দাগনভূঞা প্রতিনিধি, আজকের সময় :
দাগনভূঞা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন বিজয়পুর ফাউন্ডেশনের প্রবাসী সদস্যদের সংবর্ধনা দিলো স্থানীয় আয়োজক বৃন্দ। মঙ্গলবার সকালে ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দুধমুখা বাজারস্থ ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে দেশীয় প্রতিনিধিবৃন্দ প্রবাসী নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন৷ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কোরবান আলী রিপনের স্ত্রীর অসুস্থতা সহযোগিতার মানবিক অনুদানের ৩০ হাজার টাকা হস্তান্তর করেন অতিথিবৃন্দ।
বিজয়পুর ফাউন্ডেশন স্থায়ী কমিটির সহ-সভাপতি আবু তাহের ওয়াসিম এর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইমাম হোসেনের সঞ্চালনায় সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের কার্যকরি কমিটির সদস্য আবু সায়েম রবিন, সফি উল্যাহ চৌধুরী, আবু নাছের, কামাল উদ্দিন, আরব আমিরাত শাখার নির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান, কাতার শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল হালিম, সৌদি আরব শাখার উপদেষ্টা আজিজুল হক, উপ-প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ কবির হোসেন, বিজয়পুর ইসলামিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সেক্রেটারি আবদুর রাজ্জাক শিমুল, ইউপি সদস্য ইসমাঈল ক্বারী, ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
শেষে আয়োজকবৃন্দ সংবর্ধিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রধান করেন।
দাগনভূঞা
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
দাগনভূঞা উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকাল ১০ টায় অত্যান্ত সুশৃংখলভাবে যথাসময়ে উপজেলার ৭ টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়।
বৃত্তি পরিচালনা কমিটি নেতৃবৃন্দ জানান, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৩১ টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় দাগনভূঞা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন, এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি জমির বেগ সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ ইউসুফ মিয়াজী জানান, দাগনভূঞা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাত টি কেন্দ্রে প্রায় ১৩ শ’ শিক্ষার্থী আনন্দঘন পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া আজাদ অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বৃত্তি পরিচালনা সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। আগামীতে আরো বৃহৎ পরিসরে বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের আশা ব্যক্ত করেন।
Ajker somoy Desk Report :
মুক্তিযুদ্ধের সন্মুখ রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমেরিকার ইলিনয়স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড, বাকের আহমদ ছিদ্দিকী আমেরিকার শিকাগোতে লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪শে অক্টোবর ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজেউন)। ২৫শে অক্টোবর, বুধবার বাদ যোহর নামাজে জানাজা শেষে সেখানে দাফন করা হয়।
ফেনীর দাগুনভুইয়ার কৃতি সন্তান ড, বাকের আহমদ ছিদ্দিকী ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ভারতের ত্রিপুরার হরিণা মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন এবং পরবর্তীতে তানদুয়া দেরাদুন মিলিটারি একাডেমি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে তিনি গেরিলা যুদ্ধে প্রশিক্ষণ নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের ফ্রন্টে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে। চট্টগ্রামের মরহুম এ,বি,এম মহিউদ্দীন চৌধুরী ছিলেন ঐ বাহীনির কমান্ডার। বিজয়ের মাসে পার্বত্য চট্টগ্রাম মুক্ত করে বীরের বেশে ফিরে আসেন।
স্কুল জীবন চট্টগ্রামের পাহাড়তলী রেলওয়ে হাইস্কুলে, ছাত্র জীবন থেকে উনি খুবই মেধাবী ছিলেন, স্বাধীনতার পর চট্টগ্রামে স্কুল ও কলেজ জীবন শেষ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ইকোনোমিকস এ অনার্স পাশ করে কিছুদিন সেখানে শিক্ষাগতা করে উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডা যান এবং ১৯৮৭ সাল থেকে অবসরের পূর্ব পর্যন্ত উনি আমেরিকার ইলিনয়স ইউনিভার্সিটির ইকোনোমিকস ডিপার্টমেন্টের প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। এই দেশপ্রেমিক আজ পর্যন্ত সরকারের মুক্তিযুদ্ধের কোটা বা ভাতার কোন সুযোগ সুবিধা নেননি।
উনার দু’ ছেলে, দু’ মেয়ে। তারা সবাই উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে বিয়ে করে বর্তমানে আমেরিকাতেই কর্মরত। তিনি ৬০ দশকের ছাত্রনেতা, ডাকসুর ভিপি, ছাত্রলীগের সভাপতি ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশীর ছোট ভাই ও সাবেক অর্থ মন্ত্রীর সাইদ উজ্জামান এর ছোট ভগ্নীপতি। পিতা মওলানা ছিদ্দিকুর রহমানের ৭তম সন্তান। তিনি প্রতি বছরই দেশে এসে কয়েক মাস থেকে ফিরে যেতেন।
সোহেল, দাগনভূঞা :
সারা দেশের ন্যায় দাগনভূঞা নিরাপদ সড়ক চাই এর উদ্বেগে ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়। আইন মেনে সড়কে চলি স্মার্ট বাংলাদেশ গডি এ প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সড়ক দুর্ঘটনায় রোধে রবি বার নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা শাখা সমাবেশের মাধ্যমে এ দিবস টি পালন করে উক্ত রেলী ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা মাইক্রো- কার মালিক সমিতির সভাপতি আজিজিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি নুরুল হুদা হুদন,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নিরাপদ সড়ক চাই কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দাগনভূঞা শাখার উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যাংকার, সংগঠক,সমাজ সেবক মিজানুর রহমান হিরো, দাগনভূঞা ব্লাড ডোনেশন সোসাইটি ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আল মামুন, বাজার ব্যবস্হাপনা কমিটির সদস্য সচিব ইফতেখার শিবলু, আজিজিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফারুক মজুমদার, নিজাম উদ্দিন সহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃ বিন্দু উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা উপজেলা শাখা সভাপতি দ্বীন মোহাম্মদ, পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সোহেল। অনুষ্ঠান শেষে আজিজিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্র ছাএীদের মাঝে সচেতন মুলক লিফটে বিতরণ করা
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা শাখা উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনায় রোধে দাগনভূঞা সুধী সমাজের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় উক্ত মত বিনিময় সভা নিরাপদ সড়ক চাই দাগনভূঞা শাখার সভাপতি দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সোহেল এর পরিচলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিবেদিতা চাকমা,
নিরাপদ সড়ক চাই এর মহাসচিব লিটন এরশাদ, দাগনভূঞা ওসি তদন্ত রাশেদুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার কামাল উদ্দিন,
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিন মুন্সি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম আজাদ হোসেন, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আর টিভির ফেনী প্রতিনিধি আজাদ মালদার, দাগনভূঞা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান হিরো প্রমূখ। উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন
শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি, ইমাম কমিটির প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সভাপতি /সম্পাদক বাজার কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক, পরিবহন নেত, শ্রমিক নেতা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে পরে অতিথি বৃদ্ধ নিরাপদ সড়ক চাই এর দাগনভূঞা উপজেলা শাখার কার্যালয় পিতা কেটে উদ্বোধন করেন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সহ সকলের জন্য দোয়া করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
প্রবাসীর স্বপ্ন আমাদের অঙ্গীকার, সমাজ পরিবর্তনে এগিয়ে যাবে দূর্বার এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছসেবী যুব সংগঠন হিসেবে অনুমোদন লাভ করেছে ইয়াকুবপুর প্রবাসী ফোরাম।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফেনীর উপ পরিচালক (অ:দা:) আহমেদ কবির মজুমদার এ অনুমোদন দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহ-পরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ, উচ্চমাস সহকারি মজিবুর রহমান প্রমুখ।
সোমবার সকালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালক কার্যালয়ে দেশীয় সমন্বয়ক সম্পাদক এম শাহজাহান সাজুর হাতে নিবন্ধন পত্র তুলে দেন।
ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা এনামুল কবির রুবেল, প্রধান সমন্বয়ক নুরুল হুদা হুদন, নির্বাহী কমিটির সভাপতি সহিদ উল্যাহ, সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে আরো বেশি কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
আলোকিত সমাজ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন দাগনভূঞা ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে ২০২৩ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ (এ+) প্রাপ্তদের সংবর্ধনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবর্ধনা দেয়া হবে বলে জানান সোসাইটির সভাপতি গোলাম সরওয়ার।
এসএসসি মার্কশীট ও ছবি জমা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরন করার আহবান জানান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ।
২০ অক্টোবরের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জেলা প্রশাসককে প্রধান অতিথি করে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হবে বলে জানান অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মারুফ।
প্রবাসী ব্যবসায়ী নেতা এ.কে আজাদ ফেনী-৩ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী
বিশেষ প্রতিনিধি, আজকের সময় :
সংযুক্তআরব আমিরাতের দুবাইয়ে একজন বাংলাদেশীর মালিকানাধীন কোম্পানী “নেফলেক্স গ্রুপ” সুপরিচিত একটি নাম। আর এই বিজনেস গ্রপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এ.কে আজাদের পরিচিতিও স্ব-মহিমায় উজ্বল। তিনি শুধু দুবাইয়ের ব্যাবসায়ীগণের মাঝে পরিচিতিপ্রাপ্ত একজন ব্যাক্তি বিষয়টি এমন নয়। তিনি এখানকার ব্যাবসায়ী সমাজের কাছে যেমনি সুনামের কারনে খ্যাতি পেয়েছেন তেমনি এখানকার বাংলাদেশী কমিউনিটিরও তিনি একজন নেতা। দুবাইয়ের আরব ব্যাবসায়ীগণও তাঁকে চিনেন জানেন এবং সম্মানের চোখে দেখেন। এ.কে আজাদের সফলতার গল্প প্রবাসী ব্যাবসায়ী ও বাংলদেশ কমিউনিটির গন্ডি পেরিয়ে আজকাল চলে গেছে আন্তর্জাতিক মিডিয়াঙ্গনেও। আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘সামা টিভি’ তাঁর বর্ণাঢ্য-ব্যাবসা সফলতার আদ্যপান্ত নিয়ে সাত মিনিটের একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছিলো। যার ফলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বড় বড় ব্যাবসায়ীগণের কাছে যে নাম দুটি অতি দ্রুত পৌঁছে যায় তাহলো ‘নেফলেক্স গ্রুপ’ এবং এর সফল কর্ণধার এ.কে আজাদ। বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায় এ.কে আজাদের মালিকানাধীন ‘নেফলেক্স গ্রুপ’ এর রয়েছে বেশ কয়েকটি সিস্টার কনসার্ণ। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ মিলিয়ে নয়টি দেশের নাগরিকরা। নেফলেক্স গ্রুপ মুলত: অটো ইন্ডাস্ট্রি বেইজড কোম্পানী। বিশ্ববিখ্যাত দামী দামী মোটর গাড়ীর কালেকশানের জন্যে দুবাইতে নেফলেক্স গ্রুপ সমাদৃত একটি নাম। যে কোম্পানীর শো-রুমগুলোতে শোভা পাচ্ছে রোলস রয়েস, মার্সিডিজ বেন্জ, ফোর্ডসহ অন্যান্য ব্রান্ডের বিলাসী গাড়ীর সমারোহ। তাই আমিরাতের ধনী আরব নাগরিক ও বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের গাড়ী ক্রয়-বিক্রয় ও আন্তর্জাতিক মানের অটো সার্ভিসের একটি বিশ্বস্ত নাম মানেই নেফলেক্স গ্রুপ।
দুবাইয়ের এ তারকা ব্যাবসায়ী এ.কে আজাদ বলেন; তাঁর ব্যাবসায়ীক বিশাল স্বপ্ন-সাম্রাজ্য একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এটি তাঁর তিলতিল করে সন্নিবেশ করা শ্রম মেধা ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের সম্মিলিত এক সাফল্যগাঁথা। এ সফলতার পেছনেও রয়েছে জীবনের নানা চড়াই-উৎরাই। অনেক পাওয়া নাপাওয়ার অতীত গ্লানি এবং ছোট ছোট ব্যর্থতা দেখে শিক্ষা নিয়ে এগুনোর অদম্য স্পৃহা মিশ্রিত আছে এ সাফল্য-সূধায়।
দেখতে শুনতে মনে হয়না বয়স তাঁর সাতচল্লিশের কোঠায়! মনে হয় যেনো দুরন্ত কৈশোর পার হলেন মাত্র। অত্যন্ত পরিশ্রমী ও আত্মপ্রত্যয়ী এ.কে আজাদ বলেন “তিনি এখনো দৈনিক ষোল ঘন্টা একাধারে ব্যাবসায়ীক কাজে ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করেন। যেহেতু পরিশ্রমই ছিলো তাঁর সফল হওয়ার মুলমন্ত্রের একটি, তাই তিনি এই মন্ত্র প্রতিদিন ছায়ার মতো সাথে রাখতে চান। একটু প্রাণবন্ত হাসি দিয়ে জানালেন তাঁর প্রবাসে কর্মজীবন দুই যুগের বেশি সময়কাল ধরে তাই জীবনের গল্পটাও একদম ছোট নয়। ছাত্রজীবনে মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই লক্ষ্য ছিলো বিদেশে গিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করবো। সে লালিত স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৯৫ সালে এইচএসসি পাশের পর ১৯৯৬ সালে আমি পড়াশুনা করতে পাড়ি জমিয়েছি ইংল্যান্ডে।”
সেখানকার মিডল সেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বিবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীকালে ভারতের জয়পুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৯৯ সালে তিনি আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আসেন। তিনি প্রত্যক্ষ করেন মধ্যপ্রাচ্যের ইউরোপ খ্যাত দুবাইয়ে অটো ইন্ডাস্ট্রি খাতের ভবিষ্যতে রয়েছে একটি বিশাল সম্ভাবনা। তাঁর মাথায় তখন থেকেই
অটো ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন বুনন শুরু হয়। তারপর তিনি ধীরে ধীরে নিজেকে নিয়োজিত করেন তাঁর স্বপ্ন বিনির্মানের ইস্পাত কঠিন যুদ্ধে। মনিষীর স্মরনীয় বাণী আছে ; মানুষ ঘুমিয়ে যে স্বপ্ন দেখে তা স্বপ্ন নয়, যে স্বপ্ন মানুষকে ঘুমুতে দেয়না সেটিই সত্যিকারের স্বপ্ন। কর্মজীবনে তেমনি এক নির্ঘুম স্বপ্ন দেখেছিলেন এ.কে আজাদ। তাঁর দেখা আত্ববিশ্বাসের সেই সোনালী স্বপ্নরেখা আজ পরিনত হয়েছে ব্যাবসার আলোকিত তারকাপুন্জে। একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় বাংলাদেশে জন্ম নেয়া তারকাটি আজ পুন্জিভুত আলো ছড়াচ্ছে আরবের ব্যাবসায়ীক আকাশজুড়ে। সফল ব্যাবসায়ী হিসেবে তিনি দেশে বিদেশে পেয়েছেন অনেক সম্মাননা। সফলতার মুকুটে পালক হিসেবে যুক্ত হয়েছে সিআইপি’র সম্মান। প্রবাস থেকে রেমিটেন্স পাঠানোর স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার থেকেও পেয়েছেন এওয়ার্ড।
এ.কে আজাদের পুরো নাম আবদুল কাশেম আজাদ। তার জন্ম ফেনী জেলার দাগনভুঞা উপজেলার সিন্দুরপুরের সেকান্তর পুর গ্রামে। তার বাবার নাম আলহাজ্ব ইসরাফিল মিয়া।
আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে স্বনামধন্য ব্যাবসায়ী এ.কে আজাদকে নিয়ে গর্ব করেন তাঁর এলাকার মানুষজন। স্থানীয়রা তাঁকে জানেন একজন সাদা মনের মানুষ হিসেবে। এমনকি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষজন তাঁকে পরম আত্মীয় মনে করেন। কারণ এ.কে আজাদ তাদের বিপদে আপদে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন অত্যন্ত গোপনে। এছাড়াও তিনি প্রকাশ্যে এলাকার নানাবিধ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এলাকার প্রবীনগণ তাঁকে যেমন স্নেহ করেন তেমনি যুবসমাজের মাঝেও তুমুল জনপ্রিয় এ মানুষটি। এলাকার তরুন সমাজ যখনি তাকে পাশে পান অন্যরকম এক ভালোবাসা ও আন্তরিক সম্মানে জড়িয়ে রাখেন। এলাকার অধিবাসীগণ এ.কে আজাদের মানবীয় গুনাবলী দেখে, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ দেখে ও সামাজের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে তাঁর আন্তরিক অবদানকে মুল্যায়ন করে তাঁর প্রতি ভালোবাসার প্রতিদান স্বরুপ তাঁদের আগামীর জন-প্রতিনিধি করার ইচ্ছা রেখেছেন। সেকান্তরপুর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা তাঁদের এ আশা-আকাংখার কথা জানিয়ে বলেন। রাজনীতির চলমান এ দূঃসময়ে এ.কে আজাদের মতো একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ কর্মীকে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন দিলে সাধারণ জনগণ খুশি হবে। প্রিয় নেত্রীর কাছে আমাদের প্রাণের দাবি এটি।
সাবেক স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা দুবাই প্রবাসী ইকবাল হোসেন বলেন; “এ.কে আজাদ ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন। মুজিব আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর তিনি উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্যে যুক্তরাজ্য যান। শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি দুবাইয়ে ব্যাবসা বাণিজ্য শুরু করে এখানেই তিনি প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি পৃথিবীর যেখানেই গেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করেছেন হৃদয় দিয়ে। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদ,দুবাই-এর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আওয়ামীলীগের সকল দলীয় কর্মসূচী ও বাংলাদেশের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানগুলো প্রবাসের মাটিতে সুন্দরভাবে আয়োজনে তিনি অগ্রনী ভুমিকা রাখেন। এছাড়াও এখানকার প্রবাসী বাঙালীদের সুখ দূঃখে যে কোনো প্রয়োজনে তিনি পাশে থাকেন। বাঙালী কমিউনিটির মাঝে সৌহার্দ্য, ভাতৃত্ববোধ ও দেশপ্রেম জাগরুক রাখার লক্ষ্যে প্রবাসীদেরকে সাথে নিয়ে নিজ শ্রম-ঘাম ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে তিনি সবসময় আন্তরিকভাবে নিবেদিত থাকেন।
ইকবাল হোসেন আরো জানান
“শুধু প্রবাসে নয় একজন নিভৃতচারী ও প্রচার বিমুখ ব্যাক্তিত্ব এ.কে আজাদ বাংলাদেশে তাঁর নিজ এলাকায় দলীয় ও সাংগঠনিক যেকোনো কর্মকান্ডে পরামর্শ প্রদান ও আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজ অবদান রেখে চলেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি তাঁর এসব অবদান অব্যাহত রাখবেন এ বিশ্বাস রাখি।”
এলাকার মানুষের মধ্যে আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে নিয়ে নানা আলোচনা ও গুন্জনের বিষয়ে প্রবাসী শিল্পপতি এ.কে আজাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করে বলেন; “এলাকার মানুষজন আমাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসেন এটি আমার জীবনের অন্যান্য অর্জনগুলোর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। আমার এলাকার সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসেন বিধায় আমিও যতোদিন বাঁচি তাদের ভালোবাসার বৃত্তবন্ধি থাকবো এ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। তাঁদের স্বত:স্ফুর্ত আকাংখার প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। আমার প্রিয় এলাকাবাসীর এ আশা পুরণ করতে আমার দল তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন এবং আমার প্রিয় জেলা ফেনীর আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ আমার পাশে থাকেন তবে ফেনী-৩ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্যে আমিও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করবো ইনশাআল্লাহ।