ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কের পাঁচগাছিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় ট্রাকচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও চারজন। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রাকটি ছিল নোয়াখালীমুখী আর অটোরিকশাটি ছিল ফেনীমুখী।
নিহত দুজন হলেন- অটোরিকশাচালক আবুল হোসেন শাকিল (১৮) ও জেসমিন আক্তার (৫৫)। আহতরা হলেন- জেসমিন আক্তারের দুই মেয়ে জান্নাতুল আফরান (৩০) ও জান্নাতুল ফেরদৌস (১৮), রাজীব চন্দ্র দাস (৩০), তরিকুল ইসলাম (২২)।
২৫০ শয্যা ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে তরিকুল প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। অপর আহতদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মহিপাল হাইওয়ে থানার পরিদর্শক (ওসি) আবদুস সামাদ জানান, এ ঘটনায় অটোরিকশার চালক ও এক নারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন।
aadmin

It was not said
rokeya Rahman Keya
The mind was like a child
looks like a flower,
After getting everything, he became selfish.
Don’t do it and love is ugly,
His name is formalin poisoned body.
You have not lived for a long time, what a virtue
If you are a white minded person, you will be rich.
rokeya Rahman Keya, Arizona, America.
ফেনী প্রতিনিধি :
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ফেনীতে জেলা যুবদলের উদ্যেগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ফেনী জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক নঈম উল্যাহ চৌধুরী বরাতের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মিছিল ও সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দীন খন্দকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান রতন, জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আল ইমরান, সহ-সম্পাদক আবুল কালাম, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন বাবলু, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দীন সোহাগ, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাস্টার নিজাম উদ্দীন, সদস্য সচিব শাহদাত হোসেন, পৌর যুগ্ম আহ্বায়ক নুর ইসলাম, শরিফুল ইসলাম রাসেল, নুর নবী ডালিম, আবু সাইদ, সদর যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, মীর সবুজ, ফরিদুর ইসলাম রাহাত, ই¯্রাফিল মাসুদ, শাহদাত হোসেন (লিটন মেম্বার), সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন প্রবির, দাগনভূইঁয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দীন হুদন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
সংবাদদাতা, আজকের সময় :
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) পরিচালিত অভিযানে ৩৭ লক্ষ ১২ হাজার টাকা মূল্যমানের ভারতীয় শাড়ি এবং ডায়না মিনি পিকআপ আটক করা হয়।
১৫ জুলাই বিকেলে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ চম্পকনগর বিওপি’র টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার ২১৯৮/৮-এস হতে আনুমানিক ৫০০ গজ অভ্যন্তরে শুভপুর মেইন রোডের পাশে কৌশলগত অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে বিজিবি টহলদল চোরাকারবারীদেরকে একটি মিনি পিকআপযোগে মালামাল নিয়ে সীমান্ত এলাকা হতে মেইনরোডের দিকে আসতে দেখা মাত্রই চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত তাদের দিকে অগ্রসর হয়। চোরাকারবারীরা বিজিবি’র উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই বিজিবি’র চ্যালেঞ্জকে উপেক্ষা করে মালামালসহ পিকআপটি ফেলে রাতের অন্ধকারে পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়।
টহলদল চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া পিকআপে ০৬ টি বস্তার ভিতর হতে ৩৭,১২,০০০/- (সাঁইত্রিশ লক্ষ বার হাজার) টাকা মূল্যমানের ভারতীয় সিল্ক শাড়ি ৩৫৬ পিস, ভারতীয় সুতি শাড়ি ৮৪ পিস, ভারতীয় লেহেঙ্গা ২৬ পিস এবং ডায়না মিনি পিকআপ ০১ টি আটক করতে সক্ষম হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
ফেনীর কৃতি সন্তান সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক জাতীয় কমিটির সদস্য, সাবেক সহ-সভাপতি ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের ইন্তেকালে গভীর শোক জানিয়েছে সুজন ফেনী জেলা কমিটি।
কমিটির সভাপতি এডভোকেট লক্ষন বণিক ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এক বিবৃতিতে জানান, তাঁর মৃত্যুতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সহ সমাজঅগ্রগতি আন্দোলনের যে অপূরণীয় ক্ষতি হলো তা আর পূরণ হবার নয়। নেতৃবৃন্দ প্রয়াত বরেণ্য এই ব্যক্তির আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
এর আগে একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক কাজী এবাদুল হক বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে মারা যান তিনি। ১৯৩৬ সালের ১ জানুয়ারি ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের বালিগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বরেণ্য এই ব্যক্তি। ১৯৫২ সালে ফেনীতে ভাষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯৫৪-৫৫ সালে তিনি ফেনী ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। তিনি এর আহ্বায়ক ছিলেন। ফেনী সরকারি কলেজে পড়াশোনা অবস্থায় তৎকালীন ছাত্র মজলিশের (বর্তমান ছাত্র সংসদ) সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন।
এম শরীফ ভূঞা :
ভোর থেকে রাত পর্যন্ত প্রিয়জনদের নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটকদের মাঝে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। শিক্ষা, ব্যবসা ও রেমিট্যান্সে অগ্রসর জেলা ফেনীর সর্ববৃৎ উপজেলা সোনাগাজী। এ উপজেলায় নজর কাড়া কয়েকটি পর্যটন স্পট থাকলেও সরকারি সরকারি বা বেসরকারি অর্থায়নে বাণিজ্যিক কোনো বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। ফলে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। পর্যটকদের অবকাশ যাপনে গড়ে ওঠেনি কোনো আবাসিক হোটেল।
ঈদের দিন বিকাল থেকে নৈসর্গিক সৈৗন্দর্য্যের লীলাভূমি খ্যাত সোনাগাজীর কয়েকটি পর্যটন স্পটে হাজার হাজার ভ্রমণ পিপাসুর পদচরাণায় হয়ে উঠেছে মুখরিত। দক্ষিণা বাতাসে গা এলিয়ে মনের সুখে প্রকৃতির কাছে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন কেউ কেউ।
শুক্রবার ঈদের ষষ্ঠ দিনেও সে ভিড় অব্যাহত ছিল। পর্যটন স্পটগুলোর মধ্যে সোনাগাজীর মুহুরী প্রজেক্ট একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে প্রতিদিনই হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন। ঈদুল আজহার আমেজে ফেনী নদীর পাড়ে দর্শনার্থীদের ভীড়। ভ্রমণপিপাসুদের উচ্ছ¡াসে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সোনাগাজীর পর্যটন স্পটগুলো।
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ছুটে আসছেন সব বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরেরা। বেশ জমে উঠেছে পর্যটন স্পটগুলো। দুপুরের প্রচন্ড তাপদাহ আর বিকালের নির্মল বাতাসে পর্যটকদের যেন প্রাণ জুড়িয়ে নিচ্ছেন তারা। প্রচন্ড গরমে কেউ কেউ লেবুর শরবত পান করে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন। কেউ কেউ নদীর পানিতে সাঁতার কাটছেন। আবার কেউ কেউ নৌকা ভাড়া করে নদীর এপার-ওপার পাড়ি দিচ্ছেন।
ফেনী সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী রিদওয়ান ইসলাম সজীব জানান, ঈদের ছুটিতে বন্ধুদের নিয়ে সীতাকুন্ডের বিভিন্ন স্পট ঘুরেছি। প্রচন্ড গরম আবহাওয়া হলেও প্রকৃতির পরিবেশে মনে বেশ প্রশান্তি লেগেছে।
কিশোর, তরুণ ও যুবকরা ফুটবল খেলছেন দলে দলে। কেউবা আবার মনের সুখে গান ধরছেন একা একা। ক্ষণে ক্ষণে আবার কিশোরদের হৈ হুল্লোড় পর্যটকদের মনে ভীতির সঞ্চার করলেও পর্যটকদের নিরাপত্তায় পালা করে নিয়োজিত রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। অনেক ভ্রমণ পিপাসুরা শহরের বিজয় সিংহ দিঘী, রাজাঝী’র দিঘী, কুমিল্লা ও সীতাকুন্ডের বিভিন্ন পর্যটন এলাকা ঘুরেছেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান বলেন, শহর ছেড়ে পবিত্র ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষগুলো নাড়ির টানে নিজ গ্রামে ছুটে আসে। আবার প্রকৃতির মা খ্যাত উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসে হাজারো পর্যটক। তাই পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষ্যে উপকূলীয় এলাকার কয়েকটি পর্যটন স্পটে পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়েছে।
আদর্শগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, মুহুরী প্রজেক্ট পুলিশ ফাঁড়ি ও সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক টিম পর্যটন স্পটগুলোতে জননিরাপত্তায় কাজ করছেন। যার ফলে পর্যটন স্পটগুলোতে কোন প্রকার হয়রানি ছাড়া পর্যটকরা নির্বিঘেœ ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করছে। আর পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ায় ঈদের ছুটিতে সোনাগাজীর পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
এখানে মুহুরী সেচ প্রকল্পের ৪০ জলকপাট, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মৎস্য ঘের, জোয়ার-ভাটার পানি এবং ফেনী নদীর দু’কূল বেয়ে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতেই ছুটে আসছেন পর্যটকরা। দেশের সর্ববৃহৎ নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর’। এখানে গড়ে উঠছে অসংখ্য শিল্প কারখানা। নয়নাভিরাম এই শিল্পাঞ্চল দেখতে ছুটে আসছেন দেশী-বিদেশী পর্যটকদের দল। ছোট ফেনী নদীর উপকণ্ঠে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় নির্মাণ করা হয়েছে মুছাপুর ক্লোজার। অর্থাৎ বন্যা ও জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। গড়ে তোলা হয়েছে কৃত্রিম লেক।
নোয়াখালী চর ফকিরা থেকে ঘুরতে আসা শওকত রায়হান ইমতিয়াজ বলেন, প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠেছে ঝাউবাগান। জেগে ওঠেছে সবুজ ঘাসের চর। সবুজ ঘাসে বসে গল্পে মাতোয়ারা বন্ধুরা। নদীতে জোয়ার-ভাটার দৃশ্য, লেকে নৌকা-ট্রলার ও স্পিডবোট নিয়ে আনন্দ উল্লাস চোখে পড়ার মতো।
ছোট নদীর ওপরে সাহেবের ঘাট নির্মাণের ফলে ফেনীর সোনাগাজী ও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জবাসীর মাঝে রচিত হয়েছে সেতুবন্ধন। একসময়ের এ খর¯্রােতা নদী পাড়ি দিতে গিয়ে ভেসে যাওয়া বহু প্রাণ আজও ফিরে আসেনি। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই নদীতে ২.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণের ফলে নদীর দুই পাড়ে গড়ে উঠেছে প্রকৃতির এক লীলা ভূমি। নদীতে চলছে সারি সারি নৌকা।
সেতুতে ও তার আশাপাশের কাশবনে কেউবা ছবি তুলছে গ্রুপ করে আবার কেউ তুলছে সেলফি। কেউ আবার নানা অঙ্গভঙ্গির আনন্দে মাতোয়ারা। নির্মল বাতাসে প্রশান্তির সিঁড়িতে বসে প্রিয়জনদের সঙ্গে কেউ কেউ গল্পে মেতেছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সবাইকে যেন প্রকৃতির এই সৌন্দর্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে। প্রকৃতির ডাকে যে সকল পর্যটকরা ছুটে যাচ্ছেন তারা যেন আনন্দে হারিয়ে যাচ্ছেন। বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যায়ও যেন তারা ঘরে ফিরতে নারাজ।
স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন খোকন জানান, বিনোদন প্রেমীদের জন্য উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কোন বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। অথচ অপার সম্ভাবনাময় সোনাগাজীতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পর্যটন কেন্দ্র বা বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠলে একদিকে সরকারের যেমন রাজস্ব আয় বাড়বে, অন্যদিকে পর্যটক বা বিনোদন প্রেমীদের নজর কাড়বে।
উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক, পৌর মেয়র অ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়নের ফলে সমগ্র দেশের মানুষদের সঙ্গে উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীর মানুষদের সঙ্গে একটি সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। সোনাগাজীতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মঞ্জুরুল হক বলেন, পর্যটন স্পটগুলো ঢেলে সাজাতে এবং বিনোদন প্রেমীদের জন্য আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। নতুন নতুন পর্যটন স্পট তৈরির জন্যও চেষ্টা করা হচ্ছে।
আজকের সময় রিপোর্ট :
ফেনীর কৃতিসন্তান বিচারপতি কাজী এবাদুল হক চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্নাইলাইহে রাজিউন।
ভাষা সংগ্রামের জন্য একুশে পদকপ্রাপ্ত, সাবেক বিচারপতি ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলা ভাষায় প্রথম রায় প্রদানকারী ও আইন বিষয়ক বহু মূল্যবান গ্রন্থের প্রণেতা কাজী এবাদুল হক ১৪ জুলাই’২২ রাত ১২.৪৫ মিনিটে ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন।
কাজী এবাদুল হক ১৯৩৬ সালের ১ জানুয়ারী ফেনী জেলার বালীগাঁও গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি ১৯৫১ সালে মেট্রিক পাস করেন, ১৯৫৩ সালে ফেনী কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট, ১৯৫৫ সালে স্নাতক ও ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে ফেনী ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি (এফডিসি)র কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব গোলাম মাওলা চৌধুরী, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী এবং সদস্য সচিব জনাব আ,ন,ম নঈমুল হক রাসেল গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আল্লাহ পাক মরহুমকে বেহেস্তবাসী করুন।
এছাড়া সানরাইজ ফাউন্ডেশন, আজকের সময় পাঠক ফোরাম , বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম নেতৃবৃন্দ শোক জ্ঞাপন করেছেন।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার ঈদ পূর্ণমিলনী, এপ্রোন উন্মোচন এবং আইডি কার্ড হস্তান্তর অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করা হলো।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাবেক সদস্য সভাপতি সিন্দুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সুমন চন্দ্র ভৌমিক।
সংগঠনের আজকের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিন্দুরপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি আব্দুল আহাদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তারিফুল ইসলাম ও প্রধান সমন্বয়ক শাহীন সরওয়ার সহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও সেচ্ছাসেবীবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাসেল।
অনুষ্ঠান পবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন সেচ্চাসেবী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য এবং সেচ্ছাসেবীদের কাজে বিভিন্ন পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা মুলক কথা বলেন এবং যেকোনো মানবিক ও সামাজিক কাজে প্রয়োজনে সহযোগিতার জন্য সব সময় সংগঠনের পাশে থাকবেন।
ঈদ একটি আরবি শব্দ। শব্দটি খুশি, উৎসব এবং আনন্দ প্রকাশক অর্থেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। শব্দটি আরবি হলেও বাংলা, ইংরেজি, উর্দু, ফার্সি এবং হিন্দিসহ প্রায় সব ভাষাতেই শব্দ ও অর্থের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই।
ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায়, জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ থেকে শুরু করে ১২ই জিলহজ্ব দুপুর পর্যন্ত মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে হালাল পশু জবাই করাকে ঈদুল আযহা বলা হয়।
পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদিসের তথ্য অনুসারে পবিত্র ঈদুল আযহার সাথে জড়িয়ে রয়েছে নিগূঢ় ইতিহাস যার সূচনা হয়েছিল হযরত আদম আঃ পুত্র হাবিল ও কাবিলের প্রতিযোগিতা মূলক কুরবানি করার মাধ্যমে।
একজন সফল হলেন আত্মিক পবিত্রতা উপর ভর করে আর অন্যজন পথহারা হলো লোভ ও প্রতিহিংসার ছায়াতলে। তখন থেকে কোরবানির ধারা শুরু হয়েছিল।
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আজকের সময় সকল পাঠক, গ্রাহক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই ঈদ মুবারক।
দেলোয়ার হোসেন সুমন, সৌদি আরব প্রতিনিধি :
দীর্ঘ ত্রিশ বছর যাবত মদিনা মসজিদুল নববীর পাশে ফ্রিতে চা ও মিষ্টি পরিবেশন করেন এ বৃদ্ধ। বিশ্বের নানান দেশ থেকে হজ্বে ও ওমরাতে আশা হাজীদের ফ্রিতে হরেক রকমের চা পরিবেশন করেন। স্থানীয়রাও অনেক দূর দুরান্ত থেকে আসে তার চা পান করার জন্য।
মহান আল্লাহতালার প্রেরিত রাসূল ও ইসলামের শেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবজাতির মধ্যে সবচেয়ে বড় উদার ব্যক্তি ছিলেন। শত্রুরাও তার কাছ থেকে উদারতা ছাড়া আর কিছু আশা করতো না। কারণ তাদের প্রতিও তিনি দয়াবান ছিলেন।
আর মহানবীর অনুসারীরা সব সময় উদারতার পরিচয় দেন। এরইমধ্যে রাসূলে পাক (সা:) এর স্মৃতিবিজড়িত শহর পবিত্র মদিনাতে এক অন্যরকম উদার ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে।
তিনি ঐতিহাসিক কুবা মসজিদের সামনের সড়কে বসে ফ্রিতে মুসল্লিদের চা ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করেন। এ সময় তার আশেপাশে সহযোগিতার জন্য কখনো ছেলে কখনো নাতিরা রাখেন।
বৃদ্ধ প্রতিদিন বেশ কয়েকটি ফ্লাক্সে চা ও প্রচুর কাপ নিয়ে বসেন আসরের নামাজের পরে। নামাজ পড়তে আসা মুসল্লি বা দর্শনার্থীদের চা পরিবেশন করেন তিনি। লোকটি বিনিময়ে কোনো নেন না। তার অসাধারণ কাজে প্রত্যেক মানুষ মুগ্ধ হন।
মহানবী রাসূলের (সা:) অনুসারী হিসেবে সবার সঙ্গে সদাচরণ করা, সহায়তা করা উচিত। সবার উচিত, যেকোনো সমস্যায় সবার পাশে দাঁড়ানো। সৎ কর্ম করা নবীজির সুন্নত আদায় করা। এমনটাই মনে করেন এই বৃদ্ধ মহান মানুষটি।