এম শরীফ ভূঞা, ফেনী :
অতিরিক্ত রোগীর চাপে তিল ধারণের ঠাঁই নেই ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালে। পুরো হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের ভিড় লেগেই আছে। এতে যেমন বেড়েছে ভোগান্তি, তেমনি বেড়েছে রোগী ও স্বজনদের বিড়ম্বনা।
চিকিৎসকরা জানান, প্রায় সব চিকিৎসককে ওয়ার্ডে ভর্তিকৃত রোগী দেখে তারপর বহির্বিভাগে রোগী দেখতে হয়। কিন্তু গত কয়েকদিন ওয়ার্ডে ও বহির্বিভাগে রোগী বেড়েছে। নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মাঝে বেশির ভাগই জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। বহির্বিভাগের রোগীদের বেশির ভাগই চোখের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৮২ সালে ৫০ শয্যা নিয়ে যাত্রা করে ফেনী সদর হাসপাতাল। পরে রোগীর ভিড় সামলাতে না পেরে ১৯৯৯ সালে ‘আধুনিক সদর হাসপাতাল’ নাম ধারণ করে এটিকে ১০০ শয্যায় সম্প্রসারণ করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে ১৫০ শয্যা ও ২০১৩ সাল থেকে এ হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় রূপান্তর করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি ১৫০ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল।
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডের মেঝেতে রোগী, বারান্দায় রোগী এমনকি প্রবেশপথের সামনেও বেঞ্চ বসিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে। পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ২৬ জন রোগীর স্থলে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭৩ জন, শিশু ওয়ার্ডে গিয়েও দেখা যায় একই অবস্থা। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ১৪ জনের স্থলে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪১ রোগী। নির্ধারিত কক্ষের বারান্দায়ও স্থান না পেয়ে বাইরে চেয়ারে বসিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকেই।
মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, ২৬টি আসনের বিপরীতে এখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭৫ জন রোগী। ইউনিটে রোগীর নির্ধারিত শয্যার ডানে, বামে, মাথার পাশে ও পায়ের পাশে মেঝেতে অতিরিক্ত শয্যা লাগিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অনেক রোগী ইউনিটের মেঝেতেও স্থান না পেয়ে বারান্দা ও প্রবেশপথে শয্যা বিছিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত দুই সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি থাকছে। বিশেষ করে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়া, জ্বর, ঠান্ডা, শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ রোগী বেশি। এ অবস্থায় কাঙ্খিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। তবে হাসপাতালে দর্শনার্থী প্রবেশে পাসকার্ড বাধ্যতামূলক থাকায় রোগীর স্বজনদের চাপ কিছুটা কম দেখা গিয়েছে।
রোগীর স্বজনরা জানায়, হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় তেমন কোনো ওষুধ দেয়া হচ্ছে না। রোগীর সমস্যায় নার্স স্টেশনে খবর দিলেও তারা আসতে চান না। এছাড়া দিনে মাত্র একবার চিকিৎসক পাওয়া গেলেও বাকি সময় জরুরি বিভাগ ছাড়া পরামর্শ পাওয়া যায় না। এ সময় নার্সদের ওপরই ভরসা রাখতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সিনিয়র নার্স জানান, ২৬ জন রোগীর স্থলে ৭৫ জন রোগীকে সেবা দিতে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। রোগীদের কাঙ্খিত সেবা দিতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তা ইউনিটে নেই। তার পরও আমরা সাধ্যানুযায়ী রোগীর সেবা দিয়ে আসছি। সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী রোগীদের ওষুধও দেয়া হচ্ছে। তবে এ বরাদ্দ চাহিদার তুলনায় কম থাকায় সব রোগীকে ওষুধ দেয়া সম্ভব হয় না।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আসিফ ইকবাল জানান, হাসপাতালটিতে বছরজুুড়েই শয্যার অতিরিক্ত রোগীর চাপ থাকে। মৌসুমি আবহাওয়াগত কারণে গত কয়েকদিন মেডিসিন, শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে তিন-চার গুণ রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালে জনবল সংকট থাকার কারণে রোগীদের চাহিদামতো সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তার পরও কর্তব্যরত চিকিৎসক-নার্সসহ সবাই আন্তরিকভাবে সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
aadmin
প্রেস বিজ্ঞপ্তি >>
দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর শহরের একটি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেসক্লাব সভাপতি ইমাম হাছান কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন রনির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ইয়াসীন সুমন, সাবেক সাধারন সম্পাদক এমাম হোসেন এমাম, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, এম এম রহমান সোহেল, যুগ্ন সম্পাদক কাজী ইফতেখার, কোষাধ্যক্ষ এম ইউছুফ হারুনী, প্রচার সম্পাদক আজহারুল হক, নির্বাহী সদস্য নাসির উদ্দীন আজাদ, সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞা, সদস্য বাবলু, মোকাররম হোসেন পিয়াস, ইমাম হোসেন খাঁন, আমির হোসেন বিজয় ও সুজন প্রমুখ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি , আজকের সময় :
দৈনিক ফেনী সাহিত্য সাময়িকী নন্দকানন ৫০তম সংখ্যা প্রকাশ উপলক্ষে সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে দৈনিক ফেনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ট্রেজারার প্রফেসর তায়বুল হক। অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও ফেনী সিটি কলেজ অধ্যক্ষ উৎপল কান্তি বৈদ্য, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মেহেদী হাসান, প্রবীন সাংবাদিক আবু তাহের, মাহবুব উল আলম, শিক্ষাবিদ ও কবি শিখা সেন গুপ্তা।
বক্তারা শিল্পসাহিত্যে ফেনীর গৌরবময় অতীত তুলে ধরেন। নন্দকানন ফেনীর সাহিতচর্চায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন বলে মন্তব্য করেন।
দৈনিক ফেনী প্রকাশক ও সম্পাদক আরিফুল আমীন রিজভীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় সম্পাদক আলমগীর মাসুদ। সাহিত্য আলোচনায় কবিতা পাঠ করেন কবি সবুজ আহমেদ, সালেহা খানম, উত্তম দেবনাথ, মোজাম্মেল হোসেন, রাবেয়া সুলতানা এবং বিভীষণ বসাক।
নন্দকানন ও ফেনীর সাহিত্য প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন কবি ওবায়েদ মজুমদার, ইকবাল আলম, দেবব্রত সেন, মোহাম্মদ সফিউল হক। ফেনীর সংবাদপত্রে সাহিত্য প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ আবু তাহের, আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি যতন মজুমদার, দৈনিক আমার ফেনী প্রকাশক ও সম্পাদক জমির বেগ।
সাহিত্য আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন কবি ও লেখক শাহাদাত মাহমুদ সিদ্দিক, আফসার আলাউদ্দিন, কাঞ্চি সাহিত্য কাগজের সহযোগী সম্পাদক হানিফ মজুমদার, সেলিম আল দীন চর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক রাজীব সরোয়ার, কবি ও লেখক আবদুস সালাম ফরায়জী, কবি আর কে শামীম পাটোয়ারী,পানসী সাহিত্য সাময়িকী সম্পাদক বকুল আকতার দরিয়া, কবি রাবেয়া সুলতানা, তরুণ লেখক ইমরান ইমন, কবি দীপঙ্কর শীল প্রমুখ।
এসময় দৈনিক অজেয় বাংলা নির্বাহী সম্পাদক শাহজালাল ভুঁইয়া, সময় টিভি জ্যেষ্ঠ সহযোগী প্রতিবেদক আতিয়ার সজল, দৈনিক বণিকবার্তা ফেনী প্রতিনিধি নূরউল্ল্যাহ কায়সার, দৈনিক মানব জমিন ফেনী প্রতিনিধি নাজমুল হক শামীম, দৈনিক ইনকিলাব ফেনী প্রতিনিধি ওমর ফারুক, দৈনিক স্টারলাইন প্রতিবেদক আবদুল আজিজ ফয়সাল।
ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীতে ছয় বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফখরুল ইসলাম (১৯) নামের ওই শিক্ষক ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে ফেনী সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, শিশুটি (৬) স্থানীয় একটি নুরানি মাদ্রাসার ছাত্রী। সোমবার তাকে ডেকে মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেন ওই শিক্ষক। কাউকে কিছু না বলতে মানা করা হয় শিশুটিকে। বিকেলে ওই শিশু বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে ধর্ষণের বিষয়টি মাকে জানায় শিশুটি।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে আজ সকালে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসায় যান। তাঁরা ওই শিক্ষককে দেখতে পেয়ে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ওই মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
দাগনভূঞা উপজেলার মোমারিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নবনির্বাচিত সভাপতি বালাকাত উল্যাহ মিলন, সদস্য সচিব প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম, অভিবাবক সদস্য মোজাম্মেল হক সিপন, ফারুকুল ইসলাম মেম্বার, মাষ্টার মন্সুর, শহীদুল ইসলাম তোতা, জেবুন্নাহার, দাতা সদস্য আব্দুল হান্নান মিনার, শিক্ষক প্রতিনিধি মৃনাল দাশ গুপ্ত, এটিএম আতিকুল ইসলাম বাদল, সালেহা বেগম।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
ল’ইয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(LAB) ফেনী জেলা শাখার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী ওয়ালী উদ্দীন ফয়সল ও সাধারণ সম্পাদক ডক্টর শরীফুজ্জামান মজুমদার সংগ্রাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেনকে আহ্বায়ক ও এডভোকেট সাইফ উদ্দিন মজুমদার শাহীনকে সদস্য সচিব করে এই কমিটি অনুমোদন করেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ হচ্ছেন- এডভোকেট মো. আলা উদ্দিন আল আজাদ ভূঁঞা, এডভোকেট মোহাম্মদ হানিফ মজুমদার , এডভোকেট বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট আমিরুল ইসলাম শাহজাহান, এডভোকেট আব্দুল খালেক, এডভোকেট হাছান মাহমুদ, এডভোকেট নিজামুল আলম (নিজাম), এডভোকেট মো. টিপু সোলেমান, এডভোকেট মো. নুরুল আলম হারুন, এডভোকেট শাহ মো. কায়কোবাদ, এডভোকেট শাহাদাত হোসেন সবুজ, এডভোকেট মো. মনির উদ্দিন মিনু, এডভোকেট মো. মনির উদ্দিন মিনু, এডভোকেট মিজানুর রহমান শরীফ, এডভোকেট শাহ মো. আব্দুল কাইয়ুম, এডভোকেট নুরুল ইসলাম, এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী মোর্শেদ, এডভোকেট রহীমা খাতুন হেলপী, এডভোকেট গাজী তারেক আজিজ,এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, এডভোকেট হুমায়ন কামাল, এডভোকেট মো.তাজুল ইসলাম ভূঁঞা (বিপুল), এডভোকেট এ.টি.এম এনায়েতুল করিম (মামুন), এডভোকেট মিজানুর রহমান সেলিম,এডভোকেট কাজী রবিউল হক (রবি),এডভোকেট মোহাম্মদ ওবায়দুল হক মজুমদার, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, এডভোকেট রায়হান উদ্দিন মামুন, এডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম (খোকন), এডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন, এডভোকেট পিয়াস মজুমদার, এডভোকেট শরফুদ্দিন আহাম্মদ ডালিম, এডভোকেট এস.এম আবুল মনসুর রানা, এডভোকেট মোহাম্মদ নোমান চৌধুরী, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (কমল), এডভোকেট মো.ওমর ফারুক ভূঁঞা (শিপলু), এডভোকেট নুরুল আনোয়ার ভূঁঞা,
এডভোকেট মো. আরশাদ আলী ভূঁঞা, এডভোকেট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির মোর্শেদ, এডভোকেট মাসুদুর রহমান, এডভোকেট শিপন কুমার বিশ্বাস, এডভোকেট মাসুদ আলম, এডভোকেট বাদল চন্দ্র দেবনাথ, এডভোকেট খোরশেদ আলম খোন্দকার, এডভোকেট মো. আইয়ুব আলী মিলন, এডভোকেট গোলাম রাব্বানী, এডভোকেট মো, আমির হোসেন সুমন, এডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম, এডভোকেট মো. খালেদুজ্জমান খালেদ পাটোয়ারী, এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট নাছের উদ্দিন মিয়াজী, এডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম, এডভোকেট মো, নুরুল আখতার মামুন, এডভোকেট মানিক চন্দ্র শর্ম্মা, এডভোকেট মো. ফেরদৌস আলম (আরমান), এডভোকেট কাজী মোজাহেরুল ইসলাম, এডভোকেট মোশাররফ হোসেন মিলন,
এডভোকেট মোঃ আব্দুল মালেক, এডভোকেট আরিফুল ইসলাম,
এডভোকেট প্রিন্স মাহমুদ চৌধুরী, এডভোকেট আবুল মনছুর রুবেল, এডভোকেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল্ মনসুর,এডভোকেট ঈমাম উদ্দিন ভূঁঞা, এডভোকেট মোহাম্মদ হাবীবুল আলম (জুয়েল), এডভোকেট আবু সুফিয়ান ভুট্টু, এডভোকেট ফয়েজুর রহমান,এডভোকেট জামাল উদ্দিন মাষ্টার,এডভোকেট সামছুন্নাহার সুমী,এডভোকেট শ্রীকান্ত দেবনাথ,
এডভোকেট কায়কোবাদ সাগর,এডভোকেট রহিমা আক্তার,
এডভোকেট মোহম্মদ ইউসুফ টিপু,
এডভোকেট সোমেন মজুমদার,
এডভোকেট শাহীনুর ইসলাম শাহীন,
এডভোকেট আব্দুল মালেক নজরুল ইসলাম,এডভোকেট নজরুল ইসলাম,
এডভোকেট কাজী মোজাহেরুল ইসলাম,এডভোকেট মোশাররফ হোসেন খোন্দকার,এডভোকেট সেলিম
উদ্দিন সজিব,এডভোকেট রাজিব হাসান,এডভোকেট হোসাইনুল হায়দার,এডভোকেট আব্দুল ওহাব দুলাল,এডভোকেট আব্দুস গফুর সুজল,এডভোকেট ছোটন চন্দ্র কংশ,
এডভোকেট শাহাদাত আল সাঈদ খোন্দকার, এডভোকেট রনজিৎ শুত্র ধর, এডভোকেট সুলতান আহম্মেদ,এডভোকেট মো: নজরুল ইসলাম,এডভোকেট ইয়ামীন আরাফাত তারেক,এডভোকেট মো: একরামুল হক ভূঁইয়া,এডভোকেট সুমন চন্দ্রশীল,এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আলম মনসুর, এডভোকেট মোমেন মজুমদার (বিদ্যুৎ), এডভোকেট সফিকুল ইসলাম (গিয়াস), এডভোকেট তারেক বাহার, এডভোকেট ইকবাল হোসেন রাজু, এডভোকেট এনামুল হক চৌধুরী শাহেদ, এডভোকেট মো. সফিরুল ইসলাম (শাহিন)।
ফেনী প্রতিনিধি, আজকের সময় :
ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের নোয়াবাদের শারীরিক প্রতিবন্ধী সফিউল্লাহ। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও রোটারি ক্লাবের পক্ষ থেকে ফেনী সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে রবিবার সকালে মালামালসহ একটি মুদি দোকান উপহার পেয়েছেন তিনি।
দোকান উপহার পেয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করে প্রতিবন্ধী সফিউল্যাহ বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো কাজ করতে পারতাম না। তাই ভিক্ষা করে সংসার চালাতাম। সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে আমাকে একটা মুদি দোকান করে দিয়েছে। আমি আর ভিক্ষা করবো না। এ দোকান করে আমি আমার জীবিকা নির্বাহ করতে পারবো। আমি সবার সহযোগিতা চাই।
ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে চলছেন। তারই আলোকে আজকের এ ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচি। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনোয়ার হোসাইন পাটোয়ারী বলেন, ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে সফিউল্যাহ’র মতো ব্যক্তিরা।
সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়তে পারলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। সমাজসেবা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। ফেনী সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শহীদ উল্যাহ বলেন, ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচি সমাজসেবা কার্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম। শর্শদি এলাকার একজন ভিক্ষুক ও একজন কর্মহীন ব্যক্তিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান বলেন, একজন ভিক্ষুক পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন এটি আশাব্যঞ্জক বিষয়। ফেনী সদর উপজেলাকে ভিক্ষুক, বাল্যবিয়ে, শিশু শ্রমসহ সব অসংগতি দূর করতে সর্বস্তরের নাগরিকদের কাজ করে যেতে হবে। ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা গড়ার মাধ্যমে ফেনী সদর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মোঃ মনির হোসেন, চাটখিল, নোয়াখালী : আজকের সময় প্রতিবেদক :
উদ্যাক্তা তৈরীর ফ্রী সেমিনারে অংশগ্রহণ করুন। আপনি শিক্ষিত কিন্তু বেকার বসে আছেন। চাকরি কবে হবে ঠিক নেই! বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছেন কিন্তু অনেক সময় ও টাকার ব্যাপার। তাহলে বসে না থেকে নতুন কিছু করুন।
উদ্যোক্তা হউন, নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ুন। একটি সুযোগ বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। অংশগ্রহণ করুন আমাদের – “Entrepreneur Free Seminar programme” এ ফ্রী সেমিনারে অংশ নিন, আর হয়ে উঠুন উদ্যোক্তা সেমিনারের পর উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমরা আপনাকে সহযোগিতা করবো।
আগামী ৮ অক্টোবর ঢাকার গুলশানে অনুষ্ঠিত হবে এই সেমিনার৷ নিজের জীবনকে বদলে দিতে এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন- 01629607367 এই (হোয়াটসঅ্যাপ এ নাম, ঠিকানা, নাম্বার লিখে মেসেজ করুন ) নাম্বারে ফোন করে / ইনবক্সে নাম, ঠিকানা নাম্বার, লিখে মেসেজ করুন । আসন সংখ্যা সীমিত। * তারিখঃ আগামী- ৮ ই অক্টোবর, ২০২২ (শনিবার) * স্থানঃ গুলশান-১ (সময়, স্থান ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হবে), ঢাকা। * সময়ঃ সকাল ১১.০০ মিনিট এবং বিকাল ৩.টা * রেজিষ্ট্রেশন ফ্রি ( 01629607367 নাম্বারে ফোন করে আসন নিশ্চিত করুন) * বয়সসীমাঃ ১৮+ থেকে শুরু (নারী-পুরুষ সবাই অংশ নিতে পারেন)
আবদুর রহমান জাহাঙ্গীর (নোয়াখালী), আজকের সময় :
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে আসা সাত রোহিঙ্গা নারী-শিশুকে সুবর্ণচরে আটক করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম। এরআগে, শুক্রবার মধ্য রাতে উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর বাজার থেকে স্থানীয়রা তাদের আটক করে। আটককৃতরা হলেন, ভাসানচরের ৮৪ নম্বর ক্লাস্টারের এরশাদ উল্লাহ (৩২), খোদেজা বেগম (২৮), মো.শাহেদ (১০), রোসমিন আক্তার (১৫), মো. হাসান (১৮), সেতারা বেগম (২৭) ও মো. তোফায়েল (৯ মাস)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাত রোহিঙ্গা একসঙ্গে চট্টগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভাসানচর থেকে দালালের মাধ্যমে পালিয়ে আসে। দালাল চক্র কৌশলে তাদের সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর বাজার এলাকায় নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তারা রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করে এবং ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসে বলে জানায়। পরে বিষয়টি চরজব্বার থানায় জানানো হয়। পুলিশ তাদের শনিবার সকাল ৯টার দিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এসপি আরও বলেন, শুক্রবার রাত ৩টার দিকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা জাহাজিয়া চর এলাকার দালাল মো. ইসহাক, মো.আনোয়ার, মো.আয়াত উল্লাহদের সহায়তায় ভাসানচর হতে চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর বাজারে আসলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে আটক করে থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।