সংবাদদাতা, আজকের সময় :
ফেনীর পরশুরাম উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তিনদিন ব্যাপী কৃষিমেলা বুধবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরশুরাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পরশুরাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন মজুমদার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা শমসাদ বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরশুরাম পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল করিম মজুমদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সামছুন নাহার প্রমুখ।
উপজেলা উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মতিউর রহমানের সঞ্চালনায় এতে মূখ্য আলোচন ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ রানা।
এসময় বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শেষে অর্ধশতাধিক কৃষকদের মাঝে ফলের চারা বিতরন করা হয়।
পুরোনো শুল্কহারে বৈষম্য থাকায় কাঁচা কাজুবাদাম আমদানি হয়নি। আমরা আশা করেছিলাম, বাজেটে বৈষম্য রোধ করা হবে। কৃষিমন্ত্রীও বৈষম্য রোধ করতে অনেক চেষ্টা করেছেন।
বাজেট ঘোষণার দিন (গত ৯ জুন) থেকেই নতুন শুল্কহার কার্যকর হয়েছে। এমন সময়ে শুল্কহার পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে যখন এই খাতে নতুন নতুন উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করছেন। সিটি গ্রুপ, বিএসআরএম গ্রুপ, জেএমআই গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মাজ্জাক অ্যাগ্রো বিজনেসের মতো অনেকেই এগিয়ে এসেছে এই খাতে। পাশাপাশি আছেন পুরোনো উদ্যোক্তারাও।
হতাশ উদ্যোক্তারা
পার্বত্য এলাকায় স্থানীয়ভাবে কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে অনেক দিন ধরে। তবে এই খাতে কারখানার সূচনা হয় গ্রিনগ্রেইন কেশিও প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাকিল আহমেদের হাত ধরে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুরোনো শুল্কহারে বৈষম্য থাকায় কাঁচা কাজুবাদাম আমদানি হয়নি। আমরা আশা করেছিলাম, বাজেটে বৈষম্য রোধ করা হবে। কৃষিমন্ত্রীও বৈষম্য রোধ করতে অনেক চেষ্টা করেছেন। প্রস্তাবিত নতুন শুল্কহারে আমরা হতাশ। এতে কারখানা চালু করা যাবে না। নতুন উদ্যোক্তারাও পিছিয়ে যাবেন। কারণ, কাঁচামাল এনে এক কেজি কাজুবাদাম তৈরিতে এখন মানভেদে খরচ পড়বে ৭৭০–৮৫০ টাকা। আর আমদানি করা কাজুবাদাম ঢাকার বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০০–৭৭০ টাকা।’
কাঁচা কাজুবাদাম ও প্রস্তুত কাজুবাদামে আগে শুল্কহার একই ছিল। শুধু মূসক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো ২০ শতাংশ কাস্টমস শুল্কে ছাড় পেত। এই বৈষম্যের কারণেই কাঁচা কাজুবাদাম তেমন আমদানি হচ্ছে না। দেশে কাঁচা কাজুবাদামের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ফলন কম হওয়ায় ছোট উদ্যোক্তারা এবার কাজুবাদাম কিনতে পারেননি। তাই অনেক কারখানা চালু হচ্ছে না। তাই প্রস্তাবিত বাজেটে বৈষম্য রোধ হবে বলে আশায় ছিলেন উদ্যোক্তারা। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আশা পূরণ হয়নি।
প্রস্তুত কাজুবাদাম আমদানি শুরু হওয়ার পর থেকে মূল্য ফাঁকি দিচ্ছে আমদানিকারকেরা। ভিয়েতনামের কাজুবাদাম রপ্তানিকারকদের সংগঠন ‘ভিয়েতনাম ক্যাশো অ্যাসোসিয়েশন’ এ মাসে এক প্রকাশনায় বলেছে, বাংলাদেশে তারা গড়ে ৬ দশমিক ৮৫ ডলার দরে কাজুবাদাম রপ্তানি করেছে। অথচ বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর আমদানিকারকেরা প্রতি কেজি ১ দশমিক ৮৫ ডলার দরে আমদানির তথ্য দিচ্ছেন। এই দরেই শুল্কায়ন করছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
(আজকের সময়/এস এইচ/জুন ১৫, ২০২২)
ফেনী প্রতিনিধি :
এম শরীফ ভূঞা, ফেনী :
এম শরীফ ভূঞা :
এখানে মুহুরী সেচ প্রকল্পের ৪০ জলকপাট, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মৎস্য ঘের, জোয়ার-ভাটার পানি এবং ফেনী নদীর দু’কূল বেয়ে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতেই ছুটে আসছেন পর্যটকরা। দেশের সর্ববৃহৎ নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর’। এখানে গড়ে উঠছে অসংখ্য শিল্প কারখানা। নয়নাভিরাম এই শিল্পাঞ্চল দেখতে ছুটে আসছেন দেশী-বিদেশী পর্যটকদের দল। ছোট ফেনী নদীর উপকণ্ঠে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় নির্মাণ করা হয়েছে মুছাপুর ক্লোজার। অর্থাৎ বন্যা ও জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। গড়ে তোলা হয়েছে কৃত্রিম লেক।
মোঃ মহি উদ্দিন :
এম শরীফ ভূঞা, আজকের সময় :