মোঃ আলাউদ্দিন লিংকন, স্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট পূর্ব বাজার দারুল আযহার হিফয মাদ্রাসা অভিভাবক সমাবেশ ও হাফেজ ছাত্রদেরকে সবক পাগড়ী ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মাদ্রাসার প্রাঙ্গনে বুধবার সকালে অনুষ্ঠানে মাওলানা মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান এর নেতৃত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন হযরত মাওলানা হাফেজ আব্দুর রহমান সাহেব (মুহতামিম, নাজিরপুর ইসলামিয়া মাদ্রাসা, নোয়াখালী।)
আমন্ত্রিত মেহমান হযরত মাওলানা মুফতী নুরুল ইসলাম, পরিচালক, জামিয়া আমানিয়া মাদ্রাসা সেনবাগ,
হযরত মাওলানা মুফতি ইউসুফ কাসেমী, পরিচালক আশ্রাফুল উলুম মাদ্রাসা দাগনভূইয়া, হাফেজ মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক দারুল কুরআন ইন্টারন্যশনাল হিফজ মাদ্রাসা নোয়াখালী, হযরত মাওলানা আশরাফ আলী দিদার, মহাসচিব নুরানী তালীমুল কুরআন বোর্ড চটকিবাড়ী নোয়াখালী।
মাদ্রাসার পরিচালক নিজামুদ্দিন বলেন প্রতিটি মুসলামকে দ্ধীনি শিক্ষা অর্জন করা প্রতিটি মুসলমানদের জন্যে ফরজ।
মোহাম্মদপুর ইউপির সদস্য কাজী জহিরুল ইসলাম মাসুদ বলেন যারা মুসলমানদের মাদ্রাসা দ্ধীনি শিক্ষার ব্যপারে কুচক্র করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।
কাদরা ইউপির সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা ইমাম উদ্দিন সহ আরো অনেকই অত্র প্রতিষ্ঠানের ৪ জন ছাত্রকে পাগড়ি এবং ১০ জনকে সবকের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ করে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক (চ.দা) মো. নুরুল হুদা জানান, বছর বছর সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগকে জানিয়েও এ বিষয়ে কোনো সুরাহা হয় না। পিডিপি ৩ এর যে ভবনটি আছে তা বর্ধিত করার জন্যও বারবার আবেদন করা হয়েছে। তাতেও কোনো সমাধান মিলছে না। সিঁড়িরুমেও ক্লাস করাতে হয় আমাদের। স্কুলে শ্রেণীকক্ষ আছে সাকুল্যে ৪টি, শিক্ষার্থী আছে তিন শতাধিক। দুই শিফট করেই শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষে ঠিকমতো জায়গা দেওয়া যায় না। স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে শির্ক্ষাথীদের পাঠদানেও বিঘœ ঘটে। কক্ষগুলো আকারে ছোট।

শহিদুল ইসলাম, ফেনী :
লোগো উন্মোচন উপলক্ষে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফেনী সরকারী কলেজ অডিটোরিয়ামে সভায় মিলিত হয়।
অধ্যাপক ড. মো. জামালউদ্দীন আহমদ ১৯৫৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে রসায়নে স্নাতক এবং ১৯৭৭ সালে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি প্রভাষক হিসেবে তার শিক্ষকতাজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করেন।
সংবাদদাতা :
আজকের সময় প্রতিবেদক :
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
এরপরে বন্ধুদের ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার নেহারী, চাপাতি রুটি, নানরুটি, পরটা বিভিন্ন সবজি ও গরম গরুর দুধের চা দিয়ে বন্ধুদের অপ্যায়ন করা হয়।