মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
দাগনভূঞা প্রতিনিধি : দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুব পুর প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে বুধবার সকালে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত অসহায় বিধবা নারীকে আর্থিক অনুদান হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়।
ফোরামের দেশীয় সমন্বয়ক শ.ম সাজুর পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আজাদ মালদার, আজকের সময় সম্পাদক এম শরীফ ভূঞা, ফোরামের সদস্য কামরুল সোহরাওয়ার্দী, মোঃ রাকিব প্রমুখ।
শেষে অতিথিবৃন্দ অসহায় নারীর পরিবারের নিকট নগদ বিশ হাজার টাকা তার চিকিৎসার জন্য হস্তান্তর করেন।
দাগনভূঞা প্রতিনিধি : প্রবাসীর স্বপ্ন আমাদের অঙ্গিকার, সমাজ পরিবর্তনে এগিয়ে যাবো দূর্বার প্রতিপাদ্য বিষয় কে সামনে রেখে সোমবার সকালে উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দেবরামপুরে অসহায় ২ টি পরিবারকে আর্থিক অনুদান ও সেলাই মেশিন বিতরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মানবিক অনুদান হস্তান্তর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা আবুল ফোরকান বুলবুল।
ইয়াকুবপুর প্রবাসী ফোরামের সভাপতি শহীদ উল্যাহর সভাপতিত্বে ও দেশীয় সমন্বয়ক শ. ম সাজুর পরিচালনায় সহ-সভাপতি মোঃ শাহ আলম ও যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল সহ ফোরামের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ইয়াকুব পুর ইউনিয়নের দেবরামপুরে দূর্ঘটনায় ইলেক্ট্রেশিয়ান মোঃ মামুনের পরিবার কে নগদ অর্থ ও সেলাই মেশিন এবং আইয়ুব আলী সুমন কে জটিল রোগী আক্রান্ত আইয়ুব আলী সুমন কে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
আজকের সময় রিপোর্ট :
সৌদি আরব আঞ্জুমানে খুদ্দামুল মুসলেমিন কেন্দ্রীয় পরিষদের চেয়ারম্যান ও এফ টিভি এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর আল্লামা হারুন মোস্তফা আল রশিদী আরব আমিরাত সফর করেছেন। আন্জুমানে খুদ্দামুল মুসলেমিন বাংলাদেশ আরব আমিরাত এর শাখাগুলোর সাথে যৌথ মতবিনিময় করে ছয়দিনের সফর শেষে নিরাপদে তাবুক পৌঁচেছেন বলে আজকের সময় কে নিশ্চিত করেছেন।
আরব আমিরাতের আন্জুমানে খুদ্দামুল মুসলেমীন শারজাহ শাখার পক্ষ থেকে আল্লামা হারুন মোস্তফা আলো রশিদ সাহেবকে বিশেষ সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় আল্লামা হারুন মোস্তফা আল রশিদী আরব আমিরাতের শারজা সহ বিভিন্ন শাখা সমূহের মানবিক কাজগুলোর প্রশংসা করেন। এবং দেশ বিদেশে এই সংগঠনের মহৎ মানবিক কাজ গুলো আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়বে বলে আকাংখা প্রকাশ করেন।
দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধিঃ
দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর প্রবাসী ফোরামের উদ্যেগে গত বুধবার সকালে স্থানীয় ইউপি কার্যালয়ে তিন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে অনুদান দিয়েছে প্রবাসী ফোরাম।
প্রবাসী ফোরামের সভাপতি শহিদ উল্যাহর সভাপতিত্বে ও দেশীয় সমন্বয়ক শাহ জাহান সাজুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল ফোরকান বুলবুল, প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইমাম হাছান কচি, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, জয়নাল উদ্দিন, প্রবাসী শেখ রাসেল, নজরুল ইসলাম, প্রদীপ মজুমদার প্রমুখ। সভা শেষে ক্যান্সার আক্রান্ত মোঃ আবু ছায়েম (১) আবু ছায়েম (২) ও উষা রানী দে কে নগদ ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।
দেলোয়ার হোসেন সুমন, সৌদি আরব প্রতিনিধি :
দীর্ঘ ত্রিশ বছর যাবত মদিনা মসজিদুল নববীর পাশে ফ্রিতে চা ও মিষ্টি পরিবেশন করেন এ বৃদ্ধ। বিশ্বের নানান দেশ থেকে হজ্বে ও ওমরাতে আশা হাজীদের ফ্রিতে হরেক রকমের চা পরিবেশন করেন। স্থানীয়রাও অনেক দূর দুরান্ত থেকে আসে তার চা পান করার জন্য।
মহান আল্লাহতালার প্রেরিত রাসূল ও ইসলামের শেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবজাতির মধ্যে সবচেয়ে বড় উদার ব্যক্তি ছিলেন। শত্রুরাও তার কাছ থেকে উদারতা ছাড়া আর কিছু আশা করতো না। কারণ তাদের প্রতিও তিনি দয়াবান ছিলেন।
আর মহানবীর অনুসারীরা সব সময় উদারতার পরিচয় দেন। এরইমধ্যে রাসূলে পাক (সা:) এর স্মৃতিবিজড়িত শহর পবিত্র মদিনাতে এক অন্যরকম উদার ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে।
তিনি ঐতিহাসিক কুবা মসজিদের সামনের সড়কে বসে ফ্রিতে মুসল্লিদের চা ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করেন। এ সময় তার আশেপাশে সহযোগিতার জন্য কখনো ছেলে কখনো নাতিরা রাখেন।
বৃদ্ধ প্রতিদিন বেশ কয়েকটি ফ্লাক্সে চা ও প্রচুর কাপ নিয়ে বসেন আসরের নামাজের পরে। নামাজ পড়তে আসা মুসল্লি বা দর্শনার্থীদের চা পরিবেশন করেন তিনি। লোকটি বিনিময়ে কোনো নেন না। তার অসাধারণ কাজে প্রত্যেক মানুষ মুগ্ধ হন।
মহানবী রাসূলের (সা:) অনুসারী হিসেবে সবার সঙ্গে সদাচরণ করা, সহায়তা করা উচিত। সবার উচিত, যেকোনো সমস্যায় সবার পাশে দাঁড়ানো। সৎ কর্ম করা নবীজির সুন্নত আদায় করা। এমনটাই মনে করেন এই বৃদ্ধ মহান মানুষটি।
আজকের সময় ডেস্ক: শ্রীলঙ্কায় একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে। দেশটির একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এর আগে অভিযোগ তোলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই প্রকল্প ভারতীয় ব্যবসায়ী গৌতম আদানির শিল্পগোষ্ঠীকে দিতে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষেকে চাপ দিচ্ছেন।
তবে এখন ওই কর্মকর্তা আগের অবস্থান থেকে সরে এসে বলছেন, ‘আবেগে কাবু হয়ে’ তিনি এসব কথা বলেছিলেন। আজ সোমবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
তবে শ্রীলঙ্কার বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের প্রধানের এমন অভিযোগ নিয়ে ভারত সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
বিতর্ক তৈরি হয়েছে ৫০০ মেগাওয়াটের একটি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্পকে ঘিরে। প্রকল্পটি হচ্ছে শ্রীলঙ্কার মান্নার জেলায়। গত শুক্রবার শ্রীলঙ্কার সিলন ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের (সিইবি) চেয়ারম্যান এম এম সি ফার্নান্দো দেশটির পার্লামেন্টের একটি প্যানেলকে বলেন, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে তাঁকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ গৌতম আদানির শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপকে দেওয়ার জন্য তাঁকে সরাসরি চাপ দিচ্ছেন।
শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের কমিটি অন পাবলিক এন্টারপ্রাইজের (সিওপিই) উন্মুক্ত শুনানিতে ফার্নান্দো এ অভিযোগ তোলেন। শুনানির একটি ভিডিও ফুটেজ টুইটারে প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফার্নান্দো পার্লামেন্টের সিওপিইর শুনানিতে বলেন, ‘রাজাপক্ষে আমাকে বলেছেন, মোদির কাছ থেকে চাপে আছেন তিনি।’
এক দিন পর প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষে নিজে টুইটারে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন। এরপর গতকাল রোববার ফার্নান্দো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে অন্য কথা বলেন। তিনি এবার দাবি করেন, তাঁকে এমন কিছু প্রশ্ন করা হচ্ছিল যেগুলো তাঁকে দোষী প্রমাণিত করে। এতে ‘আবেগে কাবু হয়ে’ তিনি প্রকল্পটি নিয়ে মোদির চাপের কথা এভাবে বলেছেন।
প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষে টুইট করেন, ‘মান্নারে একটি বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প দেওয়া নিয়ে সিওপিই কমিটির শুনানিতে সিইবির চেয়ারম্যানের দেওয়া একটি বিবৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলছি, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই প্রকল্প দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছি। আমি বিশ্বাস করি, এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা যোগাযোগ করবেন।’
প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকেও এ নিয়ে একটি লম্বা বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে ওই প্রকল্প ঘিরে যেকোনো ব্যক্তির প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়। তাতে আরও বলা হয়, প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি মান্নারের ওই বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পটি কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে দেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন দেননি।’
এক দিন পর ফার্নান্দোকে উদ্ধৃত করে শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়ে, ফার্নান্দো এ ব্যাপারে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তিনি বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ আর আবেগের বশবর্তী হয়ে তিনি এমন কাজ করেছিলেন।
এর এক দিন পর শ্রীলঙ্কা সরকার আইন পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের বাধ্যবাধকতা তুলে নিলে বিতর্ক নতুন মাত্রা পায়। বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে ভারতের আদানি গ্রুপকে ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দেওয়ার জন্য সরকার আইন পরিবর্তন করেছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত বছরের অক্টোবরে শ্রীলঙ্কা সফরে যান আদানি গ্রুপের কর্ণধার গৌতম আদানি। প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে তিনি টুইটও করেন। বন্দর প্রকল্প ছাড়াও অংশীদারত্বের ভিত্তিতে শ্রীলঙ্কার অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর দিকে মুখিয়ে আছেন বলেও জানান তিনি।
(আজকের সময়/আইআই/জুন ১৩, ২০২২)
আজকের সময় ডেস্ক: ভারতে এখনও পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর না মিললেও, সতর্ক কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই এয়ার পোর্ট ও বন্দর এলাকায় নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নয়াদিল্লি: বিশ্বজুড়ে কোভিড আতঙ্কের মধ্যেই, এবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স। ইওরোপ ও আমেরিকার বেশ কিছু দেশে ইতিমধ্যেই হদিশ মিলেছে এই ভাইরাল ডিজিজের। ইংল্যান্ড, স্পেন, পর্তুগালে মিলেছে এই রোগের চিহ্ন।
ভারতে এখনও পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর না মিললেও, সতর্ক কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই এয়ার পোর্ট ও বন্দর এলাকায় নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কী এই রোগ? চিকিৎসকরা বলছেন, এটি এক বিশেষ ধরনের বসন্ত রোগ।
মূলত বানরের শরীর থেকে এটি ছড়ায়। বানরের শরীর থেকে অন্য প্রাণী বা মানুষের শরীরে ছড়ায় এই অসুখ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কি পক্স কোনও নতুন অসুখ নয়। আফ্রিকার বেশ কিছু এলাকায় মাঙ্কি পক্স দেখা যেত। এখন তা ছড়িয়ে পড়ছে অন্যত্র।
মাইক্রোবায়োলজিস্ট সৌগত ঘোষের কথায়, এইটা নতুন নয়। আফ্রিকায় হত। এখন ইওরোপে ঢুকেছে। সতর্ক হওয়া দরকার। চিকেন পক্সের প্রতিরোধক কিছুটা কাজ করে। ২-৪ সপ্তাহর মধ্যে কমে যায়। রোগের প্রাথমিক লক্ষণ কী?
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ সায়ন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, উপসর্গ বলেছে। ৪ সপ্তাহ থাকে। কেন্দ্রের পদক্ষেপ খুব ভাল।
বিশ্বে ক্রমশই উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে মাঙ্কি ভাইরাস। স্পেন ও পর্তুগালের মতো ইউরোপের একাধিক দেশ ও আমেরিকায় মাঙ্কি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আগাম সাবধান হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতেই একাধিক দেশকে সতর্ক করেছে তাঁরা। মনে করা হচ্ছে, সঠিক সচেতনতা না থাকলে করোনার ভমতো অতিমারীও হয়ে উঠতে পারে।
ইংল্যান্ডের পর ইতিমধ্যে ইউরোপের স্পেন ও পর্তুগালের মতো একাধিক দেশেও এই ভাইরাসে আক্রান্তদের সন্ধান মিলেছে। এ ছাড়া আমেরিকাতেও এক ব্যক্তির দেহেও এই ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। গত ৭ মে প্রথম মাঙ্কি ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর হদিস মেলে লন্ডনে। তিনি মাঙ্কি পক্সে ভুগছিলেন। ওই ব্যক্তি সম্প্রতি নাইজেরিয়া থেকে ফিরেছিলেন।
এদিকে, এতদিন বিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল শ্বাসনালী, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ ইত্যাদির মাধ্যমে মানব শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। কিন্তু সম্প্রতি মাঙ্কি ভাইরাসে আক্রান্ত একাধিক ব্যক্তিকে পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা মনে করছেন যৌন সংসর্গের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। পোশাক বা ড্রপলেটের মাধ্যমেই শুধু নয়, যৌন সংসর্গের (Sexual relations) মাধ্যমেও ছড়াতে পারে মাঙ্কি ভাইরাস (Monkey Virus), এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
আজকের সময় ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ায় গত তিন দিনে আট লাখের বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ রোববার উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে, দেশটিতে ‘জ্বরে’ ১৫ জন মারা গেছেন। খবর বিবিসির।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কেসিএনএ বলেছে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪২ জন করোনাভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন। করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮ লাখ ২০ হাজার ৬২০ জনের। ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৫০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ পরিস্থিতিকে ‘মহাবিপর্যয়’ বলছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উন।
গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে উত্তর কোরিয়া। এরপর দেশজুড়ে লকডাউন ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।কেসিএনএ বলছে, দেশের সব প্রদেশ, শহর ও কাউন্টি পুরোপুরি লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। কর্মক্ষেত্র, উৎপাদন এলাকা ও আবাসিক এলাকাগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর সামনে আনে উত্তর কোরিয়ার সরকার। রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অমিক্রনে আক্রান্ত ওই রোগী শনাক্ত হয়। এর পাশাপাশি বিষয়টিকে ‘জরুরি অবস্থা’ আখ্যায়িত করে দেশজুড়ে লকডাউনের আদেশ দেন সর্বোচ্চ নেতা কিম।
বিবিসি বলছে, প্রথমবার করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করল দেশটির সরকার। এতে দেশটিতে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংকটের বিষয়টিই নজরে এল। উত্তর কোরিয়া বিদেশি সাহায্য নিয়ে টিকাদান কর্মসূচি চালাতে রাজি হয়নি। সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে। কিন্তু কঠোর নিষেধাজ্ঞাও ব্যর্থতা ঠেকাতে পারেনি।
প্রথমবার করোনা শনাক্তের কথা স্বীকার করে পরিস্থিতি ‘মহাবিপর্যয়’ উল্লেখ করেছেন কিম জং-উন। গতকাল শনিবার তিনি বলেন, এ মহামারি সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার কোনো নাগরিক করোনায় আক্রান্ত হননি বলে দুই বছর ধরে দাবি করে আসছিল সরকার। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকেই কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছিল দেশটি। এর জেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় পিয়ংইয়ংকে। দেশটিতে টিকা দেওয়ার বিষয়েও কোনো সরকারি তথ্য নেই।
বিবিসি বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে নাজুক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একটি উত্তর কোরিয়ার। দেশটিতে করোনার টিকা, ভাইরাসবিরোধী ওষুধ ও গণহারে পরীক্ষার সক্ষমতা নেই। এর আগে চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড টিকা দিতে চাইলেও নেয়নি পিয়ংইয়ং। এখন আবার সাহায্য ও টিকা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং ও সিউল।
আজকের সময় ডেস্ক: আন্না ডেনিয়েলি তাঁর পোষা বিড়ালের জন্য আদালতে লড়াই করেছেন। এক কিংবা দুই দিন নয়। তিন বছর তাঁকে লড়তে হয়েছে আদালতে। তবে শেষমেশ তাঁর বিড়ালের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন তিনি। অল্পস্বল্প নয়, সোয়া লাখ মার্কিন ডলার পেয়েছেন তিনি। এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। খবর এনডিটিভির
আন্না ডেনিয়েলির বিড়ালটির নাম মিসকা। তাঁর বিড়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, মিসকা প্রতিবেশীদের বাড়িতে ঘুরে বেড়ায় এবং পোষা প্রাণীকে হেনস্তা করে। শুধু এই অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ার জন্য আন্না পেয়েছেন ৩০ হাজার ডলার। এই অর্থ অবশ্য সেই সোয়া লাখ ডলারের ভেতরেই রয়েছে।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স ১১–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্নার আইনজীবী জন জিমারমান বলেন, ওয়াশিংটনের সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ একটি অযৌক্তিক ও অবিশ্বাস্য বিচার করেছিল। নতুন যে বিচারটি হয়েছে, তা সত্যিকার অর্থেই ঐতিহাসিক।
আইনি লড়াইটি সহজ ছিল না আন্নার জন্য। কারণ, তিন বছর তাঁকে আদালতে যেতে হয়েছে। অবশেষে আদালত বলেছেন, আন্নার বিড়াল বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা একেবারে ভিত্তিহীন।
আন্নার মতো অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে এমন হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া ঝক্কির কারণে অনেকে পোষা প্রাণী রাখা ছেড়েও দিয়েছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইচ্ছা থাকার পরও অনেকে পোষা প্রাণী রাখতে পারেন না। ভ্রমণের সময় পোষা প্রাণীটি কোথায় থাকবে, এই বিষয়ে চিন্তা করে ৩৪ শতাংশ মানুষ পোষা প্রাণী রাখেন না। সময়ের অভাবে পোষা প্রাণী রাখেন না ২৮ শতাংশ মানুষ। আর বাড়ির মালিক রাখতে দেন না, এ জন্য পোষা প্রাণী রাখেন না এমন মানুষের সংখ্যা ২৮ শতাংশ।