“FTV NEWS – সত্যের পথে, নির্ভীক কণ্ঠস্বর”
এফ টিভি একটি নিরপেক্ষ ও বিশ্বস্ত টেলিভিশন চ্যানেল, যেখানে প্রতিনিয়ত তুলে ধরা হয় সময়ের আলোচিত খবর, অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন এবং জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান। আমাদের লক্ষ্য সত্যকে তুলে ধরা, জনগণের কণ্ঠকে জোরালো করা এবং একটি সচেতন সমাজ গড়ে তোলা।
আমরা প্রচার করি—
সর্বশেষ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ক অনুষ্ঠান
সমাজ সচেতনতামূলক প্রতিবেদন
লাইভ টক শো ও বিশেষ আয়োজন
FTV বিশ্বাস করে, সাংবাদিকতা মানেই মানুষের কথা বলার অধিকার রক্ষা করা। আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে আপনি পাবেন সময়োপযোগী খবর এবং গভীর বিশ্লেষণ।
এফ টিভি ^ হৃদয়ে বাংলার স্পন্দন,
সত্যের সঙ্গে, সবসময়।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনীতে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা, কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু সাঈদ নোমান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা সেক্রেটারি আবু বক্কর ছিদ্দিক এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিলেট জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা জাহিদ উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা রিদওয়ানুল্লাহ ইউছুফী, মাওলানা আশ্রাফ আলী, মাওলানা নিজাম ওবায়দী, মুফতি মামুনুর রশীদ, মাওলানা আবুল কাসেম ও মাওলানা কারিমুল হক মামুন প্রমুখ। এসময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর বলেন- কারাবন্দী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ সকল আলেম ওলামাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠায় সকল ইসলামি দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করে গ্রহণ যোগ্য নির্বাচন দেয়া গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। তাই বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়ার দাবি করেন।
শেষমেষ ভুক্তভোগী দিনমজুরের রোববার রাতে বিজিবি ৪৩ ব্যাটালিয়ন জোনে নিরাপত্তা চেয়ে একটি আবেদন করেছেন।
এম শরীফ ভূঞা, আজকের সময় :
উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আকতার হোসেন জানান, ১৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ হয় ২০১১ সালে। পরশুরামের নিজকালিকাপুর হতে বাঁধটি শুরু হয়। মুহুরী নদীর পশ্চিম পাড়ে বাঁধটি রেজুমিয়া ব্রিজ পর্যন্ত তৈরি হয়। কহুয়া নদীর দুইপাড়ে ৩৪ কিলোমিটার, সিলোনিয়া নদীর পূর্বপাড়ে প্রায় ৩০ কি.মি. বাঁধ নির্মিত হয় ফুলগাজী উপজেলার বন্দুয়া ব্রিজ পর্যন্ত।