জমিতেই বিক্রি হচ্ছে সবজি, আড়তে বা খুচরা বাজারে নিতে হচ্ছে না। এবারের অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামীতে ব্যাপক আকারে রঙিন ফুলকপি আবাদের পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো কৃষক সহায়তা চাইলে সব ধরনের সহায়তা করব।
ফেনীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মোহাম্মদ একরাম উদ্দিনের নেতৃত্বে জেলা ও উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা নতুন জাতের রঙিন ফুলকপির মাঠ পরিদর্শন করে উদ্যোক্তার সঙ্গে তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, গতানুগতিকের বাইরে নতুনের প্রতি ভোক্তাদের আকর্ষণ বেশি, তাই লাভও অধিক।
দাগনভূঞা ইয়ুথ সোসাইটির প্রকাশনা সম্পাদক এটিএম আতিকুল ইসলাম জানান, বেকার যুব সমাজ কৃষিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বনির্ভর হওয়া এখন যুগোপযোগী দাবি।
জগতপুর গ্রামের কৃষক মো. ইব্রাহিম বলেন, আগামী বছর আমিও এ রঙিন ফুলকপি চাষে আগ্রহী। এ জাতের বীজ জেলা পর্যায় পাওয়া গেলে তবে আমিও রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করব।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ফেনী জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা নয়ন মনি সূত্রধর বলেন, রঙিন ফুলকপির মধ্যে বিটা ক্যারোটিন এবং এন্টি অক্সডিন্টে থাকার কারণে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুলফিকার জানান, আগামীতে এই কপির চাষাবাদ বাড়াতে কৃষককে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে। এ জাতের কপি রোপণের ৮০-৮৫ দিনের মধ্যে বিক্রি করা যায় এবং সাধারণ কপির মতোই চাষাবাদ করতে হয় শুধু জৈব সার প্রয়োগ করে।
এম শরীফ ভূঞা, ফেনী :
চলতি মৌসুমে ফেনী জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে কুল বাগান বেড়েছে। পরিকল্পিত বাগান, বাড়ির আঙিনা ও ছাদ বাগানে এর চাহিদা বেড়েছে। এ মৌসুমে উৎপাদন হবে এক হাজার মেট্রিক টনের বেশি কুল, যার বাজার মূল্য অর্ধকোটি টাকার বেশি। এটি এ জনপদের জন্য আশার আলো মনে করছেন স্থানীয়রা।
ফেনীতে বাণিজ্যিকভাবে প্রসার হচ্ছে পুষ্টিকর ফল কুলের আবাদ। ভরা মৌসুমে কাঁচা-পাকা কুলে থোকায় থোকায় ভরে গেছে বাগানের গাছগুলো। বলসুন্দরি, কাশ্মীরি ও টক-মিষ্টি কুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় জেলায় ছোট-বড় বাগান গড়ে উঠেছে। এর আগে অন্য জেলার কুল এ অঞ্চলের চাহিদা মেটালেও এবার ফেনীর উৎপাদিত কুলের চাহিদা বেড়েছে। অল্পসময়ে লাভজনক হওয়ায় কৃষক ও শিক্ষিত বেকার যুবকরা ঝুঁকছেন ফলটি চাষে।
জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে জেলায় কুলের আবাদ হয়েছিল ৮৬ হেক্টর জমিতে। তখন ফলন এসেছিল ৯৩৮ মেট্রিক টন। চলতি ২০২৩-২৪ মৌসুমে ৯০ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার ৮০ মেট্রিক টন।
উপজেলা উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মতিউর রহমান মানিক জানান, প্রতিকেজি কুল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকায়। লক্ষ্যমাত্রার আলোকে উৎপাদন হলে বাজার দাঁড়াবে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেশি।
জেলা সদরের কালিদহ ইউনিয়নের কালিদাস পাহালিয়া নদী তীরের কে পাহালিয়া অ্যাগ্রো পার্কে ১০ একর জমিতে এক হাজারের বেশি গাছের বাগান করেছেন স্থানীয় কয়েকজন উদ্যোক্তা। বিগত বছর তারা ১০ লক্ষাধিক টাকার কুল বিক্রি করলেও এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। বাগানটির উদ্যোক্তারা জানান, নদী পাড়ের পরিত্যক্ত খালি জমিকে কাজে লাগিয়ে তারা বাগানটি করেছেন এবং ফলনও মিলছে ভালো। উদ্যোক্তারা জানান, দুই বছর মিলিয়ে ২৫ লক্ষাধিক টাকার ফলনের আশা করছেন তারা।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব জানান, যেসব জমিতে ধান-সবজি হয় না কিংবা পতিত, সেসব জমিকে কাজে লাগিয়ে কুলের বাণিজ্যিক আবাদ করা যায়। এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে।
দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের প্রশিক্ষণ সম্পাদক এটিএম আতিকুল ইসলাম জানান, বাগানে এসে নির্ভেজাল পুষ্টিকর বিভিন্ন রং ও স্বাদের কুল পেয়ে উচ্ছ্বাসিত। উৎপাদিত এসব কুল বাজারে নিতে হয় না। দূরদূরান্ত থেকে ক্রেতারাই বাগানে এসে কিনে নিয়ে যেতে দেখলাম, আমরাও দেখতে এসে নিলাম। বাজারের কুলের চাইতে বাগানের এসব কুল তাজা, স্বাদও বেশি।
আজকের সময় রিপোর্ট :
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস নেটওয়ার্ক ডিরেক্টর নাজরাতুন নাঈম ৯ ডিসেম্বর পোল্যান্ড সরকারের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রনে বিজনেস কনফারেন্সে যোগদানের জন্য ডেনমার্ক হয়ে পোল্যান্ড গেছেন।
তিনি পোল্যান্ড থেকে জার্মানি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও ইতালি হয়ে ১৮ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে ফিরবেন। নিরাপদে ফিরে আসতে তিনি সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।
আজকের সময় প্রতিবেদক :
সামাজিক সংগঠন ফিউচারাইজার্স ইয়ুথ ওমেন স্যোশাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে ভ্যান উপহার পাচ্ছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোদালিয়া ফকিরাজারের মোঃ নুরুল হক। সংগঠনের স্বাবলম্বী প্রজেক্টের আওতায় তাকে এ ভ্যান উপহার দেয়া হচ্ছে। মটরচালিত ভ্যান পেয়ে নুরুল হকের দিন বদলে যাবে, স্বনির্ভর হবে একটি পরিবার।
জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের কোদালিয়া ঈদগাহ প্রাঙ্গনে ২৮ জুন বুধবার তার হাতে এ ভ্যান তুলে দেয়া হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন সিঙ্গাপুর আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: ফয়েজ উল্যাহ ভূঁইয়া। বায়োস্কপ ইভেন্টস্ এন্ড ট্যুরিজম লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাখাওয়াত উল্যাহ শান্ত ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় ও দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি সিঙ্গাপুর প্রবাসী বেলায়েত হোসেন ভূইঁয়া, ফেনী সাংবাদিক ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এম শরীফ ভূঞা, ইউনিয়ন যুবলীগ সহ-সম্পাদক নুর আলম দুলাল, সময়ের গর্জন সম্পাদক আরিফুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি জাহিদুল আলম রাসেল প্রমুখ।