aadmin
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ২ হাজার ৪৭ রোগীকে অপারেশনের জন্য লম্বা সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই হার্নিয়া, টিউমার, পাইলস ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত। তবে সামর্থ্যবানরা বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের সামর্থ্য নেই, অস্ত্রোপচার না করায় তাদের রোগ জটিল আকার ধারণ করছে। অনেকেই বিনা চিকিৎসায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেক রোগী অসুস্থতার কারণে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, জনবল সংকট, অপারেশন থিয়েটার স্বল্পতায় রোগীজট দীর্ঘ হচ্ছে। বছরের পর বছর এ অবস্থা চলতে থাকলেও সহসাই মুক্তির উপায় দেখছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হার্নিয়া রোগ নিয়ে বছরখানেক ধরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করে আসছেন সিএনজি অটোরিকশাচালক জাফর উল্লাহ। সম্প্রতি অসহ্য ব্যথা শুরু হলে তিনি ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ছুটে এলে তাকে সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্টের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ২০২৩ সালের ২৭ মে হার্নিয়া অপারেশনের জন্য আসতে বলেন। অস্ত্রোপচারের জন্য আরো আট মাস অপেক্ষা করতে হবে জেনে হতবাক হন জাফর উল্লাহ। একদিকে অসুস্থতার কারণে অটোরিকশা চালাতে না পেরে পরিবারের আয়-রোজগার বন্ধ, অন্যদিকে আট মাস ব্যথার যন্ত্রণা সহ্য করা এবং ওষুধের খরচ কীভাবে মেটাবেন এ নিয়ে চোখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন তিনি।
শাহ নেওয়াজ নামে টিউমার আক্রান্ত এক দিনমজুর জানান, পায়ের গোড়ালিতে থাকা টিউমারটিতে হঠাৎ অসহ্য ব্যথা শুরু হলে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। হাসপাতালে টিউমার অপসারণের জন্য আগামী বছরের জুনে আসতে বলা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও ১০০ শয্যার জনবল দিয়েই চলছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালে ছয়দিন অপারেশন করা হয়। সার্জারি, অর্থোপেডিক, গাইনি ও চক্ষু বিভাগের জন্য অপারেশনের দিন ভাগ করা আছে। এর মধ্যে সপ্তাহের প্রতি রবিবার ও বুধবার সার্জারি বিভাগের রোগীদের অপারেশন করা হয়। সে হিসেবে সপ্তাহে দুদিন করে মাসে আট দিনে ছোটবড় ১৫০-২০০ রোগীকে অপারেশন করানোর সুযোগ পায় সার্জারি বিভাগ। অথচ প্রতি মাসে এখানে অপারেশনের জন্য আসেন দ্বিগুণেরও বেশি রোগী। ভয়াবহ রোগী জটের কারণে এ হাসপাতালে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত অপারেশনের কোনো সিরিয়াল খালি নেই।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, সেপ্টেম্বরে ৬০ ব্যক্তিকে মেজর ও ১২৭ ব্যক্তিকে ছোট অপারেশন করেছে সার্জারি বিভাগ। বড় অপারেশনের আগে-পরে ছোট অপারেশনের রোগীদের কাজ করা হয়। এক্ষেত্রে কখনো কখনো বড় অপারেশনে অতিরিক্ত সময় লেগে গেলে ছোটখাটো সমস্যা নিয়ে আশা রোগীদের সুযোগ দেয়া সম্ভব হয় না।
হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট কামরুজ্জামান কিরণ জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ২ হাজার ৪৭ রোগীকে অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। আগামী বছরের জুন পর্যন্ত অপারেশনের সিরিয়াল খালি নেই। হাসপাতালের জনবল সংকট ও অপারেশন থিয়েটার স্বল্পতার কারণে তিনি সপ্তাহে দুদিন অপারেশন করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় হতাহত রোগী, জীবন সংকটাপন্ন রোগী ও জটিল রোগীদের তাৎক্ষণিক অপারেশনের ব্যবস্থা করতে হয়। এর আগে-পরে হার্নিয়া ও টিউমারসহ ছোটখাটো রোগীদের অপারেশন করা হয়। জটিল রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। বাকি রোগীদের নির্ধারিত অপারেশনের তারিখ পর্যন্ত বাড়িতে থেকে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেয়া হয়।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল খায়ের মিয়াজী জানান, এখানে জনবল ও অবকাঠামো সংকট নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশপাশের অনেক জেলার রোগীরা এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ছুটে আসেন। এত বেশি রোগীর চাপ নেয়ার মতো অবকাঠামো, জনবল ও চিকিৎসক এ হাসপাতালে নেই।
ফেনীর সিভিল সার্জন রফিক উস ছালেহীন জানান, যাতায়াত সুবিধার কারণে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আশপাশের মানুষও চিকিৎসা নেয়ার জন্য ভিড় জমান। কিন্তু সে অনুযায়ী এ হাসপাতালে জনবল পদায়ন করা যায়নি। হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ ও তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর সোনাগাজী পৌর শহরে দুই সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৬ অক্টোবর) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, একই বছরের ৩ এপ্রিল দুজনকে অভিযুক্ত করে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরের বছর ২০০৯ সালের ৫ জুলাই তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ এ কে এম আরিফুর রহমান অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু করেন।
মামলার নথিপত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৪ জানুয়ারি দুপুরে সোনাগাজী পৌর শহরের ফরিদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় আবেদন কম্পোজ করতে আলম কম্পিউটার নামের একটি দোকানে যান স্বরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা এক নারী। দীর্ঘসময় বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওইদিন বিকেলে দোকান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এনে নিহতের বাবা সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় দোকান মালিক চরগণেশ এলাকার হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে সফিউল আজম ও তার সহযোগী আবদুল মুনাফের ছেলে রাশেদুল ইসলামকে আসামি করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদ আহম্মদ হাজারী জানান, বুধবার আদালত মামলার আসামি সফিউল আজমকে মৃত্যুদন্ডাদেশ ও ২ লাখ টাকা জরিমানা, তার সহযোগী রাশেদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে ফেনী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এ মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী সোহরাব উদ্দিন কফিল ও শাহাদাত হোসেন মিলন ১৬৪ ধারায় আদালতে সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ফয়েজুল হক মিল্কী।
আজকের সময় প্রতিবেদক :
অক্টোবর সেবা মাস -২০২২ উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব ফেনী,লায়ন্স ক্লাব অব ফেনী গ্লোরিয়াস,লায়ন্স ক্লাব অব ফেনী গোল্ড এর আয়োজনে ফেনী শহরস্থ ফেনী পৌর বালিকা বিদ্যানিকেতন স্কুলে মেয়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সচেতনতা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকালে সচেতনতা সভা শেষে ২শত ছাত্রীর মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
জোন চেয়ারপার্সন ও ফেনী লায়ন্স ক্লাব প্রেসিডেন্ট রফিকুল হক নিপুর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিষ্টিক্ট গভের্ন চিপ এ্যাডভাইজর লায়ন রুহুল আমিন ভূইয়া, পৌর বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক আলি হায়দার, রিজিওন চেয়ারপার্সন মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, ফেনী গ্লোরিয়াস প্রেসিডেন্ট মোঃ হোসাইন ভূইয়া, প্রোগ্রাম সেক্রেটারি সাংবাদিক এম শরিফ ভূঞা, গোল্ড সেক্রেটারি তাহমিনা তোফা সীমা, দাগনভূঞা ইয়ুথ সোসাইটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ইফতেখার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফেনী লিও ক্লাবের আয়োজনে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও শেষে লাইন্স নেতৃবৃন্দ প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে উন্নতমানের ১০ টি ঝুড়ি উপহার তুলে দেন।
আজকের সময় প্রতিবেদক :
২২ অক্টোবর ২০২২ রোজ শনিবার সন্ধ্যায় শহরতলীর ফেনী ফুড গার্ডেন রেস্টুরেন্টে লায়ন্স ক্লাব অব ফেনী, লায়ন্স ক্লাব অব ফেনী গ্লোরিয়াস, লায়ন্স ক্লাব অব ফেনী গোল্ড এর দ্বিতীয় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে চলমান অক্টোবর সেবা মাস সফল করতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে আমাদের লায়ন্স ক্লাব প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি ও লায়ন্স নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অক্টোবর সার্ভিস চেয়ারম্যান মোঃ শহীদুল আলম ভূঞা, সদস্য সচিব সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞা, সদস্য তাহমিনা তোফা সীমা, শাহনুর আহসান, ইঞ্জি: বেলায়েত হোসেন মামুন, মোঃ জসিম উদ্দিন, মুরাদ হাসনাত রাফি ।
ফেনী প্রতিনিধি, আজকের সময় :
২৩ অক্টোবর, রবিবার ফেনী শহরের ট্রাঙ্করোডস্থ তারা নিবাসে আত্মপ্রকাশ পেল “Wedding Memory” ইভেন্ট ম্যানেজম্যান্ট।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী সরকারি কলেজ সমাজকর্ম বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ফরিদ আলম ভূইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব ফেনীর সভাপতি লায়ন এ কে এম রফিকুল হক নিপু, ফেনী লিও ক্লাবের উপদেষ্টা লায়ন মন্জুরুল ইসলাম ভূইয়া সহ আরো অনেকে।
প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারি ফেনী লিও ক্লাবের সহ-সভাপতি লিও ইউসুফ আহমেদ নিশাদ জানান, বিয়ে, হলুদ, জন্মদিন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানকে জাঁকজমকপূর্ণ করে ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন সু-শৃঙ্খল পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা।
অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায় কিন্তু স্মৃতিগুলো থেকে যায় আজীবন। আর এই স্মৃতিকে সুন্দর ও স্মরণীয় করে তোলার জন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অতুলনীয়। এ ধরনের অনুষ্ঠানকে পরিপূর্ণতা দিতে আমাদের প্রতিষ্ঠান সেবা দিয়ে যাবে।
শেষে অতিথিবৃন্দ কেক কেটে এবং দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সফলতা কামনা করে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি :
২১ অক্টোবর শুক্রবার, ফেনী ইসলাম পুর রোডস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নিজাম উদ্দিন কে আহবায়ক ও মাস্টার আবদুল করিম কে সদস্য সচিব করে এ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ফেনী জেলা আহবায়ক সারওয়ার জাহান শ্রাবণ ও সদস্য সচিব মো: ইয়াছিন উক্ত কমিটির অনুমতি দিয়েছেন।
কমিটির যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মিয়া, রাহাতুল ইসলাম, আবদুল মতিন, আবদুল কালাম ভূঞা, অহিদুর রহমান সেলিম, সাহাব উদ্দিন, ফজলুল হক, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, এমাম হোসেন, মো: ফারুক, মো: হারুনুর রশিদ, আশ্রাফুল আলম সাহাব উদ্দিন, ফরিদ আহমেদ, মো: খোকন, জাহাঙ্গীর আলম ও দিল মোহাম্মদ মাইফুল।
আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে প্রতিনিধি সভার মাধ্যমে শক্তিশালী ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে জেলা কমিটির নিকট পুর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর সোনাগাজীতে ধর্ষণের মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকার একটি বাসা থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩। গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তির নাম মো. আবুল কাশেম (৫৫)। তিনি সোনাগাজী উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, সোনাগাজী উপজেলার এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গত ১৪ জুলাই তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে একজন হলেন আবুল কাশেম।
এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডা এলাকা থেকে একই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামি লাতু মিয়াকেও গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন একই উপজেলার লাতু মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম।
গত ১০ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে ফেনী শহরের মিজান রোডের একটি বাসা থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে কিশোরী ধর্ষণের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই গ্রেপ্তার হলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৩ মে রাতে কয়েক যুবক সোনাগাজী উপজেলার একটি বাড়িতে দরজা ভেঙে ঢোকেন। পরে ওই যুবকেরা ওই বাড়ির গৃহবধূকে বেঁধে রাখেন ও গৃহবধূর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পরের দিন ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ১৩ আগস্ট সোনাগাজী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম চার আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার শুনানির সময় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৯ বছর পর চলতি বছরের ১৪ জুলাই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
র্যাব-৩-এর উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল আমিন সরকার জানান, আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থানায় আসার পর থেকে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব সদস্যরাও আসামিদের খোঁজে মাঠে নামেন। কিন্তু কোথাও তাঁদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্প্রতি পুলিশের সহায়তায় তিন আসামির মধ্যে লাতু মিয়া ও আবুল কাশেমের ছবি ও মুঠোফোন নম্বর র্যাবের হাতে আসে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আবুল কাশেমকে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আবুল কাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার রাতেই সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খালেদ হোসেন বলেন, আবুল কাশেমকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে ফেনীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি : প্রবাসীর স্বপ্ন আমাদের অঙ্গিকার, সমাজ পরিবর্তনে এগিয়ে যাবো দূর্বার প্রতিপাদ্য বিষয় কে সামনে রেখে সোমবার সকালে উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দেবরামপুরে অসহায় ২ টি পরিবারকে আর্থিক অনুদান ও সেলাই মেশিন বিতরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মানবিক অনুদান হস্তান্তর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা আবুল ফোরকান বুলবুল।
ইয়াকুবপুর প্রবাসী ফোরামের সভাপতি শহীদ উল্যাহর সভাপতিত্বে ও দেশীয় সমন্বয়ক শ. ম সাজুর পরিচালনায় সহ-সভাপতি মোঃ শাহ আলম ও যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল সহ ফোরামের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ইয়াকুব পুর ইউনিয়নের দেবরামপুরে দূর্ঘটনায় ইলেক্ট্রেশিয়ান মোঃ মামুনের পরিবার কে নগদ অর্থ ও সেলাই মেশিন এবং আইয়ুব আলী সুমন কে জটিল রোগী আক্রান্ত আইয়ুব আলী সুমন কে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
আজকের সময়, ঢাকা :
১৫ অক্টোবর শনিবার সকালে জেরিয়াট্রিক কেয়ার সাপোর্ট টিম (জিসিএসটি) এর আয়োজনে প্রবীণ দিবস উপলক্ষে এক বনার্ঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠিত হয়।
জিসিএসটির সভাপতি ডাঃ কাজী মোঃ ইস্রাফীলের সভাপতিত্বে এতে র্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন জিসিএসটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ অনুপম হোসাইন, নিপসমের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ নাসরিন সুলতানা রুমা।
সেক্রেটারী শাহনাজ শাম্মির সঞ্চালনায় এতে আরো অংশগ্রহণ করেন, ডাঃ আমিনুল ইসলাম নাফিজ, তালহা মোহাম্মদ শামীম, সিএম সাইফুল হক,
জেসমিন শাহিনা, রোকেয়া বেগম, নুর নাহার মনু, চপলা এ পারভিন, নাসির চৌধুরী, নুর এ আলম, রুবিনা মজুমদার, মোহাম্মদ জাবেদ পলাশ, মোহাম্মদ শাখায়াৎ হোসেন বিশ্বাস, ইব্রাহীম খলিল, এড আনসারী, এডভোকেট আমিনা রত্না, কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দিনু, তারিক তুহিন, এড এলিজা ,জেসমিন আক্তার , শীলা রানী দাস, অন্যান্যা সোহেলী, শাহাজান সাজু সহ প্রমূখ।
নবীনদের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন কাজী লাবিবা হুমায়ারা অর্কা, ছোয়া, এবং বুলবুল আহম্মদ।
প্রবীণদের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন এড চন্দন, এড নকিব আহসান, এনামুল হক, মোঃ শহীদুল ইসলাম শ্যামল।
এ সময় নবীনরা প্রবীণদের হাত ধরে সম্পৃতি এবং ভালোবাসার বন্ধনকে দৃঢ় করার অঙ্গীকার নিয়ে রবীন্দ্র সরোবরে পৌঁছান।
বক্তারা বলেন বাংলাদেশে ও অনেক পরিবার রয়েছে যেখানে নাতি নাতনিরা তাদের দাদা, দাদীদের কখনও ধরেও দেখে না। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নবীনরা প্রবীণদের ধরে দেখার সুযোগ পেয়ে তাদের মানসিক পরিবর্তনের পাথেয় খুঁজে পাবে। জেরিয়াট্রিক কেয়ার সাপোর্ট টিমের এমন ব্যতিক্রমী এবং সময়োপযোগী কর্মকান্ড অব্যাহত রাখার জন্য আহবান জানান। র্যালিতে বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র -ছাত্রী, তরুন প্রজন্ম ও প্রবীণ প্রজম্মের ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন।